বাগেরহাটে পরিবেশ অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগীয় কার্যালয় বুধবার (১১ মার্চ) বিকেলে এক বিশেষ অভিযান চালিয়ে সাতটি অবৈধ ইটভাটার প্রায় চার লক্ষ কাঁচা ইট ধ্বংস করেছে। সদর উপজেলার বাবুরহাট ও সাতগাছিয়া এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়। পরিবেশ বিধিনিষেধ অমান্য করে গড়ে ওঠা এই ভাটাগুলোর ইট পানি দিয়ে ভিজিয়ে এবং ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
পরিবেশ অধিদপ্তর খুলনা কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মমতাজ বেগমের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হলেও ঘটনাস্থলে কোনো ভাটার মালিককে পাওয়া যায়নি। ফলে তাৎক্ষণিকভাবে কাউকে আটক বা জরিমানা করা সম্ভব হয়নি। অভিযানে সহায়তা করেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা।
বাগেরহাট জেলা পরিবেশ কার্যালয়ের উপপরিচালক আসাদুর রহমান জানান, ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন এবং বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অমান্য করে এই পাজা পদ্ধতির ভাটাগুলো পরিচালিত হচ্ছিল। বিশেষ করে নিষিদ্ধ জ্বালানি কাঠ ব্যবহার এবং কোনো ধরনের পরিবেশগত ছাড়পত্র না থাকায় এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
অভিযানে অন্যান্যের মধ্যে পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক দেলোয়ার হোসেন এবং বাগেরহাট ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার শেখ মামুনুর রশীদ উপস্থিত ছিলেন। জেলা পরিবেশ কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে যে, পরিবেশ সুরক্ষার স্বার্থে অবৈধ ইটভাটা বন্ধে এই ধরনের অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মার্চ ২০২৬
বাগেরহাটে পরিবেশ অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগীয় কার্যালয় বুধবার (১১ মার্চ) বিকেলে এক বিশেষ অভিযান চালিয়ে সাতটি অবৈধ ইটভাটার প্রায় চার লক্ষ কাঁচা ইট ধ্বংস করেছে। সদর উপজেলার বাবুরহাট ও সাতগাছিয়া এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়। পরিবেশ বিধিনিষেধ অমান্য করে গড়ে ওঠা এই ভাটাগুলোর ইট পানি দিয়ে ভিজিয়ে এবং ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
পরিবেশ অধিদপ্তর খুলনা কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মমতাজ বেগমের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হলেও ঘটনাস্থলে কোনো ভাটার মালিককে পাওয়া যায়নি। ফলে তাৎক্ষণিকভাবে কাউকে আটক বা জরিমানা করা সম্ভব হয়নি। অভিযানে সহায়তা করেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা।
বাগেরহাট জেলা পরিবেশ কার্যালয়ের উপপরিচালক আসাদুর রহমান জানান, ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন এবং বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অমান্য করে এই পাজা পদ্ধতির ভাটাগুলো পরিচালিত হচ্ছিল। বিশেষ করে নিষিদ্ধ জ্বালানি কাঠ ব্যবহার এবং কোনো ধরনের পরিবেশগত ছাড়পত্র না থাকায় এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
অভিযানে অন্যান্যের মধ্যে পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক দেলোয়ার হোসেন এবং বাগেরহাট ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার শেখ মামুনুর রশীদ উপস্থিত ছিলেন। জেলা পরিবেশ কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে যে, পরিবেশ সুরক্ষার স্বার্থে অবৈধ ইটভাটা বন্ধে এই ধরনের অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন