ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার হবিরবাড়ি ইউনিয়নের চেচুয়া মোড় এলাকায় অবস্থিত গ্লোবাল সুজ লিমিটেড কারখানায় বৃহস্পতিবার ১২ মার্চ ইফতারের খাবার খেয়ে বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে অন্তত ৪০ থেকে ৫০ জন শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। উপজেলার সিডস্টোর বাজারের খান হোটেল থেকে সরবরাহকৃত বিরিয়ানি খাওয়ার পরপরই শ্রমিকদের মধ্যে বমি, তীব্র পেটব্যথা ও মাথা ঘোরার উপসর্গ দেখা দেয় এবং অনেকে কারখানার ভেতরেই লুটিয়ে পড়েন।
কারখানা সূত্রে জানা গেছে যে ওই প্রতিষ্ঠানে প্রায় ১ হাজার ২০০ শ্রমিক কর্মরত রয়েছেন এবং রমজান উপলক্ষে প্রতিদিন তাদের ইফতারের ব্যবস্থা করা হয়। প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার ইফতারের জন্য বিরিয়ানি আনা হয়েছিল স্থানীয় খান হোটেল থেকে। কারখানার সুইং সেকশনের শ্রমিক ফাহাদ মিয়া জানান যে খাবার খাওয়ার মাত্র ৫ থেকে ১০ মিনিটের মাথায় সহকর্মীদের মধ্যে গণবমি শুরু হলে পুরো কারখানা এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
অসুস্থ শ্রমিকদের দ্রুত উদ্ধার করে প্রথমে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও স্থানীয় বিভিন্ন ক্লিনিকে নেওয়া হয়। কারখানার সুইং ইনচার্জ কামরুল ইসলাম জানান যে প্রাথমিক চিকিৎসায় অনেকের অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় বেশ কয়েকজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত ৯টা পর্যন্ত সরকারি হাসপাতালে অসুস্থ রোগীদের ভর্তির প্রক্রিয়া অব্যাহত ছিল।
স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন যে সরবরাহকৃত খাবারে কোনো ধরনের বিষক্রিয়া ছিল যার ফলে এত বিপুল সংখ্যক মানুষ একসঙ্গে আক্রান্ত হয়েছেন। এদিকে ঘটনার পরপরই স্থানীয় জনগণের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তসহ সিডস্টোর বাজারের খান হোটেলের মালিক ও ম্যানেজারকে দ্রুত গ্রেফতারের জোর দাবি জানিয়েছেন।
বর্তমানে কারখানার সাধারণ শ্রমিক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে। কারখানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে তারা অসুস্থ শ্রমিকদের সুচিকিৎসার বিষয়টিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে এবং খাদ্যের গুণগত মান নিয়ে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মার্চ ২০২৬
ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার হবিরবাড়ি ইউনিয়নের চেচুয়া মোড় এলাকায় অবস্থিত গ্লোবাল সুজ লিমিটেড কারখানায় বৃহস্পতিবার ১২ মার্চ ইফতারের খাবার খেয়ে বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে অন্তত ৪০ থেকে ৫০ জন শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। উপজেলার সিডস্টোর বাজারের খান হোটেল থেকে সরবরাহকৃত বিরিয়ানি খাওয়ার পরপরই শ্রমিকদের মধ্যে বমি, তীব্র পেটব্যথা ও মাথা ঘোরার উপসর্গ দেখা দেয় এবং অনেকে কারখানার ভেতরেই লুটিয়ে পড়েন।
কারখানা সূত্রে জানা গেছে যে ওই প্রতিষ্ঠানে প্রায় ১ হাজার ২০০ শ্রমিক কর্মরত রয়েছেন এবং রমজান উপলক্ষে প্রতিদিন তাদের ইফতারের ব্যবস্থা করা হয়। প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার ইফতারের জন্য বিরিয়ানি আনা হয়েছিল স্থানীয় খান হোটেল থেকে। কারখানার সুইং সেকশনের শ্রমিক ফাহাদ মিয়া জানান যে খাবার খাওয়ার মাত্র ৫ থেকে ১০ মিনিটের মাথায় সহকর্মীদের মধ্যে গণবমি শুরু হলে পুরো কারখানা এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
অসুস্থ শ্রমিকদের দ্রুত উদ্ধার করে প্রথমে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও স্থানীয় বিভিন্ন ক্লিনিকে নেওয়া হয়। কারখানার সুইং ইনচার্জ কামরুল ইসলাম জানান যে প্রাথমিক চিকিৎসায় অনেকের অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় বেশ কয়েকজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত ৯টা পর্যন্ত সরকারি হাসপাতালে অসুস্থ রোগীদের ভর্তির প্রক্রিয়া অব্যাহত ছিল।
স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন যে সরবরাহকৃত খাবারে কোনো ধরনের বিষক্রিয়া ছিল যার ফলে এত বিপুল সংখ্যক মানুষ একসঙ্গে আক্রান্ত হয়েছেন। এদিকে ঘটনার পরপরই স্থানীয় জনগণের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তসহ সিডস্টোর বাজারের খান হোটেলের মালিক ও ম্যানেজারকে দ্রুত গ্রেফতারের জোর দাবি জানিয়েছেন।
বর্তমানে কারখানার সাধারণ শ্রমিক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে। কারখানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে তারা অসুস্থ শ্রমিকদের সুচিকিৎসার বিষয়টিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে এবং খাদ্যের গুণগত মান নিয়ে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন