ইরান উপকূলে হরমুজ প্রণালির সন্নিকটে অবস্থিত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ খারগ দ্বীপে ইতিহাসের অন্যতম শক্তিশালী বিমান হামলা চালানোর দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এর একটি পোস্টে ট্রাম্প জানান যে ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ডের এই অভিযানে দ্বীপটির প্রতিটি সামরিক লক্ষ্যবস্তু পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। ইরানের কাছে অত্যন্ত মূল্যবান এই দ্বীপটিকে তিনি দেশটির ‘মুকুটের মণি’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আরও উল্লেখ করেছেন যে এই অভিযানে দ্বীপের তেল অবকাঠামোগুলোকে লক্ষ্যবস্তু না করার একটি বিশেষ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান যে যদি ইরান অথবা অন্য কোনো পক্ষ হরমুজ প্রণালী দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজের অবাধ ও নিরাপদ চলাচলে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করে, তবে তেল স্থাপনাগুলোতে হামলা না করার এই সিদ্ধান্ত তাৎক্ষণিকভাবে পুনর্বিবেচনা করা হবে। মূলত জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখার শর্তেই এই ছাড় দেওয়া হয়েছে বলে ইঙ্গিত দেন তিনি।
এদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ফার্স দ্বীপটির ওপর হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছে যে অভিযানের সময় সেখানে ১৫টিরও বেশি শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। এলাকাটি থেকে কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী আকাশে উড়তে দেখা গেলেও দেশটির সামরিক বাহিনী এখনো সেখানে অক্ষত অবস্থায় রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। তেহরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে হামলা সত্ত্বেও ইরানি বাহিনী ওই দ্বীপ থেকে তাদের নিয়মিত কার্যক্রম ও অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।
ফার্সের প্রতিবেদনে আরও বলা হয় যে মার্কিন হামলায় এখন পর্যন্ত কোনো তেল শোধনাগার বা জ্বালানি সংশ্লিষ্ট স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। বর্তমানে ওই অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতি অত্যন্ত নাজুক এবং যেকোনো সময় বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা করা হচ্ছে। ইরান ও আমেরিকার এই পাল্টাপাল্টি দাবির প্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে নতুন করে অস্থিরতা ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মার্চ ২০২৬
ইরান উপকূলে হরমুজ প্রণালির সন্নিকটে অবস্থিত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ খারগ দ্বীপে ইতিহাসের অন্যতম শক্তিশালী বিমান হামলা চালানোর দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এর একটি পোস্টে ট্রাম্প জানান যে ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ডের এই অভিযানে দ্বীপটির প্রতিটি সামরিক লক্ষ্যবস্তু পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। ইরানের কাছে অত্যন্ত মূল্যবান এই দ্বীপটিকে তিনি দেশটির ‘মুকুটের মণি’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আরও উল্লেখ করেছেন যে এই অভিযানে দ্বীপের তেল অবকাঠামোগুলোকে লক্ষ্যবস্তু না করার একটি বিশেষ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান যে যদি ইরান অথবা অন্য কোনো পক্ষ হরমুজ প্রণালী দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজের অবাধ ও নিরাপদ চলাচলে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করে, তবে তেল স্থাপনাগুলোতে হামলা না করার এই সিদ্ধান্ত তাৎক্ষণিকভাবে পুনর্বিবেচনা করা হবে। মূলত জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখার শর্তেই এই ছাড় দেওয়া হয়েছে বলে ইঙ্গিত দেন তিনি।
এদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ফার্স দ্বীপটির ওপর হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছে যে অভিযানের সময় সেখানে ১৫টিরও বেশি শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। এলাকাটি থেকে কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী আকাশে উড়তে দেখা গেলেও দেশটির সামরিক বাহিনী এখনো সেখানে অক্ষত অবস্থায় রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। তেহরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে হামলা সত্ত্বেও ইরানি বাহিনী ওই দ্বীপ থেকে তাদের নিয়মিত কার্যক্রম ও অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।
ফার্সের প্রতিবেদনে আরও বলা হয় যে মার্কিন হামলায় এখন পর্যন্ত কোনো তেল শোধনাগার বা জ্বালানি সংশ্লিষ্ট স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। বর্তমানে ওই অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতি অত্যন্ত নাজুক এবং যেকোনো সময় বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা করা হচ্ছে। ইরান ও আমেরিকার এই পাল্টাপাল্টি দাবির প্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে নতুন করে অস্থিরতা ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন