দক্ষিণ লেবাননের বন্দরনগরী সাইদায় একটি পাঁচতলা আবাসিক ভবনে ইসরায়েলি বিমান হামলায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ঘটেছে। ভবনটির উপরের বেশ কয়েকটি তলা সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছে এবং ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও মানুষ আটকে পড়ার আশঙ্কায় জরুরি উদ্ধারকাজ অব্যাহত রয়েছে।
শহরের পূর্ব উপশহরের আল-ফুয়ার এলাকায় এই হামলা চালানো হয়। সাইদা লেবাননের তৃতীয় বৃহত্তম শহর এবং দক্ষিণাঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ জনবসতি। ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থলে লেবাননের সেনাবাহিনী, সিভিল ডিফেন্স এবং লেবানন রেড ক্রিসেন্টের দলগুলো একযোগে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে। তারা ধ্বংসস্তূপের প্রতিটি স্তর সরিয়ে বেঁচে থাকা মানুষদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, উদ্ধারকর্মীরা ধুলো ও ধ্বংসাবশেষের মাঝে কাজ করছেন এবং একজনকে স্ট্রেচারে তুলে অ্যাম্বুলেন্সে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, হামলার সময় ভবনটিতে বেশ কয়েকটি পরিবার বসবাস করছিল। ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও মানুষ আটকে থাকার আশঙ্কায় উদ্ধারকর্মীরা রাত পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন।
হামলায় সঠিক হতাহতের সংখ্যা এখনো নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। তবে এটি স্পষ্ট যে, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাতের ১৪তম দিনে এসে ইসরায়েল লেবাননে তার হামলার পরিসর আরও বিস্তৃত করেছে। সাইদার মতো জনবহুল শহরে আবাসিক এলাকায় হামলা চালানো আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলোর মধ্যে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। এর আগেও চলমান সংঘাতে লেবাননে হিজবুল্লাহর সামরিক অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে ইসরায়েল বারবার হামলা পরিচালনা করেছে। কিন্তু আবাসিক ভবনে এই হামলা বেসামরিক জনগণের নিরাপত্তার প্রশ্নকে নতুনভাবে সামনে এনেছে।
সামগ্রিকভাবে লেবাননে যুদ্ধের প্রভাব ক্রমেই ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। বিভিন্ন সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, চলমান সংঘাতে ইতোমধ্যে লেবাননে কয়েক শত মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন এবং সাত লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। সাইদার এই হামলা সেই দীর্ঘ মানবিক সংকটকে আরও গভীর করে তুললো।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মার্চ ২০২৬
দক্ষিণ লেবাননের বন্দরনগরী সাইদায় একটি পাঁচতলা আবাসিক ভবনে ইসরায়েলি বিমান হামলায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ঘটেছে। ভবনটির উপরের বেশ কয়েকটি তলা সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছে এবং ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও মানুষ আটকে পড়ার আশঙ্কায় জরুরি উদ্ধারকাজ অব্যাহত রয়েছে।
শহরের পূর্ব উপশহরের আল-ফুয়ার এলাকায় এই হামলা চালানো হয়। সাইদা লেবাননের তৃতীয় বৃহত্তম শহর এবং দক্ষিণাঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ জনবসতি। ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থলে লেবাননের সেনাবাহিনী, সিভিল ডিফেন্স এবং লেবানন রেড ক্রিসেন্টের দলগুলো একযোগে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে। তারা ধ্বংসস্তূপের প্রতিটি স্তর সরিয়ে বেঁচে থাকা মানুষদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, উদ্ধারকর্মীরা ধুলো ও ধ্বংসাবশেষের মাঝে কাজ করছেন এবং একজনকে স্ট্রেচারে তুলে অ্যাম্বুলেন্সে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, হামলার সময় ভবনটিতে বেশ কয়েকটি পরিবার বসবাস করছিল। ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও মানুষ আটকে থাকার আশঙ্কায় উদ্ধারকর্মীরা রাত পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন।
হামলায় সঠিক হতাহতের সংখ্যা এখনো নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। তবে এটি স্পষ্ট যে, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাতের ১৪তম দিনে এসে ইসরায়েল লেবাননে তার হামলার পরিসর আরও বিস্তৃত করেছে। সাইদার মতো জনবহুল শহরে আবাসিক এলাকায় হামলা চালানো আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলোর মধ্যে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। এর আগেও চলমান সংঘাতে লেবাননে হিজবুল্লাহর সামরিক অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে ইসরায়েল বারবার হামলা পরিচালনা করেছে। কিন্তু আবাসিক ভবনে এই হামলা বেসামরিক জনগণের নিরাপত্তার প্রশ্নকে নতুনভাবে সামনে এনেছে।
সামগ্রিকভাবে লেবাননে যুদ্ধের প্রভাব ক্রমেই ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। বিভিন্ন সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, চলমান সংঘাতে ইতোমধ্যে লেবাননে কয়েক শত মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন এবং সাত লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। সাইদার এই হামলা সেই দীর্ঘ মানবিক সংকটকে আরও গভীর করে তুললো।

আপনার মতামত লিখুন