কোপা আমেরিকা জয়ের মাধ্যমে জাতীয় দলের হয়ে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটান লিওনেল মেসি। এরপর ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে এসে নিজের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় সাফল্য অর্জন করেন তিনি। আর্জেন্টিনাকে ৩৬ বছর পর বিশ্বকাপ শিরোপা এনে দেওয়ার পথে বল পায়ে যেমন নেতৃত্ব দিয়েছেন, তেমনি মাঠের বাইরেও এক অনন্য উদাহরণ তৈরি করেছেন এই তারকা ফরোয়ার্ড। বিশ্বকাপ জয়ের পর পাওয়া ব্যক্তিগত বোনাস নিজের কাছে না রেখে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ)-এর সব কর্মীদের মাঝে সমানভাবে ভাগ করে দিয়েছেন মেসি। বিষয়টি সামনে আনেন জাতীয় দলের সাবেক ফিটনেস কোচ জেরার্ডো সালোরিও। রেডিও লা রেড-এএম ৯১০-এ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সালোরিও বলেন, কাতারে শিরোপা জয়ের পর দলীয় সবাই নগদ বোনাস পেলেও মেসি নিজের অংশটি সরাসরি ফেডারেশনের ভবনের কর্মীদের মধ্যে বিতরণ করেন। রাঁধুনি, পরিচ্ছন্নতাকর্মী থেকে শুরু করে অফিস স্টাফ সবাই এতে সমানভাবে অংশ পান। তিনি আরও জানান, মেসির এই আচরণ নতুন কিছু নয়। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি বিভিন্নভাবে সহায়তা করে আসছেন। আগের বছরগুলোতে অন্য খেলোয়াড়দের সঙ্গে মিলেও অবকাঠামো উন্নয়নে ভূমিকা রেখেছেন, তবে সাম্প্রতিক সময়ে অনেক ক্ষেত্রেই তিনি একাই উদ্যোগ নিয়েছেন। এর আগেও বিশ্বকাপ জয়ের পর সতীর্থ খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফদের জন্য বিশেষ উপহার দিয়েছিলেন মেসি। প্রত্যেককে তিনি আইফোন ১৪ উপহার দেন, যার কেস ছিল সোনার তৈরি। সেই কেসে খোদাই করা ছিল খেলোয়াড়দের নাম, জার্সি নম্বর এবং আর্জেন্টিনার তিন তারকা চিহ্ন। এস.আর

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ মে ২০২৬
কোপা আমেরিকা জয়ের মাধ্যমে জাতীয় দলের হয়ে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটান লিওনেল মেসি। এরপর ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে এসে নিজের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় সাফল্য অর্জন করেন তিনি। আর্জেন্টিনাকে ৩৬ বছর পর বিশ্বকাপ শিরোপা এনে দেওয়ার পথে বল পায়ে যেমন নেতৃত্ব দিয়েছেন, তেমনি মাঠের বাইরেও এক অনন্য উদাহরণ তৈরি করেছেন এই তারকা ফরোয়ার্ড। বিশ্বকাপ জয়ের পর পাওয়া ব্যক্তিগত বোনাস নিজের কাছে না রেখে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ)-এর সব কর্মীদের মাঝে সমানভাবে ভাগ করে দিয়েছেন মেসি। বিষয়টি সামনে আনেন জাতীয় দলের সাবেক ফিটনেস কোচ জেরার্ডো সালোরিও। রেডিও লা রেড-এএম ৯১০-এ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সালোরিও বলেন, কাতারে শিরোপা জয়ের পর দলীয় সবাই নগদ বোনাস পেলেও মেসি নিজের অংশটি সরাসরি ফেডারেশনের ভবনের কর্মীদের মধ্যে বিতরণ করেন। রাঁধুনি, পরিচ্ছন্নতাকর্মী থেকে শুরু করে অফিস স্টাফ সবাই এতে সমানভাবে অংশ পান। তিনি আরও জানান, মেসির এই আচরণ নতুন কিছু নয়। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি বিভিন্নভাবে সহায়তা করে আসছেন। আগের বছরগুলোতে অন্য খেলোয়াড়দের সঙ্গে মিলেও অবকাঠামো উন্নয়নে ভূমিকা রেখেছেন, তবে সাম্প্রতিক সময়ে অনেক ক্ষেত্রেই তিনি একাই উদ্যোগ নিয়েছেন। এর আগেও বিশ্বকাপ জয়ের পর সতীর্থ খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফদের জন্য বিশেষ উপহার দিয়েছিলেন মেসি। প্রত্যেককে তিনি আইফোন ১৪ উপহার দেন, যার কেস ছিল সোনার তৈরি। সেই কেসে খোদাই করা ছিল খেলোয়াড়দের নাম, জার্সি নম্বর এবং আর্জেন্টিনার তিন তারকা চিহ্ন। এস.আর

আপনার মতামত লিখুন