মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে কাতারে আটকে পড়া ৪৩০ জন বাংলাদেশি নাগরিক শুক্রবার রাতে কাতার এয়ারওয়েজের একটি বিশেষ ফ্লাইটে ঢাকায় ফিরে এসেছেন। শনিবার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থার জেরে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে সাতটি দেশ তাদের আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়। এর প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ে ঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দরে। একের পর এক ফ্লাইট বাতিল হতে থাকায় বহু বাংলাদেশি যাত্রী কাতারে আটকা পড়ে যান এবং দেশে ফেরার কোনো উপায় খুঁজে পাচ্ছিলেন না।
এই সংকটময় পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ সরকার দ্রুত তৎপরতা শুরু করে। কাতার কর্তৃপক্ষ এবং কাতার এয়ারওয়েজের সঙ্গে সমন্বয় করে আটকে পড়া নাগরিকদের দেশে ফেরানোর জন্য বিশেষ ফ্লাইটের ব্যবস্থা করা হয়। ফিরে আসা যাত্রীদের মধ্যে ট্রানজিটে আটকে পড়া যাত্রীরা ছাড়াও কাতারে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের কয়েকজন কর্মী ছিলেন বলে নির্বাহী পরিচালক জানান।
এর আগে ১১ মার্চ কাতারে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস একটি জরুরি বার্তা প্রকাশ করে। ওই বার্তায় জানানো হয়, ক্ষতিগ্রস্ত প্রবাসী বাংলাদেশিদের ফিরিয়ে আনার সুবিধার্থে দূতাবাস কাতার সরকার ও কাতার এয়ারওয়েজের সঙ্গে নিরন্তর যোগাযোগ বজায় রাখছে। একই সঙ্গে দেশে ফিরতে আগ্রহী যাত্রীদের তালিকা প্রস্তুতের জন্য দূতাবাসের অফিসিয়াল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি গুগল ফর্মের লিংক প্রকাশ করা হয়।
নিবন্ধনের ক্ষেত্রে পরিবার, নারী, শিশু এবং বয়স্ক ব্যক্তিদের অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা সেই বার্তায় উল্লেখ করা হয়েছিল। মানবিক দিক বিবেচনায় এই অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হয় বলে দূতাবাস সূত্রে জানা গেছে। শনিবার পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির কারণে ঢাকা বিমানবন্দরে আরও ২৪টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে কাতারে আটকে পড়া ৪৩০ জন বাংলাদেশি নাগরিক শুক্রবার রাতে কাতার এয়ারওয়েজের একটি বিশেষ ফ্লাইটে ঢাকায় ফিরে এসেছেন। শনিবার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থার জেরে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে সাতটি দেশ তাদের আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়। এর প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ে ঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দরে। একের পর এক ফ্লাইট বাতিল হতে থাকায় বহু বাংলাদেশি যাত্রী কাতারে আটকা পড়ে যান এবং দেশে ফেরার কোনো উপায় খুঁজে পাচ্ছিলেন না।
এই সংকটময় পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ সরকার দ্রুত তৎপরতা শুরু করে। কাতার কর্তৃপক্ষ এবং কাতার এয়ারওয়েজের সঙ্গে সমন্বয় করে আটকে পড়া নাগরিকদের দেশে ফেরানোর জন্য বিশেষ ফ্লাইটের ব্যবস্থা করা হয়। ফিরে আসা যাত্রীদের মধ্যে ট্রানজিটে আটকে পড়া যাত্রীরা ছাড়াও কাতারে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের কয়েকজন কর্মী ছিলেন বলে নির্বাহী পরিচালক জানান।
এর আগে ১১ মার্চ কাতারে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস একটি জরুরি বার্তা প্রকাশ করে। ওই বার্তায় জানানো হয়, ক্ষতিগ্রস্ত প্রবাসী বাংলাদেশিদের ফিরিয়ে আনার সুবিধার্থে দূতাবাস কাতার সরকার ও কাতার এয়ারওয়েজের সঙ্গে নিরন্তর যোগাযোগ বজায় রাখছে। একই সঙ্গে দেশে ফিরতে আগ্রহী যাত্রীদের তালিকা প্রস্তুতের জন্য দূতাবাসের অফিসিয়াল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি গুগল ফর্মের লিংক প্রকাশ করা হয়।
নিবন্ধনের ক্ষেত্রে পরিবার, নারী, শিশু এবং বয়স্ক ব্যক্তিদের অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা সেই বার্তায় উল্লেখ করা হয়েছিল। মানবিক দিক বিবেচনায় এই অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হয় বলে দূতাবাস সূত্রে জানা গেছে। শনিবার পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির কারণে ঢাকা বিমানবন্দরে আরও ২৪টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন