ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

হিজবুল্লাহর ১৫০ রকেট, ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল; ভয়ংকর রাত দেখল ইসরায়েল


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১২ মার্চ ২০২৬

হিজবুল্লাহর ১৫০ রকেট, ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল; ভয়ংকর রাত দেখল ইসরায়েল
ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে আবারও উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করেছে। লেবাননভিত্তিক সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহ এক রাতেই প্রায় ১৫০টির বেশি রকেট ছুড়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েল। একই সময়ে ইসরায়েলের বিভিন্ন অঞ্চলের দিকে ব্যালিস্টিক মিসাইল নিক্ষেপের অভিযোগ উঠেছে Iran-এর বিরুদ্ধে। এতে রাতজুড়ে আতঙ্কে কাটিয়েছে ইসরায়েলের বিভিন্ন শহরের বাসিন্দারা।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর দাবি, উত্তর ইসরায়েলজুড়ে হিজবুল্লাহর রকেট হামলার কারণে একাধিক এলাকায় সতর্কতামূলক সাইরেন বেজে ওঠে। বাসিন্দাদের দ্রুত বাঙ্কার ও নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যেতে বলা হয়। দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আইরন ডোম অধিকাংশ রকেট ভূপাতিত করলেও কিছু রকেট খোলা এলাকায় আঘাত হেনেছে বলে জানা গেছে।

ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হামলার মূল লক্ষ্য ছিল সীমান্তবর্তী সামরিক ঘাঁটি ও নজরদারি পোস্ট। কিছু এলাকায় অগ্নিকাণ্ড এবং অবকাঠামোর ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। তবে বড় ধরনের প্রাণহানির খবর এখন পর্যন্ত নিশ্চিত করা হয়নি।

অন্যদিকে হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, গাজা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে তারা ইসরায়েলের সামরিক অবস্থান লক্ষ্য করে এই হামলা চালিয়েছে। সংগঠনটির দাবি, এটি তাদের “সমন্বিত প্রতিরোধ অভিযানের” অংশ।

এদিকে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে ইরান থেকে ব্যালিস্টিক মিসাইল ছোড়ার অভিযোগও উঠেছে। যদিও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানায়নি তেহরান। তবে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী জানিয়েছে, দূরপাল্লার কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়।

হামলার পরপরই ইসরায়েলি বিমান বাহিনী পাল্টা অভিযান শুরু করে। লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে হিজবুল্লাহর কয়েকটি অবস্থান লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে ইসরায়েল। এসব হামলায় অস্ত্রাগার, রকেট উৎক্ষেপণ কেন্দ্র ও সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, যদি ইরান সরাসরি এই সংঘাতে আরও সক্রিয়ভাবে জড়িয়ে পড়ে, তাহলে সংঘাত কেবল সীমান্তে সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং পুরো মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে বড় ধরনের আঞ্চলিক যুদ্ধের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে লেবানন সীমান্ত ও গাজা স্ট্রিপ কেন্দ্র করে পরিস্থিতি দ্রুত জটিল হয়ে উঠছে।

পরিস্থিতি সামাল দিতে আন্তর্জাতিক মহলও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। কূটনৈতিক পর্যায়ে উত্তেজনা কমানোর আহ্বান জানানো হলেও এখনো পর্যন্ত স্থায়ী কোনো সমাধানের ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


হিজবুল্লাহর ১৫০ রকেট, ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল; ভয়ংকর রাত দেখল ইসরায়েল

প্রকাশের তারিখ : ১২ মার্চ ২০২৬

featured Image

মধ্যপ্রাচ্যে আবারও উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করেছে। লেবাননভিত্তিক সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহ এক রাতেই প্রায় ১৫০টির বেশি রকেট ছুড়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েল। একই সময়ে ইসরায়েলের বিভিন্ন অঞ্চলের দিকে ব্যালিস্টিক মিসাইল নিক্ষেপের অভিযোগ উঠেছে Iran-এর বিরুদ্ধে। এতে রাতজুড়ে আতঙ্কে কাটিয়েছে ইসরায়েলের বিভিন্ন শহরের বাসিন্দারা।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর দাবি, উত্তর ইসরায়েলজুড়ে হিজবুল্লাহর রকেট হামলার কারণে একাধিক এলাকায় সতর্কতামূলক সাইরেন বেজে ওঠে। বাসিন্দাদের দ্রুত বাঙ্কার ও নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যেতে বলা হয়। দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আইরন ডোম অধিকাংশ রকেট ভূপাতিত করলেও কিছু রকেট খোলা এলাকায় আঘাত হেনেছে বলে জানা গেছে।

ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হামলার মূল লক্ষ্য ছিল সীমান্তবর্তী সামরিক ঘাঁটি ও নজরদারি পোস্ট। কিছু এলাকায় অগ্নিকাণ্ড এবং অবকাঠামোর ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। তবে বড় ধরনের প্রাণহানির খবর এখন পর্যন্ত নিশ্চিত করা হয়নি।

অন্যদিকে হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, গাজা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে তারা ইসরায়েলের সামরিক অবস্থান লক্ষ্য করে এই হামলা চালিয়েছে। সংগঠনটির দাবি, এটি তাদের “সমন্বিত প্রতিরোধ অভিযানের” অংশ।

এদিকে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে ইরান থেকে ব্যালিস্টিক মিসাইল ছোড়ার অভিযোগও উঠেছে। যদিও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানায়নি তেহরান। তবে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী জানিয়েছে, দূরপাল্লার কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়।

হামলার পরপরই ইসরায়েলি বিমান বাহিনী পাল্টা অভিযান শুরু করে। লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে হিজবুল্লাহর কয়েকটি অবস্থান লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে ইসরায়েল। এসব হামলায় অস্ত্রাগার, রকেট উৎক্ষেপণ কেন্দ্র ও সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, যদি ইরান সরাসরি এই সংঘাতে আরও সক্রিয়ভাবে জড়িয়ে পড়ে, তাহলে সংঘাত কেবল সীমান্তে সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং পুরো মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে বড় ধরনের আঞ্চলিক যুদ্ধের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে লেবানন সীমান্ত ও গাজা স্ট্রিপ কেন্দ্র করে পরিস্থিতি দ্রুত জটিল হয়ে উঠছে।

পরিস্থিতি সামাল দিতে আন্তর্জাতিক মহলও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। কূটনৈতিক পর্যায়ে উত্তেজনা কমানোর আহ্বান জানানো হলেও এখনো পর্যন্ত স্থায়ী কোনো সমাধানের ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ