ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থাকে 'সন্ত্রাসী' আখ্যা দিয়ে দেশটিকে সবদিক থেকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেওয়ার কঠোর বার্তা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, সামরিক এবং অর্থনৈতিকসহ সম্ভাব্য সব উপায়ে ইরানের বিদ্যমান ব্যবস্থাকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনের এই সুযোগকে নিজের জন্য বড় সম্মান হিসেবে উল্লেখ করে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান গত ৪৭ বছর ধরে বিশ্বজুড়ে নিরীহ মানুষ হত্যার রাজনীতি চালিয়ে আসছে। নিউ ইয়র্ক টাইমসের একটি প্রতিবেদনের সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, ইরানের নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী বর্তমানে কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়েছে। তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা ধ্বংসের মুখে এবং দেশটির শীর্ষ নেতাদেরও এখন আর জনসমক্ষে দেখা যাচ্ছে না।
ফক্স নিউজকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এক চাঞ্চল্যকর দাবি তুলে ধরেন। তিনি জানান, গত সোমবার ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত হওয়া মোজতবা খামেনি হামলার প্রথম দিনেই আহত হয়েছিলেন। ট্রাম্পের ধারণা অনুযায়ী, মোজতবা খামেনি গুরুতর আহত অবস্থায় কোনোভাবে এখনো বেঁচে আছেন। নতুন ইরানি নেতার লিখিত বার্তা প্রকাশের পর এটিই মার্কিন প্রেসিডেন্টের পক্ষ থেকে আসা প্রথম সরাসরি প্রতিক্রিয়া।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট সতর্ক করে বলেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বর্তমানে অতুলনীয় সামরিক শক্তি ও সীমাহীন গোলাবারুদ রয়েছে এবং লক্ষ্য পূরণের জন্য তাদের হাতে পর্যাপ্ত সময়ও আছে। এমন এক সময়ে মোজতবা খামেনিকে সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে যখন তার শারীরিক সুস্থতা নিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে নানা জল্পনা ও বিতর্ক চলছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মার্চ ২০২৬
ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থাকে 'সন্ত্রাসী' আখ্যা দিয়ে দেশটিকে সবদিক থেকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেওয়ার কঠোর বার্তা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, সামরিক এবং অর্থনৈতিকসহ সম্ভাব্য সব উপায়ে ইরানের বিদ্যমান ব্যবস্থাকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনের এই সুযোগকে নিজের জন্য বড় সম্মান হিসেবে উল্লেখ করে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান গত ৪৭ বছর ধরে বিশ্বজুড়ে নিরীহ মানুষ হত্যার রাজনীতি চালিয়ে আসছে। নিউ ইয়র্ক টাইমসের একটি প্রতিবেদনের সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, ইরানের নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী বর্তমানে কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়েছে। তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা ধ্বংসের মুখে এবং দেশটির শীর্ষ নেতাদেরও এখন আর জনসমক্ষে দেখা যাচ্ছে না।
ফক্স নিউজকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এক চাঞ্চল্যকর দাবি তুলে ধরেন। তিনি জানান, গত সোমবার ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত হওয়া মোজতবা খামেনি হামলার প্রথম দিনেই আহত হয়েছিলেন। ট্রাম্পের ধারণা অনুযায়ী, মোজতবা খামেনি গুরুতর আহত অবস্থায় কোনোভাবে এখনো বেঁচে আছেন। নতুন ইরানি নেতার লিখিত বার্তা প্রকাশের পর এটিই মার্কিন প্রেসিডেন্টের পক্ষ থেকে আসা প্রথম সরাসরি প্রতিক্রিয়া।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট সতর্ক করে বলেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বর্তমানে অতুলনীয় সামরিক শক্তি ও সীমাহীন গোলাবারুদ রয়েছে এবং লক্ষ্য পূরণের জন্য তাদের হাতে পর্যাপ্ত সময়ও আছে। এমন এক সময়ে মোজতবা খামেনিকে সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে যখন তার শারীরিক সুস্থতা নিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে নানা জল্পনা ও বিতর্ক চলছে।

আপনার মতামত লিখুন