ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

যুবদলে বড় পরিবর্তনের আভাস, নেতৃত্বে আসছেন কারা?


নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২১ মে ২০২৬

যুবদলে বড় পরিবর্তনের আভাস, নেতৃত্বে আসছেন কারা?
ছবিঃ সংগ্রহীত

তিন বছর মেয়াদি কমিটির দুই বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করতে পারেনি জাতীয়তাবাদী যুবদল। মাত্র সাত সদস্যের আংশিক কমিটি দিয়ে দীর্ঘদিন সংগঠন পরিচালিত হওয়ায় তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ, হতাশা ও অনিশ্চয়তা বাড়ছে। এরই মধ্যে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বিভিন্ন ইউনিট নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করায় যুবদলের নেতৃত্বে বড় ধরনের পরিবর্তনের আলোচনা জোরালো হয়েছে।

নতুন কমিটিতে জায়গা পেতে সাবেক ছাত্রনেতা, যুবদলের সাবেক শীর্ষ পদধারী এবং মহানগর পর্যায়ের একাধিক নেতা সক্রিয় লবিং-তদবির শুরু করেছেন। রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন সবচেয়ে আলোচিত প্রশ্ন, যুবদলের আগামী নেতৃত্বে কারা আসছেন?

২০২৪ সালের ৯ জুলাই মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং নুরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করে সাত সদস্যের আংশিক কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়েছিল। সে সময় দ্রুত পূর্ণাঙ্গ কমিটি দেওয়ার আশ্বাস মিললেও প্রায় দুই বছর পেরিয়ে গেলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি।

সংগঠনের একাধিক নেতা অভিযোগ করছেন, দীর্ঘদিন পূর্ণাঙ্গ কমিটি না হওয়ায় সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। তাদের দাবি, আংশিক কমিটিকে কেন্দ্র করে সভাপতি মোনায়েম মুন্নার একক প্রভাব প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বিশেষ করে গত ১২ ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর এই প্রবণতা আরও বেড়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

১৯৭৮ সালের ২৭ অক্টোবর বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান উৎপাদনমুখী রাজনীতি, মুক্তবাজার অর্থনীতি ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধভিত্তিক সমাজ গঠনের লক্ষ্য নিয়ে যুবদল প্রতিষ্ঠা করেন। তবে বিএনপির অনেক জ্যেষ্ঠ নেতা মনে করেন, সময়ের ব্যবধানে সংগঠনটি তার মূল আদর্শিক অবস্থান থেকে অনেকটাই সরে গেছে।

তাদের মতে, যুবসমাজের উন্নয়ন কিংবা আদর্শভিত্তিক নেতৃত্ব তৈরিতে সংগঠনটির দৃশ্যমান ভূমিকা নেই। দীর্ঘ সময়েও পূর্ণাঙ্গ কমিটি দিতে না পারাকে বর্তমান নেতৃত্বের বড় ব্যর্থতা হিসেবে দেখছেন তারা।

এদিকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর যুবদলের কিছু নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে নানা অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। এতে সংগঠনটির ভাবমূর্তি নিয়েও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

যুবদলের নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র জানিয়েছে, ইতোমধ্যে ১৫১ ও ২৫১ সদস্যবিশিষ্ট দুটি সম্ভাব্য পূর্ণাঙ্গ কমিটির খসড়া বিএনপির হাইকমান্ডের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। তবে পদপ্রত্যাশীদের অভিযোগ, সেখানে ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের মূল্যায়ন করা হয়নি। বরং বর্তমান শীর্ষ নেতৃত্ব নিজেদের ঘনিষ্ঠদের প্রাধান্য দিয়ে তালিকা তৈরি করেছে।

এই পরিস্থিতিতে সংগঠনের একটি বড় অংশ বর্তমান আংশিক কমিটি ভেঙে সম্পূর্ণ নতুন প্রক্রিয়ায় কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের দাবি তুলেছে।

এর আগে যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন বলেছিলেন, সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর দল চাইলে তাকে অন্য দায়িত্বেও পাঠাতে পারে। সংগঠনে রাখলেও তার আপত্তি নেই। দলের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে মন্তব্য করেন তিনি।

যুবদলের একাধিক নেতা জানিয়েছেন, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোতে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। গত ৯ মে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে যুবদলের বিভিন্ন ইউনিটের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি।

সেই বৈঠকে উপস্থিত এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারবেন এবং অতীত আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ছিলেন, এমন নেতাদের নিয়েই আগামী কমিটি গঠন করা হবে বলে আভাস দিয়েছেন তারেক রহমান।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, সহযোগী সংগঠনগুলোর পুনর্গঠনের কাজ চলমান রয়েছে। কবে নাগাদ নতুন কমিটি হবে, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। তবে দ্রুত সময়ের মধ্যেই অঙ্গ সংগঠনগুলো পুনর্গঠন করা হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

নেতৃত্বের দৌড়ে যাদের নাম আলোচনায়

যুবদলের নতুন কমিটিতে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ গুরুত্বপূর্ণ পদে আলোচনায় রয়েছেন সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুন হাসান, সাবেক ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা শাহীন, সাবেক সহ-সভাপতি রুহুল আমিন আকিল, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইদ ইকবাল টিটো, মাহবুবুল হাসান পিংকু, দীপু সরকার, কামরুজ্জামান দুলাল, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক এনামুল হক এনাম, রেজাউল কবীর পল, বিল্লাল হোসেন তারেক, ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসান, সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুনুর রশীদ মামুন, শরীফ উদ্দিন জুয়েল, রবিউল ইসলাম নয়ন, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন, ইকবাল হোসেন শ্যামল এবং সাইফ মাহমুদ জুয়েল।

পদপ্রত্যাশী গোলাম মাওলা শাহীন বলেন, ছাত্রদলের রাজনীতি থেকেই তার রাজনৈতিক পথচলা শুরু। বিএনপির আদর্শ ধারণ করেই তিনি রাজনীতি করেছেন। সামনে বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দলের নেতা যাকে যোগ্য মনে করবেন, তাকেই দায়িত্ব দেওয়া হবে।

কামরুজ্জামান দুলাল বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত সবাই যুবদলে নতুন নেতৃত্ব দেখতে চায়। তার মতে, বর্তমান কমিটি সংগঠনকে গতিশীল করতে এবং সাংগঠনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়েছে।

মাহবুবুল হাসান পিংকু বলেন, দলের চেয়ারম্যান যদি তাকে যোগ্য মনে করেন, তাহলে সারাদেশে যুবদলকে আরও সংগঠিত ও কার্যকর করতে কাজ করবেন।

ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন বলেন, দল যে দায়িত্ব দেবে, সেটিই তিনি গ্রহণ করবেন।

অন্যদিকে ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল বলেন, আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি সবসময় সক্রিয় ছিলেন। এখন সংগঠনের অভিভাবক যে দায়িত্ব দেবেন, সেটিই পালন করবেন।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


যুবদলে বড় পরিবর্তনের আভাস, নেতৃত্বে আসছেন কারা?

প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬

featured Image

তিন বছর মেয়াদি কমিটির দুই বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করতে পারেনি জাতীয়তাবাদী যুবদল। মাত্র সাত সদস্যের আংশিক কমিটি দিয়ে দীর্ঘদিন সংগঠন পরিচালিত হওয়ায় তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ, হতাশা ও অনিশ্চয়তা বাড়ছে। এরই মধ্যে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বিভিন্ন ইউনিট নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করায় যুবদলের নেতৃত্বে বড় ধরনের পরিবর্তনের আলোচনা জোরালো হয়েছে।

নতুন কমিটিতে জায়গা পেতে সাবেক ছাত্রনেতা, যুবদলের সাবেক শীর্ষ পদধারী এবং মহানগর পর্যায়ের একাধিক নেতা সক্রিয় লবিং-তদবির শুরু করেছেন। রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন সবচেয়ে আলোচিত প্রশ্ন, যুবদলের আগামী নেতৃত্বে কারা আসছেন?

২০২৪ সালের ৯ জুলাই মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং নুরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করে সাত সদস্যের আংশিক কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়েছিল। সে সময় দ্রুত পূর্ণাঙ্গ কমিটি দেওয়ার আশ্বাস মিললেও প্রায় দুই বছর পেরিয়ে গেলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি।

সংগঠনের একাধিক নেতা অভিযোগ করছেন, দীর্ঘদিন পূর্ণাঙ্গ কমিটি না হওয়ায় সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। তাদের দাবি, আংশিক কমিটিকে কেন্দ্র করে সভাপতি মোনায়েম মুন্নার একক প্রভাব প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বিশেষ করে গত ১২ ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর এই প্রবণতা আরও বেড়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

১৯৭৮ সালের ২৭ অক্টোবর বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান উৎপাদনমুখী রাজনীতি, মুক্তবাজার অর্থনীতি ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধভিত্তিক সমাজ গঠনের লক্ষ্য নিয়ে যুবদল প্রতিষ্ঠা করেন। তবে বিএনপির অনেক জ্যেষ্ঠ নেতা মনে করেন, সময়ের ব্যবধানে সংগঠনটি তার মূল আদর্শিক অবস্থান থেকে অনেকটাই সরে গেছে।

তাদের মতে, যুবসমাজের উন্নয়ন কিংবা আদর্শভিত্তিক নেতৃত্ব তৈরিতে সংগঠনটির দৃশ্যমান ভূমিকা নেই। দীর্ঘ সময়েও পূর্ণাঙ্গ কমিটি দিতে না পারাকে বর্তমান নেতৃত্বের বড় ব্যর্থতা হিসেবে দেখছেন তারা।

এদিকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর যুবদলের কিছু নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে নানা অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। এতে সংগঠনটির ভাবমূর্তি নিয়েও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

যুবদলের নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র জানিয়েছে, ইতোমধ্যে ১৫১ ও ২৫১ সদস্যবিশিষ্ট দুটি সম্ভাব্য পূর্ণাঙ্গ কমিটির খসড়া বিএনপির হাইকমান্ডের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। তবে পদপ্রত্যাশীদের অভিযোগ, সেখানে ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের মূল্যায়ন করা হয়নি। বরং বর্তমান শীর্ষ নেতৃত্ব নিজেদের ঘনিষ্ঠদের প্রাধান্য দিয়ে তালিকা তৈরি করেছে।

এই পরিস্থিতিতে সংগঠনের একটি বড় অংশ বর্তমান আংশিক কমিটি ভেঙে সম্পূর্ণ নতুন প্রক্রিয়ায় কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের দাবি তুলেছে।

এর আগে যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন বলেছিলেন, সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর দল চাইলে তাকে অন্য দায়িত্বেও পাঠাতে পারে। সংগঠনে রাখলেও তার আপত্তি নেই। দলের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে মন্তব্য করেন তিনি।

যুবদলের একাধিক নেতা জানিয়েছেন, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোতে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। গত ৯ মে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে যুবদলের বিভিন্ন ইউনিটের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি।

সেই বৈঠকে উপস্থিত এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারবেন এবং অতীত আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ছিলেন, এমন নেতাদের নিয়েই আগামী কমিটি গঠন করা হবে বলে আভাস দিয়েছেন তারেক রহমান।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, সহযোগী সংগঠনগুলোর পুনর্গঠনের কাজ চলমান রয়েছে। কবে নাগাদ নতুন কমিটি হবে, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। তবে দ্রুত সময়ের মধ্যেই অঙ্গ সংগঠনগুলো পুনর্গঠন করা হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

নেতৃত্বের দৌড়ে যাদের নাম আলোচনায়

যুবদলের নতুন কমিটিতে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ গুরুত্বপূর্ণ পদে আলোচনায় রয়েছেন সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুন হাসান, সাবেক ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা শাহীন, সাবেক সহ-সভাপতি রুহুল আমিন আকিল, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইদ ইকবাল টিটো, মাহবুবুল হাসান পিংকু, দীপু সরকার, কামরুজ্জামান দুলাল, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক এনামুল হক এনাম, রেজাউল কবীর পল, বিল্লাল হোসেন তারেক, ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসান, সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুনুর রশীদ মামুন, শরীফ উদ্দিন জুয়েল, রবিউল ইসলাম নয়ন, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন, ইকবাল হোসেন শ্যামল এবং সাইফ মাহমুদ জুয়েল।

পদপ্রত্যাশী গোলাম মাওলা শাহীন বলেন, ছাত্রদলের রাজনীতি থেকেই তার রাজনৈতিক পথচলা শুরু। বিএনপির আদর্শ ধারণ করেই তিনি রাজনীতি করেছেন। সামনে বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দলের নেতা যাকে যোগ্য মনে করবেন, তাকেই দায়িত্ব দেওয়া হবে।

কামরুজ্জামান দুলাল বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত সবাই যুবদলে নতুন নেতৃত্ব দেখতে চায়। তার মতে, বর্তমান কমিটি সংগঠনকে গতিশীল করতে এবং সাংগঠনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়েছে।

মাহবুবুল হাসান পিংকু বলেন, দলের চেয়ারম্যান যদি তাকে যোগ্য মনে করেন, তাহলে সারাদেশে যুবদলকে আরও সংগঠিত ও কার্যকর করতে কাজ করবেন।

ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন বলেন, দল যে দায়িত্ব দেবে, সেটিই তিনি গ্রহণ করবেন।

অন্যদিকে ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল বলেন, আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি সবসময় সক্রিয় ছিলেন। এখন সংগঠনের অভিভাবক যে দায়িত্ব দেবেন, সেটিই পালন করবেন।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ