সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলা এলাকায় অটোরিকশা চালক নাঈম হাসান (২৫) হত্যার ঘটনায় এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে নিহতের ছিনতাইকৃত অটোরিকশাও উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনার পরপরই পুলিশের তৎপরতায় দ্রুত অগ্রগতি হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে উপজেলার নিমগাছী ইউনিয়ন-এর সোনাখাড়া এলাকার খৈচালা বিল থেকে নাঈমের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি প্রতিদিনের মতো অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হলেও আর ফিরে আসেননি। পরদিন সকালে স্থানীয় লোকজন বিলের পাশে মরদেহটি দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়।
খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে সঙ্গে সঙ্গেই তদন্ত শুরু করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় মো. শামীম উদ্দিন (২৭) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে বুধবার রাতে তাড়াশ উপজেলা এলাকা থেকে আটক করা হয়।
গ্রেপ্তার শামীম তাড়াশ উপজেলার জাহাঙ্গীরগাঁতি গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই উপজেলার একটি স্থান থেকে নিহত নাঈমের অটোরিকশাটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া অটোরিকশাটি শামীমের হেফাজতেই ছিল।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শামীম দাবি করেছেন, অটোরিকশাটি তিনি কিনেছিলেন। তবে তার এই দাবির সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন ও এ ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এদিকে নাঈম হত্যার ঘটনায় এলাকায় শোক ও উদ্বেগের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন এবং ভবিষ্যতে এমন নৃশংস ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ কামনা করেছেন।

শনিবার, ০২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলা এলাকায় অটোরিকশা চালক নাঈম হাসান (২৫) হত্যার ঘটনায় এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে নিহতের ছিনতাইকৃত অটোরিকশাও উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনার পরপরই পুলিশের তৎপরতায় দ্রুত অগ্রগতি হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে উপজেলার নিমগাছী ইউনিয়ন-এর সোনাখাড়া এলাকার খৈচালা বিল থেকে নাঈমের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি প্রতিদিনের মতো অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হলেও আর ফিরে আসেননি। পরদিন সকালে স্থানীয় লোকজন বিলের পাশে মরদেহটি দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়।
খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে সঙ্গে সঙ্গেই তদন্ত শুরু করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় মো. শামীম উদ্দিন (২৭) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে বুধবার রাতে তাড়াশ উপজেলা এলাকা থেকে আটক করা হয়।
গ্রেপ্তার শামীম তাড়াশ উপজেলার জাহাঙ্গীরগাঁতি গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই উপজেলার একটি স্থান থেকে নিহত নাঈমের অটোরিকশাটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া অটোরিকশাটি শামীমের হেফাজতেই ছিল।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শামীম দাবি করেছেন, অটোরিকশাটি তিনি কিনেছিলেন। তবে তার এই দাবির সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন ও এ ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এদিকে নাঈম হত্যার ঘটনায় এলাকায় শোক ও উদ্বেগের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন এবং ভবিষ্যতে এমন নৃশংস ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ কামনা করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন