ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলায় জমজ কন্যাসন্তানের জন্ম দেওয়াকে কেন্দ্র করে এক গৃহবধূকে তালাক দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামীর বিরুদ্ধে। একই সঙ্গে দেনমোহরের অর্থ পরিশোধ করতে নবজাতক সন্তানদের বিক্রি করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী নারী।
জানা গেছে, কয়েক বছর আগে পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ে হয়। সম্প্রতি ওই গৃহবধূ জমজ কন্যাসন্তানের জন্ম দেন। অভিযোগ রয়েছে, ছেলে সন্তান না হওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে স্বামী ও তার পরিবারের সদস্যরা ওই নারীর ওপর মানসিক চাপ সৃষ্টি করতে থাকেন। একপর্যায়ে তাকে তালাক দেওয়া হয়।
ভুক্তভোগী নারীর দাবি, তালাকের পর দেনমোহরের টাকা পরিশোধের প্রসঙ্গ উঠলে স্বামী সন্তানদের বিক্রি করে সেই অর্থ পরিশোধ করার হুমকি দেন। এমন বক্তব্যে তিনি ও তার পরিবার আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।
ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা এ ধরনের আচরণকে অমানবিক ও নিন্দনীয় বলে মন্তব্য করেছেন। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে, ভুক্তভোগী নারী সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তিনি বলেন, কন্যাসন্তানের জন্ম কোনো অপরাধ নয়। সন্তানদের নিরাপত্তা এবং নিজের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে তিনি প্রশাসনের সহযোগিতা চান।
ঘটনার বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে।

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুন ২০২৬
ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলায় জমজ কন্যাসন্তানের জন্ম দেওয়াকে কেন্দ্র করে এক গৃহবধূকে তালাক দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামীর বিরুদ্ধে। একই সঙ্গে দেনমোহরের অর্থ পরিশোধ করতে নবজাতক সন্তানদের বিক্রি করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী নারী।
জানা গেছে, কয়েক বছর আগে পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ে হয়। সম্প্রতি ওই গৃহবধূ জমজ কন্যাসন্তানের জন্ম দেন। অভিযোগ রয়েছে, ছেলে সন্তান না হওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে স্বামী ও তার পরিবারের সদস্যরা ওই নারীর ওপর মানসিক চাপ সৃষ্টি করতে থাকেন। একপর্যায়ে তাকে তালাক দেওয়া হয়।
ভুক্তভোগী নারীর দাবি, তালাকের পর দেনমোহরের টাকা পরিশোধের প্রসঙ্গ উঠলে স্বামী সন্তানদের বিক্রি করে সেই অর্থ পরিশোধ করার হুমকি দেন। এমন বক্তব্যে তিনি ও তার পরিবার আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।
ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা এ ধরনের আচরণকে অমানবিক ও নিন্দনীয় বলে মন্তব্য করেছেন। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে, ভুক্তভোগী নারী সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তিনি বলেন, কন্যাসন্তানের জন্ম কোনো অপরাধ নয়। সন্তানদের নিরাপত্তা এবং নিজের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে তিনি প্রশাসনের সহযোগিতা চান।
ঘটনার বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন