প্রশ্নপত্র ফাঁস ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগের পর ভারতের মেডিকেল কলেজে ভর্তির প্রবেশিকা পরীক্ষা নিট-ইউজি ২০২৬ বাতিল করেছে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার। মঙ্গলবার এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে ভারতের শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়। একই সঙ্গে ঘটনার তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে দেওয়া হয়েছে।
ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (এনটিএ) এক বিবৃতিতে জানায়, পরীক্ষার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং পরীক্ষার্থীদের আস্থা ফিরিয়ে আনতেই এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, শিগগিরই নতুন পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হবে এবং পুনরায় অ্যাডমিট কার্ড ইস্যুর সময়সূচি প্রকাশ করা হবে।
গত ৩ মে ভারতের ৫৫১টি শহর ও বিদেশের ১৪টি শহরের মোট ৫ হাজার ৪৩২টি কেন্দ্রে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রায় ২২ লাখ ৭৯ হাজার পরীক্ষার্থী অংশ নেয়, যা এটিকে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ভর্তি পরীক্ষায় পরিণত করে।
পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরপরই প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ওঠে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। ২০২৪ সালেও একই ধরনের অভিযোগ উঠেছিল এবং তখন কিছু কেন্দ্রে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়া হয়েছিল।
চলতি বছরের ঘটনার পর দ্বিতীয়বারের মতো বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগে পরীক্ষাটি বাতিল হওয়ায় লাখো শিক্ষার্থী ও অভিভাবক অনিশ্চয়তায় পড়েছেন। পরীক্ষার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে দেশজুড়ে সমালোচনা আরও তীব্র হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
প্রশ্নপত্র ফাঁস ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগের পর ভারতের মেডিকেল কলেজে ভর্তির প্রবেশিকা পরীক্ষা নিট-ইউজি ২০২৬ বাতিল করেছে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার। মঙ্গলবার এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে ভারতের শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়। একই সঙ্গে ঘটনার তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে দেওয়া হয়েছে।
ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (এনটিএ) এক বিবৃতিতে জানায়, পরীক্ষার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং পরীক্ষার্থীদের আস্থা ফিরিয়ে আনতেই এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, শিগগিরই নতুন পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হবে এবং পুনরায় অ্যাডমিট কার্ড ইস্যুর সময়সূচি প্রকাশ করা হবে।
গত ৩ মে ভারতের ৫৫১টি শহর ও বিদেশের ১৪টি শহরের মোট ৫ হাজার ৪৩২টি কেন্দ্রে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রায় ২২ লাখ ৭৯ হাজার পরীক্ষার্থী অংশ নেয়, যা এটিকে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ভর্তি পরীক্ষায় পরিণত করে।
পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরপরই প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ওঠে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। ২০২৪ সালেও একই ধরনের অভিযোগ উঠেছিল এবং তখন কিছু কেন্দ্রে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়া হয়েছিল।
চলতি বছরের ঘটনার পর দ্বিতীয়বারের মতো বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগে পরীক্ষাটি বাতিল হওয়ায় লাখো শিক্ষার্থী ও অভিভাবক অনিশ্চয়তায় পড়েছেন। পরীক্ষার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে দেশজুড়ে সমালোচনা আরও তীব্র হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন