দেশের উত্তরাঞ্চলে আগামী কয়েকদিন ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। টানা বৃষ্টির কারণে নদ-নদীর পানি দ্রুত বাড়তে পারে এবং নিম্নাঞ্চলে বন্যার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, রংপুর, দিনাজপুর, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, নীলফামারী ও গাইবান্ধা অঞ্চলে ভারী বৃষ্টি বেশি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। একই সঙ্গে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তা, ধরলা, দুধকুমারসহ কয়েকটি নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্বল্প সময়ের মধ্যে অতিবৃষ্টি হলে জলাবদ্ধতা দেখা দিতে পারে এবং নিচু এলাকার ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। নদীতীরবর্তী এলাকাগুলোতে বসবাসকারী মানুষদের প্রয়োজন ছাড়া নদীর কাছে না যেতে এবং আগেভাগে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার প্রস্তুতি রাখতে বলা হয়েছে।
এদিকে স্থানীয় প্রশাসনকে সম্ভাব্য বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা, ত্রাণসামগ্রী মজুত এবং জরুরি যোগাযোগ ব্যবস্থা সক্রিয় রাখার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, মৎস্যজীবীদের নদীতে নৌকা নিয়ে চলাচলে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজন হলে আরও সতর্কতা জারি করা হবে। সাধারণ মানুষকে আবহাওয়ার হালনাগাদ তথ্য অনুসরণ করার এবং যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশ মানার আহ্বান জানানো হয়েছে।

শনিবার, ০২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬
দেশের উত্তরাঞ্চলে আগামী কয়েকদিন ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। টানা বৃষ্টির কারণে নদ-নদীর পানি দ্রুত বাড়তে পারে এবং নিম্নাঞ্চলে বন্যার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, রংপুর, দিনাজপুর, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, নীলফামারী ও গাইবান্ধা অঞ্চলে ভারী বৃষ্টি বেশি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। একই সঙ্গে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তা, ধরলা, দুধকুমারসহ কয়েকটি নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্বল্প সময়ের মধ্যে অতিবৃষ্টি হলে জলাবদ্ধতা দেখা দিতে পারে এবং নিচু এলাকার ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। নদীতীরবর্তী এলাকাগুলোতে বসবাসকারী মানুষদের প্রয়োজন ছাড়া নদীর কাছে না যেতে এবং আগেভাগে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার প্রস্তুতি রাখতে বলা হয়েছে।
এদিকে স্থানীয় প্রশাসনকে সম্ভাব্য বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা, ত্রাণসামগ্রী মজুত এবং জরুরি যোগাযোগ ব্যবস্থা সক্রিয় রাখার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, মৎস্যজীবীদের নদীতে নৌকা নিয়ে চলাচলে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজন হলে আরও সতর্কতা জারি করা হবে। সাধারণ মানুষকে আবহাওয়ার হালনাগাদ তথ্য অনুসরণ করার এবং যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশ মানার আহ্বান জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন