কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে কঠোর অবস্থান নিয়েছে ইরান। দেশটি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে অংশ নেওয়া যেকোনো দেশকে এই সমুদ্রপথ অতিক্রম করতে হলে সমস্যার মুখে পড়তে হবে। ইরানের সামরিক বাহিনীর এক মুখপাত্র আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে বলেন, তেহরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা কার্যকরে সহায়তাকারী দেশগুলোর জন্য হরমুজ প্রণালি নিরাপদ থাকবে না। আল জাজিরা ও তাসনিম নিউজের বরাতে এ তথ্য জানা গেছে। তিনি দাবি করেন, সাম্প্রতিক সংঘাতে ইরানের বিরুদ্ধে কোনো পক্ষই লক্ষ্য অর্জন করতে পারেনি। বরং দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক কাঠামো ও জনসমর্থন আরও সুসংহত হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। আরেক সামরিক কর্মকর্তা জানান, শত্রুপক্ষকে প্রতিরোধে ইরানের অভ্যন্তরীণ ঐক্য আরও শক্তিশালী হয়েছে এবং যুদ্ধবিরতির মধ্যেও সামরিক সক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে। সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হালনাগাদ করা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) জানিয়েছে, পারস্য উপসাগরে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিদেশি শক্তির যেকোনো সামরিক তৎপরতা কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে। গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তাদের বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। আইআরজিসির এক শীর্ষ কমান্ডার বলেন, উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন উপস্থিতি ও সম্ভাব্য উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন বাহিনী প্রস্তুত রাখা হয়েছে। যেকোনো নির্দেশে প্রতিরক্ষামূলক ও পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার সক্ষমতা রয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন। হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে এই উত্তেজনার ফলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি নিরাপত্তা ও বৈশ্বিক বাণিজ্য রুট নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে কঠোর অবস্থান নিয়েছে ইরান। দেশটি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে অংশ নেওয়া যেকোনো দেশকে এই সমুদ্রপথ অতিক্রম করতে হলে সমস্যার মুখে পড়তে হবে। ইরানের সামরিক বাহিনীর এক মুখপাত্র আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে বলেন, তেহরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা কার্যকরে সহায়তাকারী দেশগুলোর জন্য হরমুজ প্রণালি নিরাপদ থাকবে না। আল জাজিরা ও তাসনিম নিউজের বরাতে এ তথ্য জানা গেছে। তিনি দাবি করেন, সাম্প্রতিক সংঘাতে ইরানের বিরুদ্ধে কোনো পক্ষই লক্ষ্য অর্জন করতে পারেনি। বরং দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক কাঠামো ও জনসমর্থন আরও সুসংহত হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। আরেক সামরিক কর্মকর্তা জানান, শত্রুপক্ষকে প্রতিরোধে ইরানের অভ্যন্তরীণ ঐক্য আরও শক্তিশালী হয়েছে এবং যুদ্ধবিরতির মধ্যেও সামরিক সক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে। সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হালনাগাদ করা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) জানিয়েছে, পারস্য উপসাগরে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিদেশি শক্তির যেকোনো সামরিক তৎপরতা কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে। গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তাদের বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। আইআরজিসির এক শীর্ষ কমান্ডার বলেন, উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন উপস্থিতি ও সম্ভাব্য উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন বাহিনী প্রস্তুত রাখা হয়েছে। যেকোনো নির্দেশে প্রতিরক্ষামূলক ও পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার সক্ষমতা রয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন। হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে এই উত্তেজনার ফলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি নিরাপত্তা ও বৈশ্বিক বাণিজ্য রুট নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন