চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ‘ফুয়েল কার্ড’ ও ‘কৃষক কার্ড’-এর মাধ্যমে জ্বালানি তেল বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। তবে তেল সংগ্রহকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলা ও আইন অমান্যের অভিযোগে বৃহস্পতিবার ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে তিন ব্যক্তিকে জরিমানা করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আলমডাঙ্গার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে আসা গ্রাহকদের অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। অনেকেই নির্ধারিত নিয়ম না মেনে তেল সংগ্রহের চেষ্টা করলে প্রশাসন তাৎক্ষণিকভাবে অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে হক ফিলিং স্টেশনে লাইন ভেঙে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকায় মৃত রবিউল ইসলামের ছেলে আব্দুল হামিদকে সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮-এর ৬৬ ধারায় ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়া এনামুল হক ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেলের বৈধ কাগজপত্র ও হেলমেট না থাকায় নতিডাঙ্গা গ্রামের সাব্বির (১৮)-কে একই আইনের ৯২/১ ধারায় ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অন্যদিকে আলিয়ার নগরের মহেন আলী (৩৫) নামে এক ব্যক্তি অবৈধভাবে পেট্রোল ইঞ্জিন থেকে তেল নামিয়ে মোটরসাইকেলে নেওয়ার সময় ধরা পড়েন। তার ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকায় সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮-এর ৬৬ ধারায় তাকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল শামীম।
এদিকে সকাল থেকেই উপজেলা প্রশাসনের কঠোর তদারকিতে প্রকৃত কৃষকদের মাঝে ‘কৃষক কার্ড’-এর মাধ্যমে ডিজেল বিতরণ করা হচ্ছে। শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ফিলিং স্টেশনগুলোতে নির্ধারিত পরিমাণে তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। বাস ও ট্রাকে সর্বোচ্চ ৫০ লিটার এবং ট্রাক্টর ও অন্যান্য যানবাহনে সর্বোচ্চ ৩০ লিটার করে ডিজেল দেওয়া হচ্ছে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট রোধ, মজুতদারি ও কালোবাজারি প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান ও তদারকি নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি সাধারণ গ্রাহক ও কৃষকদের লাইনে দাঁড়িয়ে ধৈর্য সহকারে তেল সংগ্রহের আহ্বান জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ‘ফুয়েল কার্ড’ ও ‘কৃষক কার্ড’-এর মাধ্যমে জ্বালানি তেল বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। তবে তেল সংগ্রহকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলা ও আইন অমান্যের অভিযোগে বৃহস্পতিবার ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে তিন ব্যক্তিকে জরিমানা করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আলমডাঙ্গার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে আসা গ্রাহকদের অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। অনেকেই নির্ধারিত নিয়ম না মেনে তেল সংগ্রহের চেষ্টা করলে প্রশাসন তাৎক্ষণিকভাবে অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে হক ফিলিং স্টেশনে লাইন ভেঙে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকায় মৃত রবিউল ইসলামের ছেলে আব্দুল হামিদকে সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮-এর ৬৬ ধারায় ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়া এনামুল হক ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেলের বৈধ কাগজপত্র ও হেলমেট না থাকায় নতিডাঙ্গা গ্রামের সাব্বির (১৮)-কে একই আইনের ৯২/১ ধারায় ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অন্যদিকে আলিয়ার নগরের মহেন আলী (৩৫) নামে এক ব্যক্তি অবৈধভাবে পেট্রোল ইঞ্জিন থেকে তেল নামিয়ে মোটরসাইকেলে নেওয়ার সময় ধরা পড়েন। তার ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকায় সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮-এর ৬৬ ধারায় তাকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল শামীম।
এদিকে সকাল থেকেই উপজেলা প্রশাসনের কঠোর তদারকিতে প্রকৃত কৃষকদের মাঝে ‘কৃষক কার্ড’-এর মাধ্যমে ডিজেল বিতরণ করা হচ্ছে। শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ফিলিং স্টেশনগুলোতে নির্ধারিত পরিমাণে তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। বাস ও ট্রাকে সর্বোচ্চ ৫০ লিটার এবং ট্রাক্টর ও অন্যান্য যানবাহনে সর্বোচ্চ ৩০ লিটার করে ডিজেল দেওয়া হচ্ছে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট রোধ, মজুতদারি ও কালোবাজারি প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান ও তদারকি নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি সাধারণ গ্রাহক ও কৃষকদের লাইনে দাঁড়িয়ে ধৈর্য সহকারে তেল সংগ্রহের আহ্বান জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন