ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তাদের নৌবাহিনীর ছোড়া ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনে আঘাত হেনেছে। ইরানের ভাষ্য অনুযায়ী, এই আঘাতে রণতরীটি ক্ষতিগ্রস্ত ও আংশিকভাবে অকার্যকর হয়ে পড়লে সেটি উপসাগর এলাকা ছেড়ে পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে। তবে ওয়াশিংটন এই দাবি সম্পূর্ণ অস্বীকার করে বলেছে, রণতরীটি এখনো অপারেশন এপিক ফিউরির সমর্থনে সক্রিয় ভূমিকা রেখে যাচ্ছে।
আইআরজিসির বিবৃতিতে জানানো হয়, উপসাগরে চলমান অভিযানের মধ্যেই মার্কিন বাহিনীর এই সর্ববৃহৎ রণতরীকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। তবে বিবৃতিতে নিহত বা আহতের সংখ্যা কিংবা ক্ষয়ক্ষতির কোনো বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনও জানায়, হামলার পর রণতরী এবং তার স্ট্রাইক গ্রুপকে দ্রুতগতিতে এলাকা ত্যাগ করতে দেখা গেছে। তবে সেখানেও ক্ষয়ক্ষতির স্পষ্ট তথ্য অনুপস্থিত।
এদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজ জানিয়েছে, একটি ইরানি জাহাজ আব্রাহাম লিংকনের কাছাকাছি চলে আসলে মার্কিন নৌবাহিনী সতর্কতামূলক গুলি ছোড়ে। তবে ইরানি জাহাজটি গুলিতে আঘাত পেয়েছে কিনা এবং ওই জাহাজের ক্রুদের পরিণতি কী হয়েছে, সে বিষয়ে এখনো কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
এটি অবশ্য এই রণতরীতে হামলার প্রথম দাবি নয়। এর আগেও আইআরজিসি একইভাবে আব্রাহাম লিংকনে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতের দাবি করেছিল। সেবার পেন্টাগন জানিয়েছিল, ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রগুলো রণতরীর ধারেকাছেও পৌঁছায়নি। বর্তমান পরিস্থিতিতেও দুই পক্ষের দাবির মধ্যে স্পষ্ট বৈপরীত্য থাকায় প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির চিত্র এখনো অস্পষ্ট রয়ে গেছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মার্চ ২০২৬
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তাদের নৌবাহিনীর ছোড়া ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনে আঘাত হেনেছে। ইরানের ভাষ্য অনুযায়ী, এই আঘাতে রণতরীটি ক্ষতিগ্রস্ত ও আংশিকভাবে অকার্যকর হয়ে পড়লে সেটি উপসাগর এলাকা ছেড়ে পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে। তবে ওয়াশিংটন এই দাবি সম্পূর্ণ অস্বীকার করে বলেছে, রণতরীটি এখনো অপারেশন এপিক ফিউরির সমর্থনে সক্রিয় ভূমিকা রেখে যাচ্ছে।
আইআরজিসির বিবৃতিতে জানানো হয়, উপসাগরে চলমান অভিযানের মধ্যেই মার্কিন বাহিনীর এই সর্ববৃহৎ রণতরীকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। তবে বিবৃতিতে নিহত বা আহতের সংখ্যা কিংবা ক্ষয়ক্ষতির কোনো বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনও জানায়, হামলার পর রণতরী এবং তার স্ট্রাইক গ্রুপকে দ্রুতগতিতে এলাকা ত্যাগ করতে দেখা গেছে। তবে সেখানেও ক্ষয়ক্ষতির স্পষ্ট তথ্য অনুপস্থিত।
এদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজ জানিয়েছে, একটি ইরানি জাহাজ আব্রাহাম লিংকনের কাছাকাছি চলে আসলে মার্কিন নৌবাহিনী সতর্কতামূলক গুলি ছোড়ে। তবে ইরানি জাহাজটি গুলিতে আঘাত পেয়েছে কিনা এবং ওই জাহাজের ক্রুদের পরিণতি কী হয়েছে, সে বিষয়ে এখনো কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
এটি অবশ্য এই রণতরীতে হামলার প্রথম দাবি নয়। এর আগেও আইআরজিসি একইভাবে আব্রাহাম লিংকনে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতের দাবি করেছিল। সেবার পেন্টাগন জানিয়েছিল, ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রগুলো রণতরীর ধারেকাছেও পৌঁছায়নি। বর্তমান পরিস্থিতিতেও দুই পক্ষের দাবির মধ্যে স্পষ্ট বৈপরীত্য থাকায় প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির চিত্র এখনো অস্পষ্ট রয়ে গেছে।

আপনার মতামত লিখুন