ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় অধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে চার গ্রামের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে, যার ফলে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। এই ঘটনায় মনসুরাবাদ বাজারের কয়েকটি দোকানেও হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে প্রায় এক ঘণ্টার ব্যবধানে হামিরদী ইউনিয়নের মনসুরাবাদ বাজারে সংঘর্ষটি ঘটে। সংঘর্ষে একপক্ষ মনসুরাবাদ গ্রামের লোকজন এবং অপরপক্ষ খাপুরা, মাঝিকান্দা ও সিঙ্গারিয়া গ্রামের বাসিন্দারা অংশ নেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মনসুরাবাদ গ্রামের সঙ্গে পাশের তিন গ্রামের মধ্যে বিরোধ চলছিল।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সন্ধ্যায় খাপুরা গ্রামের এক ব্যক্তি মনসুরাবাদ এলাকায় গেলে তাকে মারধর করা হয়। খবরটি ছড়িয়ে পড়ার পর খাপুরা, মাঝিকান্দা ও সিঙ্গারিয়ার লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘবদ্ধ হয়ে মনসুরাবাদ বাজারে হামলা চালায়। এর ফলে উভয় পক্ষের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ বেঁধে যায়।
ঘটনাস্থলে দ্রুত পৌঁছানো ভাঙ্গা থানার পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশি হস্তক্ষেপে এলাকা এখন শান্তিপূর্ণ। আহতদের মধ্যে রয়েছে ঠাকুর দাস, রাব্বি, নাহিদ, তামিম, নাঈম ও আবুল কালামসহ আরও অনেকে। তাদের সবাইকে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
ভাঙ্গা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মামুন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। তিনি আরও বলেন, বর্তমানে এলাকা পুলিশের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনা রোধের জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয়রা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, দীর্ঘদিনের গ্রামীণ বিরোধ শুধু ব্যক্তিগত ক্ষতির কারণ নয়, এটি এলাকার সামাজিক শান্তি ও নিরাপত্তার ওপরও প্রভাব ফেলছে। বাজারে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
এই সংঘর্ষ স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশি তৎপরতার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে আনা হলেও প্রান্তিক গ্রামীণ এলাকায় আধিপত্য বিরোধ এবং সামাজিক দ্বন্দ্বের সমস্যা এখনও সমাধান প্রার্থনা করছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ এপ্রিল ২০২৬
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় অধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে চার গ্রামের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে, যার ফলে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। এই ঘটনায় মনসুরাবাদ বাজারের কয়েকটি দোকানেও হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে প্রায় এক ঘণ্টার ব্যবধানে হামিরদী ইউনিয়নের মনসুরাবাদ বাজারে সংঘর্ষটি ঘটে। সংঘর্ষে একপক্ষ মনসুরাবাদ গ্রামের লোকজন এবং অপরপক্ষ খাপুরা, মাঝিকান্দা ও সিঙ্গারিয়া গ্রামের বাসিন্দারা অংশ নেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মনসুরাবাদ গ্রামের সঙ্গে পাশের তিন গ্রামের মধ্যে বিরোধ চলছিল।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সন্ধ্যায় খাপুরা গ্রামের এক ব্যক্তি মনসুরাবাদ এলাকায় গেলে তাকে মারধর করা হয়। খবরটি ছড়িয়ে পড়ার পর খাপুরা, মাঝিকান্দা ও সিঙ্গারিয়ার লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘবদ্ধ হয়ে মনসুরাবাদ বাজারে হামলা চালায়। এর ফলে উভয় পক্ষের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ বেঁধে যায়।
ঘটনাস্থলে দ্রুত পৌঁছানো ভাঙ্গা থানার পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশি হস্তক্ষেপে এলাকা এখন শান্তিপূর্ণ। আহতদের মধ্যে রয়েছে ঠাকুর দাস, রাব্বি, নাহিদ, তামিম, নাঈম ও আবুল কালামসহ আরও অনেকে। তাদের সবাইকে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
ভাঙ্গা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মামুন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। তিনি আরও বলেন, বর্তমানে এলাকা পুলিশের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনা রোধের জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয়রা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, দীর্ঘদিনের গ্রামীণ বিরোধ শুধু ব্যক্তিগত ক্ষতির কারণ নয়, এটি এলাকার সামাজিক শান্তি ও নিরাপত্তার ওপরও প্রভাব ফেলছে। বাজারে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
এই সংঘর্ষ স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশি তৎপরতার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে আনা হলেও প্রান্তিক গ্রামীণ এলাকায় আধিপত্য বিরোধ এবং সামাজিক দ্বন্দ্বের সমস্যা এখনও সমাধান প্রার্থনা করছে।

আপনার মতামত লিখুন