বান্দরবানের রোয়াংছড়িতে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিশেষ গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
‘কমিউনিটি ভিত্তিক জলবায়ু সহনশীলতা ও নারীর ক্ষমতায়ন’ (সিআরইএ-ক্রিয়া) প্রকল্পের আওতায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
মঙ্গলবার (১২ মে ২০২৬) বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে রোয়াংছড়ি উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
সুইডেন সরকারের অর্থায়নে এবং মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন (এমজেএফ)-এর সহযোগিতায় স্থানীয় উন্নয়ন সংস্থা গ্রাউস (গ্রাম উন্নয়ন সংগঠন) প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।
গণশুনানিতে বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে পাহাড়ি অঞ্চলে কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে এবং জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়ছে। পাশাপাশি প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও পরিবেশগত প্রতিকূলতার কারণে নারীদের জীবন ও জীবিকায় বাড়তি ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।
বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, পাহাড়ি এলাকায় নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সহিংসতা প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় পর্যায়ে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল উদ্যোগ গ্রহণ এখন সময়ের দাবি।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিআরইএ (ক্রিয়া) প্রকল্পের সমন্বয়কারী অম্লান চাকমা। সঞ্চালনায় ছিলেন প্রজেক্ট অফিসার অংচউ মারমা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তাজমিন আলম তুলি। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন রোয়াংছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ মো. হুমায়ুন কবীর, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মেহেদী জামান, উপজেলা কৃষি উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা অংসাজাই মারমা এবং রোয়াংছড়ি প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাথোয়াইঅং মারমা।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রকল্পের মাঠ সহায়ক সুমনা তঞ্চঙ্গ্যা, মংশৈপ্রু খিয়ানসহ আলেক্ষ্যং ও নোয়াপতং ইউনিয়নের শতাধিক নারী ও পুরুষ সদস্য।
সমাপনী বক্তব্যে বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নারী-পুরুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণের পাশাপাশি সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের গণশুনানির মাধ্যমে স্থানীয় জনগণ সরাসরি তাদের সমস্যা ও অভিজ্ঞতা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সামনে তুলে ধরতে পারছেন, যা ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬
বান্দরবানের রোয়াংছড়িতে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিশেষ গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
‘কমিউনিটি ভিত্তিক জলবায়ু সহনশীলতা ও নারীর ক্ষমতায়ন’ (সিআরইএ-ক্রিয়া) প্রকল্পের আওতায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
মঙ্গলবার (১২ মে ২০২৬) বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে রোয়াংছড়ি উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
সুইডেন সরকারের অর্থায়নে এবং মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন (এমজেএফ)-এর সহযোগিতায় স্থানীয় উন্নয়ন সংস্থা গ্রাউস (গ্রাম উন্নয়ন সংগঠন) প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।
গণশুনানিতে বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে পাহাড়ি অঞ্চলে কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে এবং জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়ছে। পাশাপাশি প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও পরিবেশগত প্রতিকূলতার কারণে নারীদের জীবন ও জীবিকায় বাড়তি ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।
বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, পাহাড়ি এলাকায় নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সহিংসতা প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় পর্যায়ে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল উদ্যোগ গ্রহণ এখন সময়ের দাবি।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিআরইএ (ক্রিয়া) প্রকল্পের সমন্বয়কারী অম্লান চাকমা। সঞ্চালনায় ছিলেন প্রজেক্ট অফিসার অংচউ মারমা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তাজমিন আলম তুলি। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন রোয়াংছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ মো. হুমায়ুন কবীর, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মেহেদী জামান, উপজেলা কৃষি উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা অংসাজাই মারমা এবং রোয়াংছড়ি প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাথোয়াইঅং মারমা।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রকল্পের মাঠ সহায়ক সুমনা তঞ্চঙ্গ্যা, মংশৈপ্রু খিয়ানসহ আলেক্ষ্যং ও নোয়াপতং ইউনিয়নের শতাধিক নারী ও পুরুষ সদস্য।
সমাপনী বক্তব্যে বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নারী-পুরুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণের পাশাপাশি সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের গণশুনানির মাধ্যমে স্থানীয় জনগণ সরাসরি তাদের সমস্যা ও অভিজ্ঞতা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সামনে তুলে ধরতে পারছেন, যা ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন