নানা রাজনৈতিক নাটকীয়তার পর তামিলাগা ভেত্রি কাজাগামের (টিভিকে) সভাপতি থালাপতি বিজয় তামিলনাড়ুর নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। রোববার সকালে চেন্নাইয়ের জওহরলাল নেহেরু ইনডোর স্টেডিয়ামে তাকে শপথবাক্য পাঠ করান রাজ্যপাল রাজেন্দ্র বিশ্বনাথ আরলেকার। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী।
২৩৪ সদস্যের তামিলনাড়ু বিধানসভায় সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ছিল ১১৮ আসন। নির্বাচনে বিজয়ের দল ১০৮টি আসনে জয় পায়। সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করতে পরবর্তী পাঁচ দিনে তিনি গভর্নরের সঙ্গে চার দফা বৈঠক করেন এবং সম্ভাব্য মিত্রদের সঙ্গে আলোচনা চালান।
শেষ পর্যন্ত কংগ্রেসের পাঁচ বিধায়ক, বিদুথালাই চিরুথাইগাল কাছির দুই সদস্য এবং ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি, সিপিএম ও ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লীগের দুইজন করে সদস্যের সমর্থন পান তিনি। এর মাধ্যমে জোটের আসন সংখ্যা ১২০-এ পৌঁছায়। তবে দুই আসনে বিজয়ী হওয়ায় বিজয়কে একটি আসন ছাড়তে হবে।
প্রায় ছয় দশকের মধ্যে এই প্রথম তামিলনাড়ুতে ডিএমকে বা এআইএডিএমকের বাইরে কোনো দল সরকার গঠন করল।
শপথ অনুষ্ঠানে রাহুল গান্ধীর উপস্থিতি নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনা তৈরি করেছে। জানা গেছে, ২০০৯ সালে বিজয় কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। পরে সেই কংগ্রেসই তার নেতৃত্বাধীন জোট সরকারের অংশীদার হয়।
অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা, চলচ্চিত্র অঙ্গনের ব্যক্তিত্ব, শিল্পপতি ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। সামনের সারিতে বিজয়ের বাবা-মা এস এ চন্দ্রশেখর ও শোভা চন্দ্রশেখরের জন্য আসন রাখা হয়। অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণানও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
নানা রাজনৈতিক নাটকীয়তার পর তামিলাগা ভেত্রি কাজাগামের (টিভিকে) সভাপতি থালাপতি বিজয় তামিলনাড়ুর নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। রোববার সকালে চেন্নাইয়ের জওহরলাল নেহেরু ইনডোর স্টেডিয়ামে তাকে শপথবাক্য পাঠ করান রাজ্যপাল রাজেন্দ্র বিশ্বনাথ আরলেকার। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী।
২৩৪ সদস্যের তামিলনাড়ু বিধানসভায় সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ছিল ১১৮ আসন। নির্বাচনে বিজয়ের দল ১০৮টি আসনে জয় পায়। সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করতে পরবর্তী পাঁচ দিনে তিনি গভর্নরের সঙ্গে চার দফা বৈঠক করেন এবং সম্ভাব্য মিত্রদের সঙ্গে আলোচনা চালান।
শেষ পর্যন্ত কংগ্রেসের পাঁচ বিধায়ক, বিদুথালাই চিরুথাইগাল কাছির দুই সদস্য এবং ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি, সিপিএম ও ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লীগের দুইজন করে সদস্যের সমর্থন পান তিনি। এর মাধ্যমে জোটের আসন সংখ্যা ১২০-এ পৌঁছায়। তবে দুই আসনে বিজয়ী হওয়ায় বিজয়কে একটি আসন ছাড়তে হবে।
প্রায় ছয় দশকের মধ্যে এই প্রথম তামিলনাড়ুতে ডিএমকে বা এআইএডিএমকের বাইরে কোনো দল সরকার গঠন করল।
শপথ অনুষ্ঠানে রাহুল গান্ধীর উপস্থিতি নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনা তৈরি করেছে। জানা গেছে, ২০০৯ সালে বিজয় কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। পরে সেই কংগ্রেসই তার নেতৃত্বাধীন জোট সরকারের অংশীদার হয়।
অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা, চলচ্চিত্র অঙ্গনের ব্যক্তিত্ব, শিল্পপতি ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। সামনের সারিতে বিজয়ের বাবা-মা এস এ চন্দ্রশেখর ও শোভা চন্দ্রশেখরের জন্য আসন রাখা হয়। অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণানও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন