মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট ঘনীভূত হওয়ার মধ্যে রাশিয়া স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে, রুশ তেল ছাড়া আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। দেশটির বিশেষ অর্থনৈতিক দূত কিরিল দিমিত্রিভ টেলিগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে এই মন্তব্য করেন।
দিমিত্রিভ বলেন, যুক্তরাষ্ট্র কার্যত একটি অস্বস্তিকর সত্যকেই স্বীকার করে নিচ্ছে। বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার স্থিতিশীল রাখতে রুশ তেলের কোনো বিকল্প নেই, এটাই বাস্তবতা।
চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সম্প্রতি একটি বিশেষ পদক্ষেপ নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। রাশিয়ার ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখেও সমুদ্রে ভাসমান জাহাজে থাকা রুশ অপরিশোধিত তেল ও পেট্রোলিয়াম পণ্য কেনার জন্য বিভিন্ন দেশকে ৩০ দিনের বিশেষ লাইসেন্স দিয়েছে মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ। মূলত আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির মূল্য ও সরবরাহ নিয়ন্ত্রণে রাখতেই এই অস্থায়ী ছাড়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ওয়াশিংটনের এই সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতেই মস্কোর এই প্রতিক্রিয়া এলো।
এর আগে গত ৫ মার্চ ভারতকে একই ধরনের ৩০ দিনের বিশেষ ছাড় দেয় মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ, যার ফলে সাগরে আটকে পড়া রুশ তেল কেনার সুযোগ পায় নয়াদিল্লি।
উল্লেখ্য, ইরান যুদ্ধের প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে চার বছরের সর্বোচ্চ রেকর্ড স্পর্শ করেছে। হরমুজ প্রণালি দিয়ে সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ায় বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে জ্বালানি সংকট তীব্র হয়ে উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে রাশিয়ার অবস্থান আরও কৌশলগত গুরুত্ব পাচ্ছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট ঘনীভূত হওয়ার মধ্যে রাশিয়া স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে, রুশ তেল ছাড়া আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। দেশটির বিশেষ অর্থনৈতিক দূত কিরিল দিমিত্রিভ টেলিগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে এই মন্তব্য করেন।
দিমিত্রিভ বলেন, যুক্তরাষ্ট্র কার্যত একটি অস্বস্তিকর সত্যকেই স্বীকার করে নিচ্ছে। বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার স্থিতিশীল রাখতে রুশ তেলের কোনো বিকল্প নেই, এটাই বাস্তবতা।
চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সম্প্রতি একটি বিশেষ পদক্ষেপ নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। রাশিয়ার ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখেও সমুদ্রে ভাসমান জাহাজে থাকা রুশ অপরিশোধিত তেল ও পেট্রোলিয়াম পণ্য কেনার জন্য বিভিন্ন দেশকে ৩০ দিনের বিশেষ লাইসেন্স দিয়েছে মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ। মূলত আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির মূল্য ও সরবরাহ নিয়ন্ত্রণে রাখতেই এই অস্থায়ী ছাড়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ওয়াশিংটনের এই সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতেই মস্কোর এই প্রতিক্রিয়া এলো।
এর আগে গত ৫ মার্চ ভারতকে একই ধরনের ৩০ দিনের বিশেষ ছাড় দেয় মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ, যার ফলে সাগরে আটকে পড়া রুশ তেল কেনার সুযোগ পায় নয়াদিল্লি।
উল্লেখ্য, ইরান যুদ্ধের প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে চার বছরের সর্বোচ্চ রেকর্ড স্পর্শ করেছে। হরমুজ প্রণালি দিয়ে সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ায় বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে জ্বালানি সংকট তীব্র হয়ে উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে রাশিয়ার অবস্থান আরও কৌশলগত গুরুত্ব পাচ্ছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

আপনার মতামত লিখুন