পশ্চিম এশিয়ায় চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি ও হরমুজ প্রণালিতে জ্বালানি সরবরাহ অনিশ্চয়তার মধ্যে রাশিয়া থেকে তেল আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করেছে ব্রিটেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর কঠোর অবস্থানের বিপরীতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কেইর স্টার্মার-এর সরকার। খবর প্রকাশ করেছে রয়েটার্স ।
ব্রিটিশ সরকারের নতুন এই অনুমোদন গত বুধবার থেকে কার্যকর হয়েছে। তবে এটি কতদিন বহাল থাকবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা জানানো হয়নি। সরকার জানিয়েছে, পরিস্থিতি বিবেচনায় পর্যায়ক্রমে সিদ্ধান্তটি পর্যালোচনা করা হবে।
মূলত হরমুজ প্রণালিতে অচলাবস্থা ও মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের জেরে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেল ও গ্যাসের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় বিকল্প সরবরাহ নিশ্চিত করতে এই পদক্ষেপ নিয়েছে লন্ডন।
তবে ব্রিটেন সরাসরি রাশিয়া থেকে তেল কিনবে না। প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, রাশিয়া থেকে তৃতীয় কোনো দেশে রপ্তানি করা অপরিশোধিত তেল ওই দেশের শোধনাগারে পরিশোধনের পর ব্রিটেনে আমদানি করা হবে।
উল্লেখ্য, ২০২২ সালে ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসনের পর মস্কোর ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়াতে রুশ জ্বালানির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলো। সেই অবস্থান থেকে এবার কিছুটা সরে এলো ব্রিটেন।
এস.আর

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬
পশ্চিম এশিয়ায় চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি ও হরমুজ প্রণালিতে জ্বালানি সরবরাহ অনিশ্চয়তার মধ্যে রাশিয়া থেকে তেল আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করেছে ব্রিটেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর কঠোর অবস্থানের বিপরীতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কেইর স্টার্মার-এর সরকার। খবর প্রকাশ করেছে রয়েটার্স ।
ব্রিটিশ সরকারের নতুন এই অনুমোদন গত বুধবার থেকে কার্যকর হয়েছে। তবে এটি কতদিন বহাল থাকবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা জানানো হয়নি। সরকার জানিয়েছে, পরিস্থিতি বিবেচনায় পর্যায়ক্রমে সিদ্ধান্তটি পর্যালোচনা করা হবে।
মূলত হরমুজ প্রণালিতে অচলাবস্থা ও মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের জেরে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেল ও গ্যাসের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় বিকল্প সরবরাহ নিশ্চিত করতে এই পদক্ষেপ নিয়েছে লন্ডন।
তবে ব্রিটেন সরাসরি রাশিয়া থেকে তেল কিনবে না। প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, রাশিয়া থেকে তৃতীয় কোনো দেশে রপ্তানি করা অপরিশোধিত তেল ওই দেশের শোধনাগারে পরিশোধনের পর ব্রিটেনে আমদানি করা হবে।
উল্লেখ্য, ২০২২ সালে ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসনের পর মস্কোর ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়াতে রুশ জ্বালানির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলো। সেই অবস্থান থেকে এবার কিছুটা সরে এলো ব্রিটেন।
এস.আর

আপনার মতামত লিখুন