ফরিদপুরের ভাঙ্গা থানায় দায়ের করা একটি সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি সাদ্দাম শেখ (৩০)কে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-১০)।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে জেলার কোতয়ালী থানাধীন মুন্সীবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর গোয়েন্দা নজরদারি ও তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান নিশ্চিত করে এই অভিযান পরিচালনা করা হয় বলে জানিয়েছে র্যাব।
র্যাব সূত্রে জানা যায়, গত ৩১ মার্চ সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সাদ্দাম শেখ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ৩০ বছর বয়সী এক নারীকে অটোরিকশায় ঘোরাফেরার কথা বলে ভাঙ্গা থানার ঘরুয়া এলাকায় ডেকে নেয়। পূর্বপরিচিত হওয়ায় ওই নারী তার কথায় সাড়া দিয়ে সেখানে যান। অভিযোগ রয়েছে, পূর্বপরিকল্পিতভাবে সাদ্দাম শেখ ও তার সহযোগীরা তাকে নির্জন স্থানে নিয়ে যায় এবং প্রথমে মারধর করে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। পরে তারা পালাক্রমে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে। এ সময় ভিকটিমের কাছে থাকা প্রায় ৮০ হাজার টাকা মূল্যের স্বর্ণালঙ্কার এবং নগদ ৩ হাজার ৫৭০ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও উঠে।
ঘটনার পর ভুক্তভোগী নিজেই সাহসিকতার সঙ্গে ভাঙ্গা থানায় মামলা দায়ের করেন। ১ এপ্রিল দায়ের করা ওই মামলার নম্বর ৮৮। মামলায় দণ্ডবিধির ৩২৩ (আহত করা) ও ৩৭৯ (চুরি) ধারার পাশাপাশি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(৩)/৩০ ধারা সংযুক্ত করা হয়েছে, যা গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচিত। মামলার পর থেকেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আসামিদের গ্রেফতারে তৎপরতা শুরু করে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আসামিদের দ্রুত গ্রেফতারের জন্য র্যাব-১০-এর সহযোগিতা কামনা করলে র্যাব বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে নেয়। পরবর্তীতে একটি আভিযানিক দল গোপন তথ্য সংগ্রহ, নজরদারি বৃদ্ধি এবং আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে সাদ্দাম শেখের অবস্থান শনাক্ত করে। অবশেষে নির্ভুল পরিকল্পনা অনুযায়ী অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়।
র্যাব জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত সাদ্দাম শেখকে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। একই সঙ্গে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানানো হয়েছে। ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে এবং স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। অনেকেই দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের নৃশংস অপরাধ রোধ করা যায়।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ এপ্রিল ২০২৬
ফরিদপুরের ভাঙ্গা থানায় দায়ের করা একটি সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি সাদ্দাম শেখ (৩০)কে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-১০)।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে জেলার কোতয়ালী থানাধীন মুন্সীবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর গোয়েন্দা নজরদারি ও তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান নিশ্চিত করে এই অভিযান পরিচালনা করা হয় বলে জানিয়েছে র্যাব।
র্যাব সূত্রে জানা যায়, গত ৩১ মার্চ সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সাদ্দাম শেখ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ৩০ বছর বয়সী এক নারীকে অটোরিকশায় ঘোরাফেরার কথা বলে ভাঙ্গা থানার ঘরুয়া এলাকায় ডেকে নেয়। পূর্বপরিচিত হওয়ায় ওই নারী তার কথায় সাড়া দিয়ে সেখানে যান। অভিযোগ রয়েছে, পূর্বপরিকল্পিতভাবে সাদ্দাম শেখ ও তার সহযোগীরা তাকে নির্জন স্থানে নিয়ে যায় এবং প্রথমে মারধর করে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। পরে তারা পালাক্রমে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে। এ সময় ভিকটিমের কাছে থাকা প্রায় ৮০ হাজার টাকা মূল্যের স্বর্ণালঙ্কার এবং নগদ ৩ হাজার ৫৭০ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও উঠে।
ঘটনার পর ভুক্তভোগী নিজেই সাহসিকতার সঙ্গে ভাঙ্গা থানায় মামলা দায়ের করেন। ১ এপ্রিল দায়ের করা ওই মামলার নম্বর ৮৮। মামলায় দণ্ডবিধির ৩২৩ (আহত করা) ও ৩৭৯ (চুরি) ধারার পাশাপাশি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(৩)/৩০ ধারা সংযুক্ত করা হয়েছে, যা গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচিত। মামলার পর থেকেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আসামিদের গ্রেফতারে তৎপরতা শুরু করে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আসামিদের দ্রুত গ্রেফতারের জন্য র্যাব-১০-এর সহযোগিতা কামনা করলে র্যাব বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে নেয়। পরবর্তীতে একটি আভিযানিক দল গোপন তথ্য সংগ্রহ, নজরদারি বৃদ্ধি এবং আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে সাদ্দাম শেখের অবস্থান শনাক্ত করে। অবশেষে নির্ভুল পরিকল্পনা অনুযায়ী অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়।
র্যাব জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত সাদ্দাম শেখকে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। একই সঙ্গে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানানো হয়েছে। ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে এবং স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। অনেকেই দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের নৃশংস অপরাধ রোধ করা যায়।

আপনার মতামত লিখুন