মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বিশ্বের ব্যস্ততম বিমানবন্দরগুলোর অন্যতম দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে পড়লে প্রতি মিনিটে প্রায় ১০ লাখ ডলার বা সাত লাখ পঞ্চাশ হাজার পাউন্ড আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে দুবাই। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল এই উদ্বেগজনক হিসাব তুলে ধরেছে তাদের এক বিশেষ প্রতিবেদনে।
প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়েছে, যদি বিমানবন্দরটি পূর্ণ একটি দিন, অর্থাৎ ২৪ ঘণ্টা বন্ধ থাকে, তাহলে সম্ভাব্য মোট ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়াবে প্রায় ১৪৪ কোটি ডলার বা ১০৭ কোটি পাউন্ডে। এই বিপুল অঙ্ক থেকেই স্পষ্ট হয়ে ওঠে দুবাইয়ের অর্থনীতিতে বিমানবন্দরটির কেন্দ্রীয় ভূমিকা কতটা গভীর।
দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর শুধু একটি দেশের প্রবেশপথ নয়, এটি মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ, এশিয়া ও আফ্রিকার মধ্যে যোগাযোগের অন্যতম প্রধান ট্রানজিট হাব। প্রতিদিন হাজারো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট এই বিমানবন্দর দিয়ে চলাচল করে এবং লক্ষাধিক যাত্রী এখান থেকে গন্তব্যে যাত্রা করেন। ফলে যুদ্ধজনিত যেকোনো নিরাপত্তা হুমকিতে এই বিমানবন্দরের কার্যক্রম বিঘ্নিত হলে তার প্রভাব শুধু সংযুক্ত আরব আমিরাতেই নয়, বিশ্বের বিমান পরিবহন ও বাণিজ্যে ব্যাপক ধাক্কা দেবে।
বাংলাদেশের জন্যও এই পরিস্থিতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মধ্যপ্রাচ্যগামী লাখো বাংলাদেশি কর্মী ও প্রবাসীদের একটি বড় অংশ দুবাই বিমানবন্দর হয়ে গন্তব্যে যাতায়াত করেন। ইতোমধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গত কয়েক সপ্তাহে চার শতাধিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। দুবাই বিমানবন্দর পুরোপুরি অচল হয়ে পড়লে এই সংকট আরও গভীর হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বিশ্বের ব্যস্ততম বিমানবন্দরগুলোর অন্যতম দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে পড়লে প্রতি মিনিটে প্রায় ১০ লাখ ডলার বা সাত লাখ পঞ্চাশ হাজার পাউন্ড আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে দুবাই। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল এই উদ্বেগজনক হিসাব তুলে ধরেছে তাদের এক বিশেষ প্রতিবেদনে।
প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়েছে, যদি বিমানবন্দরটি পূর্ণ একটি দিন, অর্থাৎ ২৪ ঘণ্টা বন্ধ থাকে, তাহলে সম্ভাব্য মোট ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়াবে প্রায় ১৪৪ কোটি ডলার বা ১০৭ কোটি পাউন্ডে। এই বিপুল অঙ্ক থেকেই স্পষ্ট হয়ে ওঠে দুবাইয়ের অর্থনীতিতে বিমানবন্দরটির কেন্দ্রীয় ভূমিকা কতটা গভীর।
দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর শুধু একটি দেশের প্রবেশপথ নয়, এটি মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ, এশিয়া ও আফ্রিকার মধ্যে যোগাযোগের অন্যতম প্রধান ট্রানজিট হাব। প্রতিদিন হাজারো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট এই বিমানবন্দর দিয়ে চলাচল করে এবং লক্ষাধিক যাত্রী এখান থেকে গন্তব্যে যাত্রা করেন। ফলে যুদ্ধজনিত যেকোনো নিরাপত্তা হুমকিতে এই বিমানবন্দরের কার্যক্রম বিঘ্নিত হলে তার প্রভাব শুধু সংযুক্ত আরব আমিরাতেই নয়, বিশ্বের বিমান পরিবহন ও বাণিজ্যে ব্যাপক ধাক্কা দেবে।
বাংলাদেশের জন্যও এই পরিস্থিতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মধ্যপ্রাচ্যগামী লাখো বাংলাদেশি কর্মী ও প্রবাসীদের একটি বড় অংশ দুবাই বিমানবন্দর হয়ে গন্তব্যে যাতায়াত করেন। ইতোমধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গত কয়েক সপ্তাহে চার শতাধিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। দুবাই বিমানবন্দর পুরোপুরি অচল হয়ে পড়লে এই সংকট আরও গভীর হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

আপনার মতামত লিখুন