ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংহসহ দেশি ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের স্মরণে গভীর শোকপ্রকাশ করা হয়েছে। অধিবেশনের শুরুতেই স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে একটি শোকপ্রস্তাব উত্থাপন করা হয়, যেটি সংসদে একমতাভাবে গৃহীত হয়। এতে মনমোহন সিংহের নাম আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যিনি দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অঙ্গনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখে গেছেন।
সংসদ সদস্যরা মনমোহন সিংহের জীবন ও কর্মের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। তাঁরা বলেন, মনমোহন সিংহের নেতৃত্ব এবং নীতিনির্ধারক ভূমিকায় দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সামাজিক স্থিতিশীলতায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে, যা শুধু তাঁর দেশ ভারতের জন্যই নয়, অঞ্চলের জন্যও এক মহান দৃষ্টান্ত হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই অবদানকে সংসদ আন্তর্জাতিক মর্যাদায় স্বীকৃতি দেয়ার পাশাপাশি স্মরণ করে।
শোকপ্রস্তাবে এলাহাবাদ থেকে শুরু করে দিল্লি পর্যন্ত তাঁর নীতিনির্ধারক ও শিক্ষাবিদ হিসেবে থাকা সময়ের বিভিন্ন ভূমিকা তুলে ধরা হয়। ওই প্রস্তাবে মনমোহন সিংহের ব্যাখ্যাত অর্থনৈতিক, আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও শান্তি উদ্যোগে সংগঠিত কাজগুলো স্মরণীয় হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। সংসদ সদস্যরা বলেন, তাঁর জীবনকর্ম ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য শিক্ষা ও প্রেরণার উৎস হবে।
এ সময় উপস্থিত সংসদ সদস্যরা বলেন, শোকপ্রস্তাবটি গৃহীত হওয়া দেশের রাজনৈতিক ঐক্য ও আন্তর্জাতিক সম্প্রীতির প্রতীক হিসেবে গণ্য হবে। তারা বলেন, বিশিষ্ট ব্যক্তিদের স্মরণ করা কেবল তাদের প্রতি সম্মান প্রদর্শনই নয়; এটি অভিজ্ঞতা ও মানবিক মূল্যবোধের উচ্চ মাপকাঠিতে দাঁড়ানো একটি ঐতিহাসিক কর্ম।
সংসদ সদস্যদের সঙ্গে তাদের স্মৃতিচারণে মনমোহন সিংহের নীতি ও মূল্যবোধ, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে তাঁর অবদান সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনাও অনুষ্ঠিত হয়। তারা বলেন, মনমোহন সিংহের মতো নেতারা শুধু নিজের দেশে নয়, সমগ্র অঞ্চলে শান্তি ও সহযোগিতার মডেল হিসেবে বিবেচিত হবেন।
ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনের এই শোকপ্রস্তাব তাঁকে স্মরণ করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মৈত্রী ও রাজনৈতিক সম্পর্কের ভবিষ্যত উন্নয়নের ওপরই গুরুত্ব আরোপ করেছে এবং এটি বাংলাদেশের সংসদীয় ইতিহাসে একটি স্মরণীয় অধ্যায় হিসেবে যুক্ত হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মার্চ ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংহসহ দেশি ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের স্মরণে গভীর শোকপ্রকাশ করা হয়েছে। অধিবেশনের শুরুতেই স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে একটি শোকপ্রস্তাব উত্থাপন করা হয়, যেটি সংসদে একমতাভাবে গৃহীত হয়। এতে মনমোহন সিংহের নাম আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যিনি দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অঙ্গনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখে গেছেন।
সংসদ সদস্যরা মনমোহন সিংহের জীবন ও কর্মের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। তাঁরা বলেন, মনমোহন সিংহের নেতৃত্ব এবং নীতিনির্ধারক ভূমিকায় দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সামাজিক স্থিতিশীলতায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে, যা শুধু তাঁর দেশ ভারতের জন্যই নয়, অঞ্চলের জন্যও এক মহান দৃষ্টান্ত হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই অবদানকে সংসদ আন্তর্জাতিক মর্যাদায় স্বীকৃতি দেয়ার পাশাপাশি স্মরণ করে।
শোকপ্রস্তাবে এলাহাবাদ থেকে শুরু করে দিল্লি পর্যন্ত তাঁর নীতিনির্ধারক ও শিক্ষাবিদ হিসেবে থাকা সময়ের বিভিন্ন ভূমিকা তুলে ধরা হয়। ওই প্রস্তাবে মনমোহন সিংহের ব্যাখ্যাত অর্থনৈতিক, আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও শান্তি উদ্যোগে সংগঠিত কাজগুলো স্মরণীয় হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। সংসদ সদস্যরা বলেন, তাঁর জীবনকর্ম ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য শিক্ষা ও প্রেরণার উৎস হবে।
এ সময় উপস্থিত সংসদ সদস্যরা বলেন, শোকপ্রস্তাবটি গৃহীত হওয়া দেশের রাজনৈতিক ঐক্য ও আন্তর্জাতিক সম্প্রীতির প্রতীক হিসেবে গণ্য হবে। তারা বলেন, বিশিষ্ট ব্যক্তিদের স্মরণ করা কেবল তাদের প্রতি সম্মান প্রদর্শনই নয়; এটি অভিজ্ঞতা ও মানবিক মূল্যবোধের উচ্চ মাপকাঠিতে দাঁড়ানো একটি ঐতিহাসিক কর্ম।
সংসদ সদস্যদের সঙ্গে তাদের স্মৃতিচারণে মনমোহন সিংহের নীতি ও মূল্যবোধ, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে তাঁর অবদান সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনাও অনুষ্ঠিত হয়। তারা বলেন, মনমোহন সিংহের মতো নেতারা শুধু নিজের দেশে নয়, সমগ্র অঞ্চলে শান্তি ও সহযোগিতার মডেল হিসেবে বিবেচিত হবেন।
ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনের এই শোকপ্রস্তাব তাঁকে স্মরণ করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মৈত্রী ও রাজনৈতিক সম্পর্কের ভবিষ্যত উন্নয়নের ওপরই গুরুত্ব আরোপ করেছে এবং এটি বাংলাদেশের সংসদীয় ইতিহাসে একটি স্মরণীয় অধ্যায় হিসেবে যুক্ত হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন