সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলা-এর বাদাঘাট এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৪২ পিস ইয়াবা, নগদ টাকা এবং একটি মোটরসাইকেলসহ একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
আটক ব্যক্তির নাম আল ফয়সাল (পিতা: মৃত সুজাত মিয়া)। তার বাড়ি উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের ননাই গ্রামে। স্থানীয় সূত্র ও পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, তিনি দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে সন্দেহ করা হচ্ছে এবং এর আগেও তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
গত ৩ মে রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাদাঘাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র-এর ইনচার্জ নাজমুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান চলাকালে কালীবাড়ি এলাকায় সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরার সময় একটি মোটরসাইকেলসহ আল ফয়সালকে আটক করা হয়।
পরে তল্লাশি চালিয়ে তার কাছ থেকে মোট ৪২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ইয়াবা বিক্রির নগদ ১৪,৮০০ টাকা এবং অন্যান্য নগদ অর্থসহ একটি ১৫০ সিসি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আল ফয়সাল দাবি করেন, উদ্ধারকৃত ইয়াবা তিনি ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য রেখেছিলেন। তবে পুলিশের ধারণা, তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার একটি সক্রিয় মাদক চক্রের সঙ্গে জড়িত এবং বিক্রির উদ্দেশ্যেই এসব মাদক বহন করছিলেন।
বাদাঘাট তদন্ত ক্যাম্পের ইনচার্জ নাজমুল ইসলাম বলেন, সরকার মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। সেই লক্ষ্যেই নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে এবং যেখানে মাদক থাকবে, সেখানেই অভিযান চলবে।
তিনি আরও জানান, তাহিরপুর উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার করা হবে এবং এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
পুলিশ জানিয়েছে, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পাশাপাশি মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে স্থানীয় জনগণকে আরও সচেতন ও সহযোগিতামূলক ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬
সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলা-এর বাদাঘাট এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৪২ পিস ইয়াবা, নগদ টাকা এবং একটি মোটরসাইকেলসহ একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
আটক ব্যক্তির নাম আল ফয়সাল (পিতা: মৃত সুজাত মিয়া)। তার বাড়ি উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের ননাই গ্রামে। স্থানীয় সূত্র ও পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, তিনি দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে সন্দেহ করা হচ্ছে এবং এর আগেও তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
গত ৩ মে রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাদাঘাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র-এর ইনচার্জ নাজমুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান চলাকালে কালীবাড়ি এলাকায় সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরার সময় একটি মোটরসাইকেলসহ আল ফয়সালকে আটক করা হয়।
পরে তল্লাশি চালিয়ে তার কাছ থেকে মোট ৪২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ইয়াবা বিক্রির নগদ ১৪,৮০০ টাকা এবং অন্যান্য নগদ অর্থসহ একটি ১৫০ সিসি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আল ফয়সাল দাবি করেন, উদ্ধারকৃত ইয়াবা তিনি ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য রেখেছিলেন। তবে পুলিশের ধারণা, তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার একটি সক্রিয় মাদক চক্রের সঙ্গে জড়িত এবং বিক্রির উদ্দেশ্যেই এসব মাদক বহন করছিলেন।
বাদাঘাট তদন্ত ক্যাম্পের ইনচার্জ নাজমুল ইসলাম বলেন, সরকার মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। সেই লক্ষ্যেই নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে এবং যেখানে মাদক থাকবে, সেখানেই অভিযান চলবে।
তিনি আরও জানান, তাহিরপুর উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার করা হবে এবং এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
পুলিশ জানিয়েছে, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পাশাপাশি মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে স্থানীয় জনগণকে আরও সচেতন ও সহযোগিতামূলক ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন