দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে মাদকবিরোধী পৃথক অভিযানে মাদক সেবনের আসর থেকে ৯ জন এবং নিষিদ্ধ মাদক টাপেনটাডল ট্যাবলেটসহ আরও একজনকে আটক করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) রাতে পৌরশহরের শাহেবগঞ্জ চম্পাতলী এলাকায় উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে এসব অভিযান পরিচালিত হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চম্পাতলী এলাকার একটি আদিবাসী পল্লীর নির্মাণাধীন বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় সেখানে গোল হয়ে বসে অবৈধ মাদক ‘চুয়ানি’ সেবনরত অবস্থায় ৯ যুবককে হাতেনাতে আটক করা হয়।
আটকের পর ঘটনাস্থলেই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রুবানা তানজিন। তিনি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আটককৃত প্রত্যেককে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।
এদিকে একই রাতে পুলিশের পৃথক অভিযানে নিষিদ্ধ ব্যথানাশক ট্যাবলেট টাপেনটাডলসহ আরও একজনকে আটক করা হয়। পুলিশ জানায়, টাপেনটাডল বর্তমানে অপব্যবহারের কারণে মাদক হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। ফলে এর ক্রয়-বিক্রয় ও বহন দণ্ডনীয় অপরাধ। আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
অভিযান সম্পর্কে ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, “মাদক নির্মূলে আমাদের অভিযান চলমান রয়েছে। এলাকায় মাদকের বিস্তার রোধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে মাদকবিরোধী পৃথক অভিযানে মাদক সেবনের আসর থেকে ৯ জন এবং নিষিদ্ধ মাদক টাপেনটাডল ট্যাবলেটসহ আরও একজনকে আটক করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) রাতে পৌরশহরের শাহেবগঞ্জ চম্পাতলী এলাকায় উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে এসব অভিযান পরিচালিত হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চম্পাতলী এলাকার একটি আদিবাসী পল্লীর নির্মাণাধীন বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় সেখানে গোল হয়ে বসে অবৈধ মাদক ‘চুয়ানি’ সেবনরত অবস্থায় ৯ যুবককে হাতেনাতে আটক করা হয়।
আটকের পর ঘটনাস্থলেই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রুবানা তানজিন। তিনি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আটককৃত প্রত্যেককে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।
এদিকে একই রাতে পুলিশের পৃথক অভিযানে নিষিদ্ধ ব্যথানাশক ট্যাবলেট টাপেনটাডলসহ আরও একজনকে আটক করা হয়। পুলিশ জানায়, টাপেনটাডল বর্তমানে অপব্যবহারের কারণে মাদক হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। ফলে এর ক্রয়-বিক্রয় ও বহন দণ্ডনীয় অপরাধ। আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
অভিযান সম্পর্কে ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, “মাদক নির্মূলে আমাদের অভিযান চলমান রয়েছে। এলাকায় মাদকের বিস্তার রোধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

আপনার মতামত লিখুন