জামালপুর সদর উপজেলায় স্বামীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে রেখে এক গৃহবধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণের পৈশাচিক ঘটনায় তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার (১১ মার্চ) দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মুহাম্মদ আবদুর রহিম এই চাঞ্চল্যকর মামলার রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি দণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেক আসামিকে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন সদর উপজেলার পাকুল্লা মধ্যপাড়া গ্রামের ফারুক হোসেন, মনসুর আলী ও ফেরদৌস হোসেন। মামলার শুরু থেকেই আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের অনুপস্থিতিতেই আদালত এই রায় প্রদান করেন। অন্যদিকে, অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় জাহিদুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে মামলা থেকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।
আদালত ও মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০২৩ সালের ১৯ জুলাই রাতে ওই গৃহবধূ ও তার স্বামী ব্যবসায়িক কাজ শেষে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে মেছেরচোরা মোড়ে পৌঁছালে অভিযুক্তরা তাদের গতিরোধ করে। এরপর তারা স্বামীকে একটি গাছের সঙ্গে বেঁধে রেখে ওই গৃহবধূকে তুলে নিয়ে গিয়ে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে। ঘটনার পরদিন ভুক্তভোগী নারী নিজেই বাদী হয়ে জামালপুর সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পুলিশ তদন্ত শেষে ২০২৪ সালের ৬ জুন আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) অ্যাডভোকেট ফজলুল হক জানান, মামলায় ভুক্তভোগী গৃহবধূসহ মোট চারজন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। সাক্ষ্যপ্রমাণ ও দালিলিক তথ্যাদি পর্যালোচনায় অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় এই কঠোরতম সাজা প্রদান করেন।
রায় ঘোষণার পর পিপি আরও সন্তুষ্টি প্রকাশ করে বলেন যে, এই দৃষ্টান্তমূলক রায় সমাজে অপরাধীদের জন্য একটি কড়া বার্তা দেবে। পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে আদালত সূত্রে জানানো হয়েছে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মার্চ ২০২৬
জামালপুর সদর উপজেলায় স্বামীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে রেখে এক গৃহবধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণের পৈশাচিক ঘটনায় তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার (১১ মার্চ) দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মুহাম্মদ আবদুর রহিম এই চাঞ্চল্যকর মামলার রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি দণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেক আসামিকে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন সদর উপজেলার পাকুল্লা মধ্যপাড়া গ্রামের ফারুক হোসেন, মনসুর আলী ও ফেরদৌস হোসেন। মামলার শুরু থেকেই আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের অনুপস্থিতিতেই আদালত এই রায় প্রদান করেন। অন্যদিকে, অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় জাহিদুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে মামলা থেকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।
আদালত ও মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০২৩ সালের ১৯ জুলাই রাতে ওই গৃহবধূ ও তার স্বামী ব্যবসায়িক কাজ শেষে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে মেছেরচোরা মোড়ে পৌঁছালে অভিযুক্তরা তাদের গতিরোধ করে। এরপর তারা স্বামীকে একটি গাছের সঙ্গে বেঁধে রেখে ওই গৃহবধূকে তুলে নিয়ে গিয়ে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে। ঘটনার পরদিন ভুক্তভোগী নারী নিজেই বাদী হয়ে জামালপুর সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পুলিশ তদন্ত শেষে ২০২৪ সালের ৬ জুন আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) অ্যাডভোকেট ফজলুল হক জানান, মামলায় ভুক্তভোগী গৃহবধূসহ মোট চারজন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। সাক্ষ্যপ্রমাণ ও দালিলিক তথ্যাদি পর্যালোচনায় অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় এই কঠোরতম সাজা প্রদান করেন।
রায় ঘোষণার পর পিপি আরও সন্তুষ্টি প্রকাশ করে বলেন যে, এই দৃষ্টান্তমূলক রায় সমাজে অপরাধীদের জন্য একটি কড়া বার্তা দেবে। পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে আদালত সূত্রে জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন