তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর প্রথম ভাষণেই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দিয়েছেন অভিনেতা-রাজনীতিক থালাপতি বিজয়।
রোববার (১০ মে) শপথ গ্রহণের পর আবেগঘন বক্তব্যে তিনি জনগণকে বিনামূল্যে বিদ্যুৎ, মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান এবং নারীদের নিরাপত্তায় বিশেষ বাহিনী গঠনের ঘোষণা দেন।
বিজয় জানান, রাজ্যের জনগণকে ২০০ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিনামূল্যে দেওয়া হবে। পাশাপাশি মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদারে একটি বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করা হবে। নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আলাদা নিরাপত্তা বাহিনী এবং জরুরি সহায়তা ফোনসেবা চালুর কথাও বলেন তিনি।
নিজের বক্তব্যে বিজয় ব্যক্তিগত জীবনের সংগ্রামের কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, তিনি কোনো রাজনৈতিক বা ধনী পরিবার থেকে আসেননি এবং জীবনে বহু কষ্ট ও অপমান সহ্য করেছেন। জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থনেই তিনি আজ এই অবস্থানে পৌঁছেছেন বলে উল্লেখ করেন।
তিনি শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পানিসহ মৌলিক সেবাকে সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে ঘোষণা করেন। কৃষক ও জেলেদের কল্যাণে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানান তিনি।
অর্থনৈতিক অবস্থার প্রসঙ্গে বিজয় বলেন, রাজ্য বিপুল ঋণের বোঝা নিয়ে দায়িত্ব নিয়েছে, তবে জনগণের অর্থের অপব্যবহার বন্ধ করা হবে এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে।
রাজনৈতিক বক্তব্যে তিনি ধর্মনিরপেক্ষতা, সামাজিক ন্যায়বিচার ও উন্নয়নের নতুন যুগের প্রতিশ্রুতি দেন এবং কেন্দ্রীয় রাজনৈতিক নেতৃত্বসহ জোটসঙ্গীদের ধন্যবাদ জানান।
নির্বাচনের পর দীর্ঘ রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও জোট আলোচনার পর অবশেষে সরকার গঠন সম্ভব হয়। বিভিন্ন দলীয় সমর্থনের ভিত্তিতে নতুন সরকার কার্যকর সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে তামিলনাড়ুতে নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা করে।
বিজয়ের এই প্রথম ভাষণকে তার সরকারের নীতিগত দিকনির্দেশনার সূচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে, যেখানে সামাজিক কল্যাণ ও জনসেবাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বার্তা স্পষ্ট।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর প্রথম ভাষণেই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দিয়েছেন অভিনেতা-রাজনীতিক থালাপতি বিজয়।
রোববার (১০ মে) শপথ গ্রহণের পর আবেগঘন বক্তব্যে তিনি জনগণকে বিনামূল্যে বিদ্যুৎ, মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান এবং নারীদের নিরাপত্তায় বিশেষ বাহিনী গঠনের ঘোষণা দেন।
বিজয় জানান, রাজ্যের জনগণকে ২০০ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিনামূল্যে দেওয়া হবে। পাশাপাশি মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদারে একটি বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করা হবে। নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আলাদা নিরাপত্তা বাহিনী এবং জরুরি সহায়তা ফোনসেবা চালুর কথাও বলেন তিনি।
নিজের বক্তব্যে বিজয় ব্যক্তিগত জীবনের সংগ্রামের কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, তিনি কোনো রাজনৈতিক বা ধনী পরিবার থেকে আসেননি এবং জীবনে বহু কষ্ট ও অপমান সহ্য করেছেন। জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থনেই তিনি আজ এই অবস্থানে পৌঁছেছেন বলে উল্লেখ করেন।
তিনি শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পানিসহ মৌলিক সেবাকে সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে ঘোষণা করেন। কৃষক ও জেলেদের কল্যাণে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানান তিনি।
অর্থনৈতিক অবস্থার প্রসঙ্গে বিজয় বলেন, রাজ্য বিপুল ঋণের বোঝা নিয়ে দায়িত্ব নিয়েছে, তবে জনগণের অর্থের অপব্যবহার বন্ধ করা হবে এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে।
রাজনৈতিক বক্তব্যে তিনি ধর্মনিরপেক্ষতা, সামাজিক ন্যায়বিচার ও উন্নয়নের নতুন যুগের প্রতিশ্রুতি দেন এবং কেন্দ্রীয় রাজনৈতিক নেতৃত্বসহ জোটসঙ্গীদের ধন্যবাদ জানান।
নির্বাচনের পর দীর্ঘ রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও জোট আলোচনার পর অবশেষে সরকার গঠন সম্ভব হয়। বিভিন্ন দলীয় সমর্থনের ভিত্তিতে নতুন সরকার কার্যকর সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে তামিলনাড়ুতে নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা করে।
বিজয়ের এই প্রথম ভাষণকে তার সরকারের নীতিগত দিকনির্দেশনার সূচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে, যেখানে সামাজিক কল্যাণ ও জনসেবাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বার্তা স্পষ্ট।

আপনার মতামত লিখুন