দেশব্যাপী নতুন রাজনৈতিক কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় ঐক্য জোট। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাজধানীর জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ১১ দলীয় লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠক শেষে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন জোটের নেতারা।
বৈঠক শেষে জোটের মুখপাত্র হামিদুর রহমান আযাদ জানান, আগামী ১৬ মে রাজশাহীতে বিভাগীয় সমাবেশের মধ্য দিয়ে এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা হবে। এরপর পর্যায়ক্রমে দেশের বিভিন্ন বিভাগে সমাবেশ ও রাজনৈতিক কর্মসূচি পরিচালনা করা হবে।
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ১৩ জুন চট্টগ্রাম বিভাগে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ২৭ জুন ময়মনসিংহ, ১১ জুলাই রংপুর, ১৮ জুলাই বরিশাল এবং সর্বশেষ ২৫ জুলাই সিলেট বিভাগে কর্মসূচি শেষ হবে। এই কর্মসূচি মোট ছয় দিনের ধারাবাহিক রাজনৈতিক কর্মসূচি হিসেবে পরিচালিত হবে।
জোটের নেতারা জানান, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং তাদের দাবির প্রেক্ষিতে এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। তাদের দাবি অনুযায়ী, গণভোটের রায়ের আলোকে জুলাই সনদের বাস্তবায়ন এবং সংবিধানের মৌলিক সংস্কার এখন সময়ের দাবি। এসব দাবিকে সামনে রেখে ধারাবাহিক আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার অংশ হিসেবেই নতুন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।
হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং রাষ্ট্রীয় কাঠামোর প্রয়োজনীয় সংস্কারের লক্ষ্যেই এই আন্দোলন পরিচালিত হচ্ছে। তিনি আরও জানান, বিভিন্ন বিভাগীয় শহরে সমাবেশের মাধ্যমে জনগণের মতামত ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হবে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এই কর্মসূচিতে ১১ দলীয় জোটভুক্ত সব রাজনৈতিক সংগঠন অংশ নেবে। বিভাগীয় সমাবেশগুলোতে স্থানীয় পর্যায়ের নেতাকর্মী ছাড়াও কেন্দ্রীয় নেতারাও উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে। এসব সমাবেশকে কেন্দ্র করে মাঠপর্যায়ে রাজনৈতিক তৎপরতা বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আসন্ন বিভাগীয় সমাবেশগুলো দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন গতিশীলতা তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে বিভিন্ন দলের সমন্বিত এই কর্মসূচি মাঠপর্যায়ের রাজনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে।
এদিকে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ইতোমধ্যে নানা ইস্যুতে উত্তপ্ত। এর মধ্যে নতুন করে ধারাবাহিক কর্মসূচি ঘোষণার ফলে রাজনৈতিক অঙ্গনে চাপ ও প্রতিযোগিতা আরও বাড়বে বলে পর্যবেক্ষকদের অভিমত।
জোটের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে পরিচালনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে এবং জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে রাজনৈতিক দাবি আদায়ের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
বিষয় : ১১ দলীয় ঐক্যজোট

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬
দেশব্যাপী নতুন রাজনৈতিক কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় ঐক্য জোট। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাজধানীর জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ১১ দলীয় লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠক শেষে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন জোটের নেতারা।
বৈঠক শেষে জোটের মুখপাত্র হামিদুর রহমান আযাদ জানান, আগামী ১৬ মে রাজশাহীতে বিভাগীয় সমাবেশের মধ্য দিয়ে এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা হবে। এরপর পর্যায়ক্রমে দেশের বিভিন্ন বিভাগে সমাবেশ ও রাজনৈতিক কর্মসূচি পরিচালনা করা হবে।
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ১৩ জুন চট্টগ্রাম বিভাগে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ২৭ জুন ময়মনসিংহ, ১১ জুলাই রংপুর, ১৮ জুলাই বরিশাল এবং সর্বশেষ ২৫ জুলাই সিলেট বিভাগে কর্মসূচি শেষ হবে। এই কর্মসূচি মোট ছয় দিনের ধারাবাহিক রাজনৈতিক কর্মসূচি হিসেবে পরিচালিত হবে।
জোটের নেতারা জানান, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং তাদের দাবির প্রেক্ষিতে এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। তাদের দাবি অনুযায়ী, গণভোটের রায়ের আলোকে জুলাই সনদের বাস্তবায়ন এবং সংবিধানের মৌলিক সংস্কার এখন সময়ের দাবি। এসব দাবিকে সামনে রেখে ধারাবাহিক আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার অংশ হিসেবেই নতুন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।
হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং রাষ্ট্রীয় কাঠামোর প্রয়োজনীয় সংস্কারের লক্ষ্যেই এই আন্দোলন পরিচালিত হচ্ছে। তিনি আরও জানান, বিভিন্ন বিভাগীয় শহরে সমাবেশের মাধ্যমে জনগণের মতামত ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হবে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এই কর্মসূচিতে ১১ দলীয় জোটভুক্ত সব রাজনৈতিক সংগঠন অংশ নেবে। বিভাগীয় সমাবেশগুলোতে স্থানীয় পর্যায়ের নেতাকর্মী ছাড়াও কেন্দ্রীয় নেতারাও উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে। এসব সমাবেশকে কেন্দ্র করে মাঠপর্যায়ে রাজনৈতিক তৎপরতা বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আসন্ন বিভাগীয় সমাবেশগুলো দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন গতিশীলতা তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে বিভিন্ন দলের সমন্বিত এই কর্মসূচি মাঠপর্যায়ের রাজনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে।
এদিকে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ইতোমধ্যে নানা ইস্যুতে উত্তপ্ত। এর মধ্যে নতুন করে ধারাবাহিক কর্মসূচি ঘোষণার ফলে রাজনৈতিক অঙ্গনে চাপ ও প্রতিযোগিতা আরও বাড়বে বলে পর্যবেক্ষকদের অভিমত।
জোটের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে পরিচালনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে এবং জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে রাজনৈতিক দাবি আদায়ের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন