নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে ফের নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করল বসুন্ধরা কিংস। মৌসুমজুড়ে ফিফার নিষেধাজ্ঞা, কোচ পরিবর্তন, বিদেশি ফুটবলারদের বিদ্রোহ এবং আর্থিক জটিলতার মতো একের পর এক সংকটের মধ্য দিয়েও শেষ পর্যন্ত লিগ শিরোপা পুনরুদ্ধার করেছে দলটি।
শুক্রবার (১৫ মে) ঢাকা আবাহনীকে হারিয়ে নিজেদের ষষ্ঠ লিগ শিরোপা নিশ্চিত করেছে কিংস।
২০১৮ সালের পর থেকে দেশের ঘরোয়া ফুটবলে আধিপত্য বিস্তার করে আসছে বসুন্ধরা কিংস। টানা পাঁচবার লিগ শিরোপা জয়ের পর গত মৌসুমে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব–এর কাছে ট্রফি হারাতে হয়েছিল দলটিকে। তবে চলতি মৌসুমে ঘুরে দাঁড়িয়ে আবারও শিরোপা নিজেদের ঘরে তুলেছে তারা।
আগের মৌসুমগুলোর তুলনায় এবারের শিরোপা জয়ের পথ ছিল অনেক বেশি কঠিন। মৌসুমের শুরু থেকেই নানা সমস্যায় পড়তে হয় ক্লাবটিকে। ফিফার নিষেধাজ্ঞার কারণে মধ্যবর্তী দলবদলে নতুন খেলোয়াড় নিবন্ধন করাতে পারেনি তারা। ফলে দ্বিতীয় লেগে সীমিত স্কোয়াড নিয়েই লড়তে হয়েছে।
এর মধ্যে পারিশ্রমিক না পাওয়ার অভিযোগে বিদেশি ফুটবলারদের একটি অংশ অসন্তোষ প্রকাশ করে। কয়েকজন বিদেশি খেলোয়াড় অনুশীলনে অনিয়মিত হন, কেউ কেউ ক্লাব ছাড়ার সিদ্ধান্তও নেন। মৌসুমের শুরুর দিকে পারিশ্রমিকজনিত কারণ দেখিয়ে দুই প্রবাসী ফুটবলার কিউবা মিচেল ও তারেক কাজী দল ছাড়েন।
এমন পরিস্থিতিতে দলের অন্যতম বড় ভরসা হয়ে ওঠেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড ডরিয়েলটন গোমেজ। মৌসুমজুড়ে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সে তিনি দলকে এগিয়ে নিয়ে যান। এখন পর্যন্ত ১৮ গোল করে তিনি লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন।
মৌসুমের মাঝপথে আর্জেন্টাইন কোচ অস্কার গোমেজের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হলে তাকে বিদায় দেয় ক্লাব কর্তৃপক্ষ। এরপর দায়িত্ব দেওয়া হয় স্থানীয় কোচ বায়েজিদ জোবায়ের আলম নিপুকে। তার অধীনে দল নতুন করে সংগঠিত হয় এবং শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে এগিয়ে যায়।
দলের অধিনায়ক তপু বর্মণ বলেন, এবারের শিরোপার মূল্য অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি। তার ভাষায়, নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও স্থানীয় ফুটবলাররা ঐক্যবদ্ধ ছিলেন বলেই দলটি শীর্ষস্থান ধরে রাখতে পেরেছে।
এখন বসুন্ধরা কিংসের সামনে রয়েছে আরও বড় অর্জনের সুযোগ। আগামী ১৯ মে ফেডারেশন কাপের ফাইনালে মোহামেডানের মুখোমুখি হবে দলটি। সেই ম্যাচে জয় পেলে দ্বিতীয়বারের মতো ট্রেবল জয়ের ইতিহাস গড়বে কিংস।
সব বাধা অতিক্রম করে এই শিরোপা জয়ে বসুন্ধরা কিংস দেখিয়ে দিল, সংকট যত বড়ই হোক—দলগত ঐক্য থাকলে সাফল্য ধরা দেয়।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ মে ২০২৬
নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে ফের নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করল বসুন্ধরা কিংস। মৌসুমজুড়ে ফিফার নিষেধাজ্ঞা, কোচ পরিবর্তন, বিদেশি ফুটবলারদের বিদ্রোহ এবং আর্থিক জটিলতার মতো একের পর এক সংকটের মধ্য দিয়েও শেষ পর্যন্ত লিগ শিরোপা পুনরুদ্ধার করেছে দলটি।
শুক্রবার (১৫ মে) ঢাকা আবাহনীকে হারিয়ে নিজেদের ষষ্ঠ লিগ শিরোপা নিশ্চিত করেছে কিংস।
২০১৮ সালের পর থেকে দেশের ঘরোয়া ফুটবলে আধিপত্য বিস্তার করে আসছে বসুন্ধরা কিংস। টানা পাঁচবার লিগ শিরোপা জয়ের পর গত মৌসুমে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব–এর কাছে ট্রফি হারাতে হয়েছিল দলটিকে। তবে চলতি মৌসুমে ঘুরে দাঁড়িয়ে আবারও শিরোপা নিজেদের ঘরে তুলেছে তারা।
আগের মৌসুমগুলোর তুলনায় এবারের শিরোপা জয়ের পথ ছিল অনেক বেশি কঠিন। মৌসুমের শুরু থেকেই নানা সমস্যায় পড়তে হয় ক্লাবটিকে। ফিফার নিষেধাজ্ঞার কারণে মধ্যবর্তী দলবদলে নতুন খেলোয়াড় নিবন্ধন করাতে পারেনি তারা। ফলে দ্বিতীয় লেগে সীমিত স্কোয়াড নিয়েই লড়তে হয়েছে।
এর মধ্যে পারিশ্রমিক না পাওয়ার অভিযোগে বিদেশি ফুটবলারদের একটি অংশ অসন্তোষ প্রকাশ করে। কয়েকজন বিদেশি খেলোয়াড় অনুশীলনে অনিয়মিত হন, কেউ কেউ ক্লাব ছাড়ার সিদ্ধান্তও নেন। মৌসুমের শুরুর দিকে পারিশ্রমিকজনিত কারণ দেখিয়ে দুই প্রবাসী ফুটবলার কিউবা মিচেল ও তারেক কাজী দল ছাড়েন।
এমন পরিস্থিতিতে দলের অন্যতম বড় ভরসা হয়ে ওঠেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড ডরিয়েলটন গোমেজ। মৌসুমজুড়ে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সে তিনি দলকে এগিয়ে নিয়ে যান। এখন পর্যন্ত ১৮ গোল করে তিনি লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন।
মৌসুমের মাঝপথে আর্জেন্টাইন কোচ অস্কার গোমেজের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হলে তাকে বিদায় দেয় ক্লাব কর্তৃপক্ষ। এরপর দায়িত্ব দেওয়া হয় স্থানীয় কোচ বায়েজিদ জোবায়ের আলম নিপুকে। তার অধীনে দল নতুন করে সংগঠিত হয় এবং শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে এগিয়ে যায়।
দলের অধিনায়ক তপু বর্মণ বলেন, এবারের শিরোপার মূল্য অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি। তার ভাষায়, নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও স্থানীয় ফুটবলাররা ঐক্যবদ্ধ ছিলেন বলেই দলটি শীর্ষস্থান ধরে রাখতে পেরেছে।
এখন বসুন্ধরা কিংসের সামনে রয়েছে আরও বড় অর্জনের সুযোগ। আগামী ১৯ মে ফেডারেশন কাপের ফাইনালে মোহামেডানের মুখোমুখি হবে দলটি। সেই ম্যাচে জয় পেলে দ্বিতীয়বারের মতো ট্রেবল জয়ের ইতিহাস গড়বে কিংস।
সব বাধা অতিক্রম করে এই শিরোপা জয়ে বসুন্ধরা কিংস দেখিয়ে দিল, সংকট যত বড়ই হোক—দলগত ঐক্য থাকলে সাফল্য ধরা দেয়।

আপনার মতামত লিখুন