ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের চলমান যৌথ সামরিক হামলাকে আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থি আখ্যা দিয়ে এই যুদ্ধে কোনোভাবেই সম্পৃক্ত না থাকার ঘোষণা দিয়েছে ফ্রান্স। মঙ্গলবার ফরাসি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ফ্রান্স-২ কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জিন-নোয়েল ব্যারোট এই অবস্থান স্পষ্ট করেন।
ব্যারোট বলেন, এই হামলার কোনো সুস্পষ্ট কৌশলগত লক্ষ্য নেই এবং তা আন্তর্জাতিক আইনি মানদণ্ড মেনে পরিচালিত হচ্ছে না। তিনি দ্ব্যর্থহীন ভাষায় জানান, ফ্রান্স এই যুদ্ধ অনুমোদন করে না এবং এতে অংশগ্রহণ করছে না। পশ্চিমা ন্যাটো জোটের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ফ্রান্সের এই অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকটকে ঘিরে পশ্চিমা মতবিরোধকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।
একই সঙ্গে ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী মধ্যপ্রাচ্যে দ্রুত উত্তেজনা প্রশমনের আহ্বান জানিয়ে ইরানের প্রতিও কড়া বার্তা দিয়েছেন। তার মতে, এই অঞ্চলে স্থায়ী ও টেকসই সমাধানের পথ তৈরি করতে হলে ইরানকে তার অবস্থানে আমূল পরিবর্তন আনতে হবে এবং বড় ধরনের ছাড় দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিতে হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে ইরান আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতার উৎস হিসেবে কাজ করা থেকে বিরত হবে।
প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ক্রমেই তীব্রতর হচ্ছে। এ পর্যন্ত এক হাজার দুইশোরও বেশি মানুষ নিহত এবং দশ হাজারের অধিক আহত হয়েছেন। পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে ইরানও ইসরাইল, জর্ডান, ইরাক এবং উপসাগরীয় দেশগুলোতে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, তেহরানের মেহরাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে নতুন বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটেছে।
যুদ্ধ যখন ক্রমশ বিস্তৃত হচ্ছে, তখন ফ্রান্সের এই প্রকাশ্য দূরত্বের ঘোষণা আন্তর্জাতিক মহলে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। পশ্চিমা মিত্রদের মধ্যে ইরান যুদ্ধ নিয়ে যে বিভাজন তৈরি হচ্ছে, ফ্রান্সের এই বক্তব্য তার সাম্প্রতিকতম প্রকাশ বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মার্চ ২০২৬
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের চলমান যৌথ সামরিক হামলাকে আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থি আখ্যা দিয়ে এই যুদ্ধে কোনোভাবেই সম্পৃক্ত না থাকার ঘোষণা দিয়েছে ফ্রান্স। মঙ্গলবার ফরাসি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ফ্রান্স-২ কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জিন-নোয়েল ব্যারোট এই অবস্থান স্পষ্ট করেন।
ব্যারোট বলেন, এই হামলার কোনো সুস্পষ্ট কৌশলগত লক্ষ্য নেই এবং তা আন্তর্জাতিক আইনি মানদণ্ড মেনে পরিচালিত হচ্ছে না। তিনি দ্ব্যর্থহীন ভাষায় জানান, ফ্রান্স এই যুদ্ধ অনুমোদন করে না এবং এতে অংশগ্রহণ করছে না। পশ্চিমা ন্যাটো জোটের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ফ্রান্সের এই অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকটকে ঘিরে পশ্চিমা মতবিরোধকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।
একই সঙ্গে ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী মধ্যপ্রাচ্যে দ্রুত উত্তেজনা প্রশমনের আহ্বান জানিয়ে ইরানের প্রতিও কড়া বার্তা দিয়েছেন। তার মতে, এই অঞ্চলে স্থায়ী ও টেকসই সমাধানের পথ তৈরি করতে হলে ইরানকে তার অবস্থানে আমূল পরিবর্তন আনতে হবে এবং বড় ধরনের ছাড় দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিতে হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে ইরান আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতার উৎস হিসেবে কাজ করা থেকে বিরত হবে।
প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ক্রমেই তীব্রতর হচ্ছে। এ পর্যন্ত এক হাজার দুইশোরও বেশি মানুষ নিহত এবং দশ হাজারের অধিক আহত হয়েছেন। পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে ইরানও ইসরাইল, জর্ডান, ইরাক এবং উপসাগরীয় দেশগুলোতে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, তেহরানের মেহরাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে নতুন বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটেছে।
যুদ্ধ যখন ক্রমশ বিস্তৃত হচ্ছে, তখন ফ্রান্সের এই প্রকাশ্য দূরত্বের ঘোষণা আন্তর্জাতিক মহলে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। পশ্চিমা মিত্রদের মধ্যে ইরান যুদ্ধ নিয়ে যে বিভাজন তৈরি হচ্ছে, ফ্রান্সের এই বক্তব্য তার সাম্প্রতিকতম প্রকাশ বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

আপনার মতামত লিখুন