ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর রাজ্যজুড়ে ব্যাপক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে। বিজেপির জয়ের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই একাধিক এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা, হামলা ও ভাঙচুর শুরু হয়।
বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়, তৃণমূল কংগ্রেসের এক কর্মী আবির শেখকে নানুর এলাকায় একা পেয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তার পরিবারের অভিযোগ, বিজেপি কর্মীরাই এই হামলার সঙ্গে জড়িত। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।
এদিকে রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় কার্যালয় ও অফিসে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে। বারুইপুর পূর্ব, শিলিগুড়ি, কৃষ্ণনগরসহ একাধিক এলাকায় দলীয় কার্যালয় দখল, ভাঙচুর এবং আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে। কোথাও কোথাও বিজেপির পতাকা টাঙানোর অভিযোগও পাওয়া গেছে।
স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের দাবি, এসব হামলা পরিকল্পিতভাবে চালানো হয়েছে এবং পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তারা। কৃষ্ণনগরে একটি কার্যালয়ে হামলার সময় পুলিশ উপস্থিত থাকলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি বলেও অভিযোগ ওঠে।
বাঁকুড়া এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড় এলাকাতেও রাজনৈতিক সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। ভাঙড়ে রাতভর ভাঙচুর ও মারধরের ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়। তৃণমূলের দাবি, সেখানে বিজয়ী আইএসএফ সমর্থকরা তাণ্ডব চালিয়েছে।
সব মিলিয়ে নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর পশ্চিমবঙ্গজুড়ে রাজনৈতিক অস্থিরতা, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ এবং সহিংস পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যা পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর রাজ্যজুড়ে ব্যাপক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে। বিজেপির জয়ের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই একাধিক এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা, হামলা ও ভাঙচুর শুরু হয়।
বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়, তৃণমূল কংগ্রেসের এক কর্মী আবির শেখকে নানুর এলাকায় একা পেয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তার পরিবারের অভিযোগ, বিজেপি কর্মীরাই এই হামলার সঙ্গে জড়িত। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।
এদিকে রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় কার্যালয় ও অফিসে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে। বারুইপুর পূর্ব, শিলিগুড়ি, কৃষ্ণনগরসহ একাধিক এলাকায় দলীয় কার্যালয় দখল, ভাঙচুর এবং আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে। কোথাও কোথাও বিজেপির পতাকা টাঙানোর অভিযোগও পাওয়া গেছে।
স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের দাবি, এসব হামলা পরিকল্পিতভাবে চালানো হয়েছে এবং পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তারা। কৃষ্ণনগরে একটি কার্যালয়ে হামলার সময় পুলিশ উপস্থিত থাকলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি বলেও অভিযোগ ওঠে।
বাঁকুড়া এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড় এলাকাতেও রাজনৈতিক সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। ভাঙড়ে রাতভর ভাঙচুর ও মারধরের ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়। তৃণমূলের দাবি, সেখানে বিজয়ী আইএসএফ সমর্থকরা তাণ্ডব চালিয়েছে।
সব মিলিয়ে নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর পশ্চিমবঙ্গজুড়ে রাজনৈতিক অস্থিরতা, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ এবং সহিংস পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যা পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।

আপনার মতামত লিখুন