লন্ডনভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন কেইজ ইন্টারন্যাশনালের প্রণীত প্রতিবেদন 'আউট অব দ্য শ্যাডো অব হাসিনা' উপস্থাপন ও পর্যালোচনা উপলক্ষে মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাজধানীর পুরানা পল্টনের ডিসিসি হলে একটি বিশেষ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইনসাফের আয়োজনে বিকাল ৩টা থেকে ইফতার পর্যন্ত চলা এই সভায় হাসিনা সরকারের দুঃশাসনের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
সভায় রাজধানীর বিভিন্ন মহলের আলেম, বুদ্ধিজীবী, গবেষক, রাজনীতিবিদ ও সচেতন নাগরিকরা অংশ নেন। অনলাইনে যুক্ত হন কেইজ ইন্টারন্যাশনালের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মুহাম্মাদ রাব্বানী। তিনি প্রতিবেদনটির প্রেক্ষাপট ও আন্তর্জাতিক গুরুত্ব বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন।
প্রতিবেদনের ওপর বিস্তারিত বক্তব্য রাখেন লেখক ও অ্যাক্টিভিস্ট শায়খ আহমাদ রফিক, লেখক ও চিন্তক আসিফ আদনান, কাউন্সিল অ্যাগেইনস্ট ইনজাস্টিসের প্রধান শের মুহাম্মাদ এবং গুমের শিকার মাসরুর আনওয়ার চৌধুরী। এ ছাড়া বক্তব্য রাখেন খেলাফত আন্দোলনের একাংশের মহাসচিব মুফতি ফখরুল ইসলাম, হেফাজতে ইসলামের সহ-প্রচার সম্পাদক মুফতি শরিফুল্লাহ, জাতীয় লেখক পরিষদের সভাপতি সৈয়দ শামসুল হুদা, জমিয়তের প্রচার সম্পাদক মুফতি ইমরানুল বারী সিরাজী, বরখাস্ত লেফটেন্যান্ট ইনতিশার ইনজেমাম, বৈষম্যহীন কারামুক্তি আন্দোলনের সেক্রেটারি শফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ ইসলামিক চেম্বার অব কমার্সের সেক্রেটারি মোফাজ্জল ইবনে মাহফুজ, এনসিপি নেতা সানাউল্লাহ খান এবং সংবাদ উপস্থাপক সালিহিন কাদির ও আরাফাত তানভীরসহ আরও অনেকে।
সভায় প্রতিবেদনের বিভিন্ন দিক, হাসিনা শাসনামলে সংঘটিত মানবাধিকার লঙ্ঘন, গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যার ব্যাপক প্রভাব এবং দেশীয় পরিসরে প্রতিবেদনটির প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে গভীর আলোচনা হয়। বক্তারা বলেন, কেইজ ইন্টারন্যাশনালের এই প্রতিবেদন হাসিনা সরকারের দমনপীড়নের আন্তর্জাতিক দলিল হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং জবাবদিহিতার প্রশ্নে বিশ্ব সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণে সহায়ক হবে।

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মার্চ ২০২৬
লন্ডনভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন কেইজ ইন্টারন্যাশনালের প্রণীত প্রতিবেদন 'আউট অব দ্য শ্যাডো অব হাসিনা' উপস্থাপন ও পর্যালোচনা উপলক্ষে মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাজধানীর পুরানা পল্টনের ডিসিসি হলে একটি বিশেষ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইনসাফের আয়োজনে বিকাল ৩টা থেকে ইফতার পর্যন্ত চলা এই সভায় হাসিনা সরকারের দুঃশাসনের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
সভায় রাজধানীর বিভিন্ন মহলের আলেম, বুদ্ধিজীবী, গবেষক, রাজনীতিবিদ ও সচেতন নাগরিকরা অংশ নেন। অনলাইনে যুক্ত হন কেইজ ইন্টারন্যাশনালের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মুহাম্মাদ রাব্বানী। তিনি প্রতিবেদনটির প্রেক্ষাপট ও আন্তর্জাতিক গুরুত্ব বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন।
প্রতিবেদনের ওপর বিস্তারিত বক্তব্য রাখেন লেখক ও অ্যাক্টিভিস্ট শায়খ আহমাদ রফিক, লেখক ও চিন্তক আসিফ আদনান, কাউন্সিল অ্যাগেইনস্ট ইনজাস্টিসের প্রধান শের মুহাম্মাদ এবং গুমের শিকার মাসরুর আনওয়ার চৌধুরী। এ ছাড়া বক্তব্য রাখেন খেলাফত আন্দোলনের একাংশের মহাসচিব মুফতি ফখরুল ইসলাম, হেফাজতে ইসলামের সহ-প্রচার সম্পাদক মুফতি শরিফুল্লাহ, জাতীয় লেখক পরিষদের সভাপতি সৈয়দ শামসুল হুদা, জমিয়তের প্রচার সম্পাদক মুফতি ইমরানুল বারী সিরাজী, বরখাস্ত লেফটেন্যান্ট ইনতিশার ইনজেমাম, বৈষম্যহীন কারামুক্তি আন্দোলনের সেক্রেটারি শফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ ইসলামিক চেম্বার অব কমার্সের সেক্রেটারি মোফাজ্জল ইবনে মাহফুজ, এনসিপি নেতা সানাউল্লাহ খান এবং সংবাদ উপস্থাপক সালিহিন কাদির ও আরাফাত তানভীরসহ আরও অনেকে।
সভায় প্রতিবেদনের বিভিন্ন দিক, হাসিনা শাসনামলে সংঘটিত মানবাধিকার লঙ্ঘন, গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যার ব্যাপক প্রভাব এবং দেশীয় পরিসরে প্রতিবেদনটির প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে গভীর আলোচনা হয়। বক্তারা বলেন, কেইজ ইন্টারন্যাশনালের এই প্রতিবেদন হাসিনা সরকারের দমনপীড়নের আন্তর্জাতিক দলিল হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং জবাবদিহিতার প্রশ্নে বিশ্ব সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণে সহায়ক হবে।

আপনার মতামত লিখুন