মরক্কোতে সামরিক প্রশিক্ষণ মহড়ার সময় নিখোঁজ হওয়া দুই মার্কিন সেনার একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সেনাবাহিনী।
নিহত সেনা ফার্স্ট লেফটেন্যান্ট কেনড্রিক ল্যামন্ট কি জুনিয়র। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ার রিচমন্ড এলাকার বাসিন্দা এবং সেনাবাহিনীতে প্লাটুন লিডার ও এয়ার ডিফেন্স আর্টিলারি কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন।
মরক্কোর একটি সামরিক অনুসন্ধান দল খাড়া পাথুরে উপকূল থেকে প্রায় এক মাইল দূরে তার মরদেহ উদ্ধার করে। গত ২ মে ওই এলাকায় দুই সেনা নিখোঁজ হন।
অন্য নিখোঁজ সেনার সন্ধানে যুক্তরাষ্ট্র ও মরক্কোর যৌথ বাহিনী স্থল, আকাশ ও সমুদ্রপথে অভিযান অব্যাহত রেখেছে।
দুই সেনাই ‘আফ্রিকান লায়ন ২০২৬’ নামের বার্ষিক যৌথ সামরিক মহড়ায় অংশ নিয়েছিলেন। এই মহড়ার মাধ্যমে মার্কিন বাহিনী, ন্যাটো মিত্র এবং আফ্রিকার দেশগুলোর মধ্যে সামরিক সমন্বয় ও সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হয়।
‘আফ্রিকান লায়ন’ আফ্রিকা মহাদেশের সবচেয়ে বড় বার্ষিক যৌথ সামরিক মহড়া, যা মরক্কোসহ ঘানা, সেনেগাল ও তিউনিসিয়ায় অনুষ্ঠিত হয়।
প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী, সূর্যাস্ত দেখার সময় একটি দল পাহাড়ি উপকূল এলাকায় গেলে একজন সেনা সমুদ্রে পড়ে যান। তাকে উদ্ধারের জন্য সহকর্মীরা মানবশৃঙ্খল তৈরি করেন। কিন্তু ব্যর্থ হলে আরেক সেনা তাকে বাঁচাতে পানিতে ঝাঁপ দেন।
ধারণা করা হচ্ছে, দ্বিতীয় সেনা সাঁতার না জানার কারণে স্রোতে ভেসে যান। এরপর আরেক সহকর্মী তাদের উদ্ধারের চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হন। পরে তিনি ক্যাম্পে ফিরে আসেন।
অন্য নিখোঁজ সেনাকে উদ্ধারে অভিযান এখনো চলছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬
মরক্কোতে সামরিক প্রশিক্ষণ মহড়ার সময় নিখোঁজ হওয়া দুই মার্কিন সেনার একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সেনাবাহিনী।
নিহত সেনা ফার্স্ট লেফটেন্যান্ট কেনড্রিক ল্যামন্ট কি জুনিয়র। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ার রিচমন্ড এলাকার বাসিন্দা এবং সেনাবাহিনীতে প্লাটুন লিডার ও এয়ার ডিফেন্স আর্টিলারি কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন।
মরক্কোর একটি সামরিক অনুসন্ধান দল খাড়া পাথুরে উপকূল থেকে প্রায় এক মাইল দূরে তার মরদেহ উদ্ধার করে। গত ২ মে ওই এলাকায় দুই সেনা নিখোঁজ হন।
অন্য নিখোঁজ সেনার সন্ধানে যুক্তরাষ্ট্র ও মরক্কোর যৌথ বাহিনী স্থল, আকাশ ও সমুদ্রপথে অভিযান অব্যাহত রেখেছে।
দুই সেনাই ‘আফ্রিকান লায়ন ২০২৬’ নামের বার্ষিক যৌথ সামরিক মহড়ায় অংশ নিয়েছিলেন। এই মহড়ার মাধ্যমে মার্কিন বাহিনী, ন্যাটো মিত্র এবং আফ্রিকার দেশগুলোর মধ্যে সামরিক সমন্বয় ও সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হয়।
‘আফ্রিকান লায়ন’ আফ্রিকা মহাদেশের সবচেয়ে বড় বার্ষিক যৌথ সামরিক মহড়া, যা মরক্কোসহ ঘানা, সেনেগাল ও তিউনিসিয়ায় অনুষ্ঠিত হয়।
প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী, সূর্যাস্ত দেখার সময় একটি দল পাহাড়ি উপকূল এলাকায় গেলে একজন সেনা সমুদ্রে পড়ে যান। তাকে উদ্ধারের জন্য সহকর্মীরা মানবশৃঙ্খল তৈরি করেন। কিন্তু ব্যর্থ হলে আরেক সেনা তাকে বাঁচাতে পানিতে ঝাঁপ দেন।
ধারণা করা হচ্ছে, দ্বিতীয় সেনা সাঁতার না জানার কারণে স্রোতে ভেসে যান। এরপর আরেক সহকর্মী তাদের উদ্ধারের চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হন। পরে তিনি ক্যাম্পে ফিরে আসেন।
অন্য নিখোঁজ সেনাকে উদ্ধারে অভিযান এখনো চলছে।

আপনার মতামত লিখুন