পাকিস্তানে এ বছর ৩০ রোজা পূর্ণ হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির আবহাওয়া অধিদপ্তর। আগামী বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সন্ধ্যায় পাকিস্তানের আকাশে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই বলে তারা জানিয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের ডেপুটি ডিরেক্টর আনজুম নাজির জানান, ১৯ মার্চ পাকিস্তান সময় সকাল ৬টা ২৩ মিনিটে নতুন চাঁদের জন্ম হবে। তবে ওই দিন সূর্যাস্তের মুহূর্তে চাঁদের বয়স হবে মাত্র ১২ ঘণ্টা কয়েক মিনিট। বৈজ্ঞানিক মানদণ্ড অনুযায়ী, টেলিস্কোপের সাহায্যে চাঁদ শনাক্ত করতে হলে এর বয়স কমপক্ষে ১৪ ঘণ্টার বেশি হওয়া প্রয়োজন। সেই হিসেবে ১২ ঘণ্টা বয়সের চাঁদ খালি চোখে দেখা তো দূরের কথা, শক্তিশালী টেলিস্কোপেও ধরা পড়া প্রায় অসম্ভব।
পাকিস্তানের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা স্পারকোও একই মত দিয়েছে। সংস্থাটির হিসাব অনুযায়ী, ১৯ মার্চ সূর্যাস্তের সময় শাওয়াল মাসের চাঁদের বয়স হবে আনুমানিক ১২ ঘণ্টা ৪১ মিনিট, যা দৃশ্যমান হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সীমার অনেক নিচে।
এই পরিস্থিতিতে ১৯ মার্চ ইসলামাবাদে কেন্দ্রীয় চাঁদ দেখা কমিটি বা রুয়েত-ই-হিলাল কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। তবে আবহাওয়া অধিদপ্তর ও স্পারকোর পূর্বাভাস অনুযায়ী, ওইদিন চাঁদ না দেখা গেলে পরদিন ২০ মার্চ ৩০তম রোজা পালন করা হবে এবং তার পরদিন ২১ মার্চ শুক্রবার পাকিস্তানে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মার্চ ২০২৬
পাকিস্তানে এ বছর ৩০ রোজা পূর্ণ হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির আবহাওয়া অধিদপ্তর। আগামী বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সন্ধ্যায় পাকিস্তানের আকাশে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই বলে তারা জানিয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের ডেপুটি ডিরেক্টর আনজুম নাজির জানান, ১৯ মার্চ পাকিস্তান সময় সকাল ৬টা ২৩ মিনিটে নতুন চাঁদের জন্ম হবে। তবে ওই দিন সূর্যাস্তের মুহূর্তে চাঁদের বয়স হবে মাত্র ১২ ঘণ্টা কয়েক মিনিট। বৈজ্ঞানিক মানদণ্ড অনুযায়ী, টেলিস্কোপের সাহায্যে চাঁদ শনাক্ত করতে হলে এর বয়স কমপক্ষে ১৪ ঘণ্টার বেশি হওয়া প্রয়োজন। সেই হিসেবে ১২ ঘণ্টা বয়সের চাঁদ খালি চোখে দেখা তো দূরের কথা, শক্তিশালী টেলিস্কোপেও ধরা পড়া প্রায় অসম্ভব।
পাকিস্তানের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা স্পারকোও একই মত দিয়েছে। সংস্থাটির হিসাব অনুযায়ী, ১৯ মার্চ সূর্যাস্তের সময় শাওয়াল মাসের চাঁদের বয়স হবে আনুমানিক ১২ ঘণ্টা ৪১ মিনিট, যা দৃশ্যমান হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সীমার অনেক নিচে।
এই পরিস্থিতিতে ১৯ মার্চ ইসলামাবাদে কেন্দ্রীয় চাঁদ দেখা কমিটি বা রুয়েত-ই-হিলাল কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। তবে আবহাওয়া অধিদপ্তর ও স্পারকোর পূর্বাভাস অনুযায়ী, ওইদিন চাঁদ না দেখা গেলে পরদিন ২০ মার্চ ৩০তম রোজা পালন করা হবে এবং তার পরদিন ২১ মার্চ শুক্রবার পাকিস্তানে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।

আপনার মতামত লিখুন