যুদ্ধ বন্ধ করতে তিনটি সুনির্দিষ্ট শর্ত আরোপ করেছে ইরান। দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বুধবার সামাজিক মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এই শর্তগুলো স্পষ্টভাবে তুলে ধরেন।
ইরানের শর্ত তিনটি হলো, তেহরানের বৈধ অধিকারের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি, যুদ্ধে সংঘটিত ক্ষয়ক্ষতির জন্য যথাযথ ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং ভবিষ্যতে যেকোনো আগ্রাসন থেকে ইরানকে রক্ষার জন্য দৃঢ় আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা নিশ্চয়তা। প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান জানিয়েছেন, এই তিনটি শর্ত পূরণ না হলে ইরানের পক্ষে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়া সম্ভব নয়।
ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে কূটনৈতিক তৎপরতাও জোরদার করেছেন ইরানি প্রেসিডেন্ট। এর অংশ হিসেবে রাশিয়া ও পাকিস্তানের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন তিনি এবং আঞ্চলিক অংশীদারদের কাছে ইরানের অবস্থান স্পষ্ট করে তুলে ধরেছেন।
অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একেবারে ভিন্ন সুরে কথা বলেছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প দাবি করেন, যুদ্ধ শিগগিরই শেষ হবে এবং ইরানে আঘাত করার মতো আর তেমন কিছুই অবশিষ্ট নেই। তিনি আরও বলেন, তিনি যখনই চাইবেন তখনই এই যুদ্ধের ইতি টানা সম্ভব হবে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দুই পক্ষের বক্তব্যে এই বিস্তর ফারাক আপাতত শান্তি আলোচনার পথকে জটিল করে তুলছে। ইরান যেখানে মর্যাদা ও ক্ষতিপূরণের প্রশ্নে অনড়, সেখানে যুক্তরাষ্ট্র একতরফা বিজয়ের ভাষায় কথা বলছে। দুই পক্ষের অবস্থানের এই দূরত্ব ঘোচাতে না পারলে যুদ্ধ সহসা থামার সম্ভাবনা কম বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মার্চ ২০২৬
যুদ্ধ বন্ধ করতে তিনটি সুনির্দিষ্ট শর্ত আরোপ করেছে ইরান। দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বুধবার সামাজিক মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এই শর্তগুলো স্পষ্টভাবে তুলে ধরেন।
ইরানের শর্ত তিনটি হলো, তেহরানের বৈধ অধিকারের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি, যুদ্ধে সংঘটিত ক্ষয়ক্ষতির জন্য যথাযথ ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং ভবিষ্যতে যেকোনো আগ্রাসন থেকে ইরানকে রক্ষার জন্য দৃঢ় আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা নিশ্চয়তা। প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান জানিয়েছেন, এই তিনটি শর্ত পূরণ না হলে ইরানের পক্ষে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়া সম্ভব নয়।
ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে কূটনৈতিক তৎপরতাও জোরদার করেছেন ইরানি প্রেসিডেন্ট। এর অংশ হিসেবে রাশিয়া ও পাকিস্তানের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন তিনি এবং আঞ্চলিক অংশীদারদের কাছে ইরানের অবস্থান স্পষ্ট করে তুলে ধরেছেন।
অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একেবারে ভিন্ন সুরে কথা বলেছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প দাবি করেন, যুদ্ধ শিগগিরই শেষ হবে এবং ইরানে আঘাত করার মতো আর তেমন কিছুই অবশিষ্ট নেই। তিনি আরও বলেন, তিনি যখনই চাইবেন তখনই এই যুদ্ধের ইতি টানা সম্ভব হবে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দুই পক্ষের বক্তব্যে এই বিস্তর ফারাক আপাতত শান্তি আলোচনার পথকে জটিল করে তুলছে। ইরান যেখানে মর্যাদা ও ক্ষতিপূরণের প্রশ্নে অনড়, সেখানে যুক্তরাষ্ট্র একতরফা বিজয়ের ভাষায় কথা বলছে। দুই পক্ষের অবস্থানের এই দূরত্ব ঘোচাতে না পারলে যুদ্ধ সহসা থামার সম্ভাবনা কম বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

আপনার মতামত লিখুন