কক্সবাজার জেলার টেকনাফে সংরক্ষিত বনাঞ্চলের ভেতরে বড় আকারের বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণকে ঘিরে তীব্র উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পরিবেশ কর্মী ও বনভূমি বিশেষজ্ঞদের মতে, এই স্থাপনা বন্যপ্রাণীর স্বাভাবিক চলাচলে বাধা সৃষ্টি করছে এবং পুরো এলাকার পরিবেশগত ভারসাম্যকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, বনাঞ্চলের ভেতর দিয়ে দীর্ঘ অংশজুড়ে নির্মিত এই দেয়াল বন্যপ্রাণীর করিডর বা চলাচলের পথ কার্যত বন্ধ করে দিচ্ছে। ফলে হাতি, হরিণসহ বিভিন্ন বন্যপ্রাণী খাদ্য ও পানির খোঁজে স্বাভাবিকভাবে যাতায়াত করতে পারছে না। এতে প্রাণী–মানুষ সংঘাত বাড়ার আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে। পরিবেশবিদরা বলছেন, সংরক্ষিত বন শুধু গাছপালার জন্য নয়। এটি একটি সম্পূর্ণ বাস্তুতন্ত্র। দেয়াল নির্মাণের ফলে বনভূমি খণ্ডিত হচ্ছে, প্রাকৃতিক জলপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং জীববৈচিত্র্যের ওপর দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। তারা মনে করছেন, পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়ন ছাড়া এ ধরনের স্থাপনা নির্মাণ হলে তা আইন ও নীতিমালার সঙ্গেও সাংঘর্ষিক। এদিকে স্থানীয় পরিবেশ সংগঠনগুলো দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের চিহ্নিত করার দাবি জানিয়েছে। তাদের মতে, সংরক্ষিত বনাঞ্চলে যেকোনো উন্নয়ন বা স্থাপনা নির্মাণের আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ও পরিবেশগত সমীক্ষা বাধ্যতামূলক হওয়া উচিত। বন বিভাগ বলছে, বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে এবং প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। নিয়ম লঙ্ঘনের প্রমাণ মিললে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। টেকনাফের সংরক্ষিত বনাঞ্চল দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জীববৈচিত্র্যপূর্ণ এলাকা। এই বন রক্ষা না করা গেলে শুধু বন্যপ্রাণী নয়, স্থানীয় মানুষের জীবন ও জীবিকাও বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬
কক্সবাজার জেলার টেকনাফে সংরক্ষিত বনাঞ্চলের ভেতরে বড় আকারের বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণকে ঘিরে তীব্র উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পরিবেশ কর্মী ও বনভূমি বিশেষজ্ঞদের মতে, এই স্থাপনা বন্যপ্রাণীর স্বাভাবিক চলাচলে বাধা সৃষ্টি করছে এবং পুরো এলাকার পরিবেশগত ভারসাম্যকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, বনাঞ্চলের ভেতর দিয়ে দীর্ঘ অংশজুড়ে নির্মিত এই দেয়াল বন্যপ্রাণীর করিডর বা চলাচলের পথ কার্যত বন্ধ করে দিচ্ছে। ফলে হাতি, হরিণসহ বিভিন্ন বন্যপ্রাণী খাদ্য ও পানির খোঁজে স্বাভাবিকভাবে যাতায়াত করতে পারছে না। এতে প্রাণী–মানুষ সংঘাত বাড়ার আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে। পরিবেশবিদরা বলছেন, সংরক্ষিত বন শুধু গাছপালার জন্য নয়। এটি একটি সম্পূর্ণ বাস্তুতন্ত্র। দেয়াল নির্মাণের ফলে বনভূমি খণ্ডিত হচ্ছে, প্রাকৃতিক জলপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং জীববৈচিত্র্যের ওপর দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। তারা মনে করছেন, পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়ন ছাড়া এ ধরনের স্থাপনা নির্মাণ হলে তা আইন ও নীতিমালার সঙ্গেও সাংঘর্ষিক। এদিকে স্থানীয় পরিবেশ সংগঠনগুলো দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের চিহ্নিত করার দাবি জানিয়েছে। তাদের মতে, সংরক্ষিত বনাঞ্চলে যেকোনো উন্নয়ন বা স্থাপনা নির্মাণের আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ও পরিবেশগত সমীক্ষা বাধ্যতামূলক হওয়া উচিত। বন বিভাগ বলছে, বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে এবং প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। নিয়ম লঙ্ঘনের প্রমাণ মিললে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। টেকনাফের সংরক্ষিত বনাঞ্চল দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জীববৈচিত্র্যপূর্ণ এলাকা। এই বন রক্ষা না করা গেলে শুধু বন্যপ্রাণী নয়, স্থানীয় মানুষের জীবন ও জীবিকাও বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

আপনার মতামত লিখুন