ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে একটি স্কুলে ভয়াবহ হামলার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততার ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএর সাবেক পরিচালক ও মার্কিন কেন্দ্রীয় কমান্ডের সাবেক প্রধান জেনারেল ডেভিড পেট্রাউস। তিনি বলেছেন, দুঃখজনক হলেও সম্ভবত এই হামলায় যুক্তরাষ্ট্রই দায়ী এবং এই অভিযানে টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে।
জেনারেল পেট্রাউস স্বীকার করেন যে তদন্তের সময় পর্যালোচনা করা সরাসরি তথ্যপ্রমাণ তিনি নিজে দেখেননি। তবু তিনি বলেন, তার দৃঢ় বিশ্বাস এই হামলার পেছনে যুক্তরাষ্ট্র ছিল। তার মতে, সম্ভবত পুরনো গোয়েন্দা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছিল। ওই ভবনটি কয়েক বছর আগে একটি বৃহত্তর ইরানি নৌ-কমপ্লেক্সের অংশ ছিল বলে পুরনো রেকর্ডে উল্লেখ থাকতে পারে, যা হামলার লক্ষ্য নির্ধারণে ব্যবহৃত হয়েছে বলে তিনি অনুমান করেন।
বিবিসির মার্কিন সম্প্রচার অংশীদার সিবিএস নিউজ জানিয়েছে, প্রাথমিক মূল্যায়নেও এই হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। তবে সিবিএস স্পষ্ট করে বলেছে, হামলাটি ইচ্ছাকৃত ছিল না, বরং ভুল লক্ষ্যে অস্ত্র নিক্ষেপের কারণে এই মর্মান্তিক পরিণতি হয়েছে। অর্থাৎ এটি একটি ভুল হামলা হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে, যা যুদ্ধে অনেক সময় ঘটে থাকে।
ঘটনাটি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। একটি বিদ্যালয়ে এই ধরনের হামলা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ইরান ইতোমধ্যে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে এবং আন্তর্জাতিক তদন্তের দাবি জানিয়েছে। চলমান ইরান-ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধে এই স্বীকারোক্তি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে এবং ওয়াশিংটনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক চাপ নতুন মাত্রায় পৌঁছেছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মার্চ ২০২৬
ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে একটি স্কুলে ভয়াবহ হামলার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততার ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএর সাবেক পরিচালক ও মার্কিন কেন্দ্রীয় কমান্ডের সাবেক প্রধান জেনারেল ডেভিড পেট্রাউস। তিনি বলেছেন, দুঃখজনক হলেও সম্ভবত এই হামলায় যুক্তরাষ্ট্রই দায়ী এবং এই অভিযানে টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে।
জেনারেল পেট্রাউস স্বীকার করেন যে তদন্তের সময় পর্যালোচনা করা সরাসরি তথ্যপ্রমাণ তিনি নিজে দেখেননি। তবু তিনি বলেন, তার দৃঢ় বিশ্বাস এই হামলার পেছনে যুক্তরাষ্ট্র ছিল। তার মতে, সম্ভবত পুরনো গোয়েন্দা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছিল। ওই ভবনটি কয়েক বছর আগে একটি বৃহত্তর ইরানি নৌ-কমপ্লেক্সের অংশ ছিল বলে পুরনো রেকর্ডে উল্লেখ থাকতে পারে, যা হামলার লক্ষ্য নির্ধারণে ব্যবহৃত হয়েছে বলে তিনি অনুমান করেন।
বিবিসির মার্কিন সম্প্রচার অংশীদার সিবিএস নিউজ জানিয়েছে, প্রাথমিক মূল্যায়নেও এই হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। তবে সিবিএস স্পষ্ট করে বলেছে, হামলাটি ইচ্ছাকৃত ছিল না, বরং ভুল লক্ষ্যে অস্ত্র নিক্ষেপের কারণে এই মর্মান্তিক পরিণতি হয়েছে। অর্থাৎ এটি একটি ভুল হামলা হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে, যা যুদ্ধে অনেক সময় ঘটে থাকে।
ঘটনাটি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। একটি বিদ্যালয়ে এই ধরনের হামলা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ইরান ইতোমধ্যে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে এবং আন্তর্জাতিক তদন্তের দাবি জানিয়েছে। চলমান ইরান-ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধে এই স্বীকারোক্তি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে এবং ওয়াশিংটনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক চাপ নতুন মাত্রায় পৌঁছেছে।

আপনার মতামত লিখুন