ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল সংঘাত এবার আর্থিক অবকাঠামোতেও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বুধবার ইরানের একটি ব্যাংকে হামলার পর দেশটির সামরিক বাহিনী মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল-সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পাল্টা হামলার সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
ইরানের খাতাম আল-আনবিয়া যৌথ কমান্ডের মুখপাত্র ইব্রাহিম জুলফিকারি এক বিবৃতিতে বলেছেন, শত্রুরা ইরানের একটি ব্যাংকে হামলা চালিয়ে এই অঞ্চলে তাদের নিজস্ব অর্থনৈতিক স্বার্থ ও ব্যাংকগুলোকে বিপদে ফেলেছে। তিনি বলেন, ব্যর্থ অভিযানের পর মার্কিন সেনাবাহিনী ও ইসরাইল ইরানের একটি ব্যাংককে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে, যা সম্পূর্ণ অবৈধ এবং নজিরবিহীন। এই কর্মকাণ্ড ইরানকে পাল্টা পদক্ষেপ নিতে বাধ্য করছে।
জুলফিকারি স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছেন, ইরান এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অর্থনৈতিক কেন্দ্র ও ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানে হামলা চালাবে। একই সঙ্গে তিনি মধ্যপ্রাচ্যের সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের সতর্ক করে দিয়েছেন, এই অঞ্চলে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র-সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
এর আগে একই দিনে আইআরজিসি-সংশ্লিষ্ট তাসনিম নিউজ গুগল, মাইক্রোসফট, প্যালান্টির, আইবিএম, এনভিডিয়া ও ওরাকলসহ বড় মার্কিন প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোকে 'বৈধ লক্ষ্যবস্তু' হিসেবে চিহ্নিত করে একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। অর্থাৎ একই দিনে ইরান একদিকে প্রযুক্তি অবকাঠামো, অন্যদিকে আর্থিক প্রতিষ্ঠানে হামলার হুমকি দিয়ে যুদ্ধের পরিধি ব্যাপকভাবে বিস্তৃত করার ইঙ্গিত দিল। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই দুটি হুঁশিয়ারি একত্রে দেখলে স্পষ্ট যে ইরান এখন সামরিক লক্ষ্যবস্তুর বাইরে গিয়ে অর্থনৈতিক ও ডিজিটাল অবকাঠামোকে যুদ্ধের নতুন ক্ষেত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাইছে। এই পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যে ব্যবসারত আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য গভীর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মার্চ ২০২৬
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল সংঘাত এবার আর্থিক অবকাঠামোতেও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বুধবার ইরানের একটি ব্যাংকে হামলার পর দেশটির সামরিক বাহিনী মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল-সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পাল্টা হামলার সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
ইরানের খাতাম আল-আনবিয়া যৌথ কমান্ডের মুখপাত্র ইব্রাহিম জুলফিকারি এক বিবৃতিতে বলেছেন, শত্রুরা ইরানের একটি ব্যাংকে হামলা চালিয়ে এই অঞ্চলে তাদের নিজস্ব অর্থনৈতিক স্বার্থ ও ব্যাংকগুলোকে বিপদে ফেলেছে। তিনি বলেন, ব্যর্থ অভিযানের পর মার্কিন সেনাবাহিনী ও ইসরাইল ইরানের একটি ব্যাংককে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে, যা সম্পূর্ণ অবৈধ এবং নজিরবিহীন। এই কর্মকাণ্ড ইরানকে পাল্টা পদক্ষেপ নিতে বাধ্য করছে।
জুলফিকারি স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছেন, ইরান এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অর্থনৈতিক কেন্দ্র ও ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানে হামলা চালাবে। একই সঙ্গে তিনি মধ্যপ্রাচ্যের সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের সতর্ক করে দিয়েছেন, এই অঞ্চলে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র-সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
এর আগে একই দিনে আইআরজিসি-সংশ্লিষ্ট তাসনিম নিউজ গুগল, মাইক্রোসফট, প্যালান্টির, আইবিএম, এনভিডিয়া ও ওরাকলসহ বড় মার্কিন প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোকে 'বৈধ লক্ষ্যবস্তু' হিসেবে চিহ্নিত করে একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। অর্থাৎ একই দিনে ইরান একদিকে প্রযুক্তি অবকাঠামো, অন্যদিকে আর্থিক প্রতিষ্ঠানে হামলার হুমকি দিয়ে যুদ্ধের পরিধি ব্যাপকভাবে বিস্তৃত করার ইঙ্গিত দিল। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই দুটি হুঁশিয়ারি একত্রে দেখলে স্পষ্ট যে ইরান এখন সামরিক লক্ষ্যবস্তুর বাইরে গিয়ে অর্থনৈতিক ও ডিজিটাল অবকাঠামোকে যুদ্ধের নতুন ক্ষেত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাইছে। এই পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যে ব্যবসারত আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য গভীর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন