সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার তাজপুর ইউনিয়নের গুপ্তপাড়া গ্রামে প্রয়াত বিধুভূষণ দেব মহাশয়ের বাড়িতে শ্রী শ্রী মুরারী গুপ্তের মন্দির নির্মাণের জন্য শিলান্যাস অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রভুপাদ শ্রীল নিত্য গোপাল গৌস্বামী ও শ্রী শ্রী মুরারী গুপ্তের ভক্তবৃন্দ। অনুষ্ঠান শেষে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে মন্দির নির্মাণের শুভ সূচনা করা হয়।
শ্রী শ্রী মুরারী গুপ্ত ত্রেতাযুগে ভগবান রামের নৈষ্ঠিক ভক্ত হনুমানজির আবেশ অবতার হিসেবে পরিচিত এবং কলিযুগে তিনি মহাপ্রভুর অন্যতম পার্ষদ ছিলেন। এই পবিত্র স্থানে মন্দির নির্মাণের উদ্যোগে ভক্তদের মধ্যে উৎসাহ ও আধ্যাত্মিক উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।
প্রায় পাঁচশত বছরের প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী গুপ্তপাড়া গ্রামে মন্দির নির্মাণের জন্য প্রয়াত বিধুভূষণ দেবের দুই ছেলে বিধান দেব ও বিকাশ দেব ১৩ শতক ভূমি দান করেছেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পরেশ দেব এবং সঞ্চালনা করেন সিতাংশু দেব সিতু। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রভুপাদ শ্রীল নিত্য গোপাল গৌস্বামী। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ওসমানীনগর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি চয়ন পাল, আন্তর্জাতিক কৃষ্ণ অনুরাগী জাগ্রত যুব সংঘের প্রতিষ্ঠাতা হিমাদ্রী রায় প্রান্ত, প্রদীপ চক্রবর্তী, মনুজ দাস পুরকায়স্থ, প্রিয়াচরণ দাস, মৌলভীবাজার মহিলা ভাগবত সংঘের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শিলা তালুকদার, সভাপতি লিপিকা রায়, সুমন দেব এবং ভূমি দাতা বিকাশ দেব।
প্রভুপাদ শ্রীল নিত্য গোপাল গৌস্বামী বলেন, “শ্রী শ্রী মুরারী গুপ্ত ভক্তদের নিকট এক অনন্য মহাপুরুষ। তাঁর স্মৃতিবিজড়িত এই পবিত্র স্থানে মন্দির নির্মাণ একটি মহৎ উদ্যোগ। ভবিষ্যতে এটি ভক্তদের জন্য আধ্যাত্মিক সাধনা ও ধর্মীয় চর্চার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে। এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ জাগ্রত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”
অনুষ্ঠানে বক্তারা সকল স্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন এবং বলেন, “যে কেউ স্বেচ্ছায় সহযোগিতা করতে চাইলে তা সাদরে গ্রহণ করা হবে।”
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন শিক্ষক বিষ্ণুপদ গুপ্ত, সতেন্দ্র কুমার পাল কানু, গোয়ালাবাজার কেন্দ্রীয় কালী মন্দিরের সভাপতি নিধির রঞ্জন সূত্রধর, পলাশ দেব (ছোট গোপাল), বাপন রায় (সুনামগঞ্জ সদর), বিশ্বজিৎ দাস, আন্তর্জাতিক কৃষ্ণ অনুরাগী জাগ্রত যুব সংঘের সাধারণ সম্পাদক বাপন রায়, বিষ্ণুপদ দেব, নির্মল দেব, অনিল চন্দ্র দাস, শিক্ষক রিপন সূত্রধর, অজিত দে প্রমুখ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, স্থানীয় মুরব্বিয়ান এবং শ্রী শ্রী মুরারী গুপ্তের ভক্তবৃন্দ।
শিলান্যাস অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মন্দির নির্মাণ কার্যক্রমের শুভ সূচনা হওয়ায় গ্রাম ও আশেপাশের এলাকার ভক্তদের মধ্যে উৎসাহ, ভক্তি ও আধ্যাত্মিক উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। এই মন্দির ভবিষ্যতে অধ্যাত্মিক সাধনা, ধর্মীয় চর্চা ও সামাজিক ঐক্যের কেন্দ্র হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ এপ্রিল ২০২৬
সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার তাজপুর ইউনিয়নের গুপ্তপাড়া গ্রামে প্রয়াত বিধুভূষণ দেব মহাশয়ের বাড়িতে শ্রী শ্রী মুরারী গুপ্তের মন্দির নির্মাণের জন্য শিলান্যাস অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রভুপাদ শ্রীল নিত্য গোপাল গৌস্বামী ও শ্রী শ্রী মুরারী গুপ্তের ভক্তবৃন্দ। অনুষ্ঠান শেষে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে মন্দির নির্মাণের শুভ সূচনা করা হয়।
শ্রী শ্রী মুরারী গুপ্ত ত্রেতাযুগে ভগবান রামের নৈষ্ঠিক ভক্ত হনুমানজির আবেশ অবতার হিসেবে পরিচিত এবং কলিযুগে তিনি মহাপ্রভুর অন্যতম পার্ষদ ছিলেন। এই পবিত্র স্থানে মন্দির নির্মাণের উদ্যোগে ভক্তদের মধ্যে উৎসাহ ও আধ্যাত্মিক উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।
প্রায় পাঁচশত বছরের প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী গুপ্তপাড়া গ্রামে মন্দির নির্মাণের জন্য প্রয়াত বিধুভূষণ দেবের দুই ছেলে বিধান দেব ও বিকাশ দেব ১৩ শতক ভূমি দান করেছেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পরেশ দেব এবং সঞ্চালনা করেন সিতাংশু দেব সিতু। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রভুপাদ শ্রীল নিত্য গোপাল গৌস্বামী। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ওসমানীনগর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি চয়ন পাল, আন্তর্জাতিক কৃষ্ণ অনুরাগী জাগ্রত যুব সংঘের প্রতিষ্ঠাতা হিমাদ্রী রায় প্রান্ত, প্রদীপ চক্রবর্তী, মনুজ দাস পুরকায়স্থ, প্রিয়াচরণ দাস, মৌলভীবাজার মহিলা ভাগবত সংঘের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শিলা তালুকদার, সভাপতি লিপিকা রায়, সুমন দেব এবং ভূমি দাতা বিকাশ দেব।
প্রভুপাদ শ্রীল নিত্য গোপাল গৌস্বামী বলেন, “শ্রী শ্রী মুরারী গুপ্ত ভক্তদের নিকট এক অনন্য মহাপুরুষ। তাঁর স্মৃতিবিজড়িত এই পবিত্র স্থানে মন্দির নির্মাণ একটি মহৎ উদ্যোগ। ভবিষ্যতে এটি ভক্তদের জন্য আধ্যাত্মিক সাধনা ও ধর্মীয় চর্চার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে। এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ জাগ্রত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”
অনুষ্ঠানে বক্তারা সকল স্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন এবং বলেন, “যে কেউ স্বেচ্ছায় সহযোগিতা করতে চাইলে তা সাদরে গ্রহণ করা হবে।”
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন শিক্ষক বিষ্ণুপদ গুপ্ত, সতেন্দ্র কুমার পাল কানু, গোয়ালাবাজার কেন্দ্রীয় কালী মন্দিরের সভাপতি নিধির রঞ্জন সূত্রধর, পলাশ দেব (ছোট গোপাল), বাপন রায় (সুনামগঞ্জ সদর), বিশ্বজিৎ দাস, আন্তর্জাতিক কৃষ্ণ অনুরাগী জাগ্রত যুব সংঘের সাধারণ সম্পাদক বাপন রায়, বিষ্ণুপদ দেব, নির্মল দেব, অনিল চন্দ্র দাস, শিক্ষক রিপন সূত্রধর, অজিত দে প্রমুখ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, স্থানীয় মুরব্বিয়ান এবং শ্রী শ্রী মুরারী গুপ্তের ভক্তবৃন্দ।
শিলান্যাস অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মন্দির নির্মাণ কার্যক্রমের শুভ সূচনা হওয়ায় গ্রাম ও আশেপাশের এলাকার ভক্তদের মধ্যে উৎসাহ, ভক্তি ও আধ্যাত্মিক উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। এই মন্দির ভবিষ্যতে অধ্যাত্মিক সাধনা, ধর্মীয় চর্চা ও সামাজিক ঐক্যের কেন্দ্র হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন