ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

ভাঙ্গায় জ্বালানি তেল মজুদের অভিযোগে মোবাইল কোর্ট, প্রমাণ মেলেনি



ভাঙ্গায় জ্বালানি তেল মজুদের অভিযোগে মোবাইল কোর্ট, প্রমাণ মেলেনি
ছবি : প্রতিনিধি

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় জ্বালানি তেল মজুদ ও অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে। তবে অভিযান চালিয়ে অভিযোগের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল ২০২৬) উপজেলার চুমুরদী ইউনিয়নের পূর্ব সদরদী এলাকা এবং ঘারুয়া ইউনিয়নের ঘারুয়া বাজার সংলগ্ন কয়েকটি বাড়ি ও দোকানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

অভিযানকালে যেসব স্থানে তেল মজুদের অভিযোগ ছিল, সেসব জায়গায় ড্রামগুলো খালি পাওয়া যায়। অভিযুক্তরা জানান, গত ২০-২৫ দিন ধরে তেলের সংকট থাকায় তারা কোনো জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারেননি এবং বিক্রি কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের দায়িত্বে থাকা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাদরুল আলম সিয়াম বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হলেও ঘটনাস্থলে তেল মজুদের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে ভবিষ্যতে কেউ যেন অবৈধভাবে তেল মজুদ বা অতিরিক্ত দামে বিক্রি না করে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে।

এদিকে উপজেলার ব্রাদার্স, সুগন্ধা, হাজী এরফানউদ্দিন ও কণা ফিলিং স্টেশনেও অভিযান চালানো হয়। এ সময় স্টেশনগুলোর রেজিস্টার, ট্যাংকের মজুদ এবং সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই করা হয়।

ফিলিং স্টেশন মালিকদের উদ্দেশ্যে ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, মজুদ থাকা সাপেক্ষে কোনোভাবেই তেল সরবরাহ বন্ধ রাখা যাবে না এবং নিয়ম অনুযায়ী সঠিকভাবে তেল বিতরণ নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি আরও জানান, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কৃষকদের কৃষি অফিস প্রদত্ত কার্ড ব্যবহার করে ফিলিং স্টেশন থেকে জ্বালানি সংগ্রহের আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিটি স্টেশনে নিয়োজিত ট্যাগ অফিসারের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় সহায়তা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে প্রশাসন জানিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


ভাঙ্গায় জ্বালানি তেল মজুদের অভিযোগে মোবাইল কোর্ট, প্রমাণ মেলেনি

প্রকাশের তারিখ : ০৩ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় জ্বালানি তেল মজুদ ও অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে। তবে অভিযান চালিয়ে অভিযোগের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল ২০২৬) উপজেলার চুমুরদী ইউনিয়নের পূর্ব সদরদী এলাকা এবং ঘারুয়া ইউনিয়নের ঘারুয়া বাজার সংলগ্ন কয়েকটি বাড়ি ও দোকানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

অভিযানকালে যেসব স্থানে তেল মজুদের অভিযোগ ছিল, সেসব জায়গায় ড্রামগুলো খালি পাওয়া যায়। অভিযুক্তরা জানান, গত ২০-২৫ দিন ধরে তেলের সংকট থাকায় তারা কোনো জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারেননি এবং বিক্রি কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের দায়িত্বে থাকা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাদরুল আলম সিয়াম বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হলেও ঘটনাস্থলে তেল মজুদের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে ভবিষ্যতে কেউ যেন অবৈধভাবে তেল মজুদ বা অতিরিক্ত দামে বিক্রি না করে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে।

এদিকে উপজেলার ব্রাদার্স, সুগন্ধা, হাজী এরফানউদ্দিন ও কণা ফিলিং স্টেশনেও অভিযান চালানো হয়। এ সময় স্টেশনগুলোর রেজিস্টার, ট্যাংকের মজুদ এবং সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই করা হয়।

ফিলিং স্টেশন মালিকদের উদ্দেশ্যে ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, মজুদ থাকা সাপেক্ষে কোনোভাবেই তেল সরবরাহ বন্ধ রাখা যাবে না এবং নিয়ম অনুযায়ী সঠিকভাবে তেল বিতরণ নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি আরও জানান, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কৃষকদের কৃষি অফিস প্রদত্ত কার্ড ব্যবহার করে ফিলিং স্টেশন থেকে জ্বালানি সংগ্রহের আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিটি স্টেশনে নিয়োজিত ট্যাগ অফিসারের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় সহায়তা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে প্রশাসন জানিয়েছে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ