উন্নত চিকিৎসার জন্য বড় কোনো বেসরকারি ক্লিনিকে না গিয়ে নিজ এলাকার সরকারি হাসপাতালেই সাধারণ রোগীর মতো ভর্তি হয়ে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন নওগাঁ-২ আসনের সংসদ সদস্য প্রকৌশলী এনামুল হক। সোমবার (৯ মার্চ) সকালে অসুস্থতাবোধ করায় তিনি ধামইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শরণাপন্ন হন এবং সাধারণ রোগীদের জন্য বরাদ্দ খাবার গ্রহণ করে রাষ্ট্রীয় স্বাস্থ্যসেবার ওপর নিজের আস্থার প্রতিফলন ঘটান।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, হঠাৎ উচ্চ রক্তচাপ, মাথা ঘোরা ও বমি বমি ভাব দেখা দিলে সংসদ সদস্য এনামুল হক জরুরি বিভাগে আসেন। সেখানে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আশীষ কুমার, আরএমও জহরুল ইসলাম এবং ডা. আশিকুর রহমানের সরাসরি তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা শুরু হয়। কোনো বিশেষ সুবিধা বা কেবিনের দাবি না জানিয়ে তিনি সাধারণ বেডেই অবস্থান করেন এবং হাসপাতালের মান যাচাইয়ের উদ্দেশ্যে রোগীদের জন্য সরবরাহ করা নিয়মিত খাবার খান।
নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে প্রকৌশলী এনামুল হক জানান, সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসায় তিনি অত্যন্ত সন্তুষ্ট এবং দ্রুত সুস্থতা বোধ করছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, তার স্ত্রীও হৃদরোগের চিকিৎসার জন্য এই হাসপাতালের ওপরই ভরসা রাখেন। চিকিৎসা শেষে তিনি বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে সাধারণ রোগীদের খোঁজখবর নেন এবং সীমান্তঘেরা এই জনপদে চিকিৎসকদের সেবা দেওয়ার চ্যালেঞ্জগুলো বোঝার চেষ্টা করেন। অনেক চিকিৎসক প্রত্যন্ত অঞ্চলে থাকতে অনীহা দেখালেও রোগীদের উচিত হবে তাদের সঙ্গে ভালো আচরণ করা বলে তিনি মন্তব্য করেন।
ধামইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আশীষ কুমার এশিয়া পোস্টকে বলেন, সোমবার সকালে ভর্তির পর প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা নিয়ে দুপুর নাগাদ সুস্থ হয়ে বাড়িতে ফিরে যান এমপি এনামুল হক। বর্তমানে তিনি পুরোপুরি সুস্থ আছেন এবং সংসদ অধিবেশনে যোগ দিতে ঢাকায় অবস্থান করছেন। চিকিৎসকদের মতে, একজন জনপ্রতিনিধির এমন সাদামাটা ও অনুকরণীয় আচরণ সাধারণ মানুষের মধ্যে সরকারি স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে ইতিবাচক মনোভাব তৈরি করবে।
ধামইরহাট-পত্নীতলা এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারা এমপির এই পদক্ষেপের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। প্রকৌশলী এনামুল হক আশ্বস্ত করেছেন যে, আগামী দিনে এই অঞ্চলে আরও উন্নত ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাবেন। সরকারি প্রতিষ্ঠানের ওপর জনপ্রতিনিধিদের এমন আস্থা তৃণমূল পর্যায়ে সেবার মান নিশ্চিত করতে বড় ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মার্চ ২০২৬
উন্নত চিকিৎসার জন্য বড় কোনো বেসরকারি ক্লিনিকে না গিয়ে নিজ এলাকার সরকারি হাসপাতালেই সাধারণ রোগীর মতো ভর্তি হয়ে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন নওগাঁ-২ আসনের সংসদ সদস্য প্রকৌশলী এনামুল হক। সোমবার (৯ মার্চ) সকালে অসুস্থতাবোধ করায় তিনি ধামইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শরণাপন্ন হন এবং সাধারণ রোগীদের জন্য বরাদ্দ খাবার গ্রহণ করে রাষ্ট্রীয় স্বাস্থ্যসেবার ওপর নিজের আস্থার প্রতিফলন ঘটান।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, হঠাৎ উচ্চ রক্তচাপ, মাথা ঘোরা ও বমি বমি ভাব দেখা দিলে সংসদ সদস্য এনামুল হক জরুরি বিভাগে আসেন। সেখানে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আশীষ কুমার, আরএমও জহরুল ইসলাম এবং ডা. আশিকুর রহমানের সরাসরি তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা শুরু হয়। কোনো বিশেষ সুবিধা বা কেবিনের দাবি না জানিয়ে তিনি সাধারণ বেডেই অবস্থান করেন এবং হাসপাতালের মান যাচাইয়ের উদ্দেশ্যে রোগীদের জন্য সরবরাহ করা নিয়মিত খাবার খান।
নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে প্রকৌশলী এনামুল হক জানান, সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসায় তিনি অত্যন্ত সন্তুষ্ট এবং দ্রুত সুস্থতা বোধ করছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, তার স্ত্রীও হৃদরোগের চিকিৎসার জন্য এই হাসপাতালের ওপরই ভরসা রাখেন। চিকিৎসা শেষে তিনি বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে সাধারণ রোগীদের খোঁজখবর নেন এবং সীমান্তঘেরা এই জনপদে চিকিৎসকদের সেবা দেওয়ার চ্যালেঞ্জগুলো বোঝার চেষ্টা করেন। অনেক চিকিৎসক প্রত্যন্ত অঞ্চলে থাকতে অনীহা দেখালেও রোগীদের উচিত হবে তাদের সঙ্গে ভালো আচরণ করা বলে তিনি মন্তব্য করেন।
ধামইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আশীষ কুমার এশিয়া পোস্টকে বলেন, সোমবার সকালে ভর্তির পর প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা নিয়ে দুপুর নাগাদ সুস্থ হয়ে বাড়িতে ফিরে যান এমপি এনামুল হক। বর্তমানে তিনি পুরোপুরি সুস্থ আছেন এবং সংসদ অধিবেশনে যোগ দিতে ঢাকায় অবস্থান করছেন। চিকিৎসকদের মতে, একজন জনপ্রতিনিধির এমন সাদামাটা ও অনুকরণীয় আচরণ সাধারণ মানুষের মধ্যে সরকারি স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে ইতিবাচক মনোভাব তৈরি করবে।
ধামইরহাট-পত্নীতলা এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারা এমপির এই পদক্ষেপের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। প্রকৌশলী এনামুল হক আশ্বস্ত করেছেন যে, আগামী দিনে এই অঞ্চলে আরও উন্নত ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাবেন। সরকারি প্রতিষ্ঠানের ওপর জনপ্রতিনিধিদের এমন আস্থা তৃণমূল পর্যায়ে সেবার মান নিশ্চিত করতে বড় ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন