ঢাকা    শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

পাহাড়ি জনপদে বিরল অতিথি: রাঙামাটির লোকালয়ে দেখা মিলল লজ্জাবতী বানরের


নিজস্ব প্রতিনিধি
নিজস্ব প্রতিনিধি
প্রকাশ : ০৭ মে ২০২৬

পাহাড়ি জনপদে বিরল অতিথি: রাঙামাটির লোকালয়ে দেখা মিলল লজ্জাবতী বানরের
ছবি : সংগৃহীত

  রাঙামাটির একটি লোকালয়ে বিরল প্রজাতির লজ্জাবতী বানরের দেখা মিলেছে। গভীর রাতের এই নিশাচর প্রাণীটি হঠাৎ বসতঘরের পাশের গাছে দেখা দেওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি হয়। পরে বন বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাণীটিকে নিরাপদ পরিবেশে ফিরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, কয়েকজন বাসিন্দা রাতে গাছের ডালে অস্বাভাবিক নড়াচড়া দেখতে পেয়ে কাছে গেলে ছোট আকৃতির একটি লজ্জাবতী বানর দেখতে পান। প্রাণীটি ভীত অবস্থায় গাছের ডালে বসে ছিল। পরে খবর পেয়ে বন বিভাগের কর্মীরা সেখানে পৌঁছান।

বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, লজ্জাবতী বানর বাংলাদেশের অত্যন্ত বিরল ও সংরক্ষিত বন্যপ্রাণী। বন উজাড়, পাহাড় কাটাসহ বিভিন্ন কারণে এদের আবাসস্থল কমে যাওয়ায় লোকালয়ে চলে আসার ঘটনা বাড়ছে। প্রাণীটি যাতে কোনো ক্ষতির শিকার না হয়, সে জন্য স্থানীয়দের সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, লজ্জাবতী বানর সাধারণত রাতে চলাফেরা করে এবং মানুষের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলে। এদের বড় বড় চোখ ও ধীর গতির চলাফেরা সহজেই আলাদা করে চেনা যায়। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এ ধরনের বন্যপ্রাণী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে বলেও জানান তারা।

এদিকে বিরল এই প্রাণীটিকে এক নজর দেখতে স্থানীয়দের ভিড় জমে যায়। অনেকেই মোবাইলে ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন। তবে বন বিভাগ প্রাণীটিকে বিরক্ত না করার জন্য সবাইকে অনুরোধ জানিয়েছে।

পরিবেশবাদীরা বলছেন, পাহাড়ি বনাঞ্চল রক্ষা এবং বন্যপ্রাণীর নিরাপদ আবাস নিশ্চিত করা না গেলে ভবিষ্যতে আরও বেশি বন্যপ্রাণী লোকালয়ে চলে আসতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬


পাহাড়ি জনপদে বিরল অতিথি: রাঙামাটির লোকালয়ে দেখা মিলল লজ্জাবতী বানরের

প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬

featured Image

  রাঙামাটির একটি লোকালয়ে বিরল প্রজাতির লজ্জাবতী বানরের দেখা মিলেছে। গভীর রাতের এই নিশাচর প্রাণীটি হঠাৎ বসতঘরের পাশের গাছে দেখা দেওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি হয়। পরে বন বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাণীটিকে নিরাপদ পরিবেশে ফিরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, কয়েকজন বাসিন্দা রাতে গাছের ডালে অস্বাভাবিক নড়াচড়া দেখতে পেয়ে কাছে গেলে ছোট আকৃতির একটি লজ্জাবতী বানর দেখতে পান। প্রাণীটি ভীত অবস্থায় গাছের ডালে বসে ছিল। পরে খবর পেয়ে বন বিভাগের কর্মীরা সেখানে পৌঁছান।

বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, লজ্জাবতী বানর বাংলাদেশের অত্যন্ত বিরল ও সংরক্ষিত বন্যপ্রাণী। বন উজাড়, পাহাড় কাটাসহ বিভিন্ন কারণে এদের আবাসস্থল কমে যাওয়ায় লোকালয়ে চলে আসার ঘটনা বাড়ছে। প্রাণীটি যাতে কোনো ক্ষতির শিকার না হয়, সে জন্য স্থানীয়দের সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, লজ্জাবতী বানর সাধারণত রাতে চলাফেরা করে এবং মানুষের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলে। এদের বড় বড় চোখ ও ধীর গতির চলাফেরা সহজেই আলাদা করে চেনা যায়। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এ ধরনের বন্যপ্রাণী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে বলেও জানান তারা।

এদিকে বিরল এই প্রাণীটিকে এক নজর দেখতে স্থানীয়দের ভিড় জমে যায়। অনেকেই মোবাইলে ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন। তবে বন বিভাগ প্রাণীটিকে বিরক্ত না করার জন্য সবাইকে অনুরোধ জানিয়েছে।

পরিবেশবাদীরা বলছেন, পাহাড়ি বনাঞ্চল রক্ষা এবং বন্যপ্রাণীর নিরাপদ আবাস নিশ্চিত করা না গেলে ভবিষ্যতে আরও বেশি বন্যপ্রাণী লোকালয়ে চলে আসতে পারে।



দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ