বর্তমান সরকারকে ব্যর্থ প্রমাণের অপচেষ্টা বাদ দিয়ে দেশের স্বার্থে সব রাজনৈতিক দলকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাজধানীর শায়লা হাফিজ মিলনায়তনে হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল ইউনিট বিএনপি আয়োজিত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। মির্জা আব্বাস বলেন, একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক গোষ্ঠী শুরু থেকেই নতুন এই সরকারকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।
অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন যে, দায়িত্ব নেওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই সরকার আন্দোলনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রায় ৩৬ হাজার জনহিতকর সুবিধা চালু করেছে। আরও অনেক জনবান্ধব কর্মসূচি পর্যায়ক্রমে শুরু করার প্রক্রিয়া চলছে বলেও তিনি জানান। মির্জা আব্বাসের মতে, সরকার একেবারেই নতুন হওয়া সত্ত্বেও কিছু পক্ষ এমন আচরণ করছে যেন এটি দীর্ঘ ১৭ বছরের পুরনো কোনো প্রশাসন। অথচ নির্বাচনের রেশ কাটিয়ে উঠে পুরোদমে কাজ শুরু করতে প্রশাসনকে ব্যাপক পরিশ্রম করতে হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে এই জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, বর্তমানে সারা বিশ্বে এক ধরনের অস্থিরতা চলছে এবং এর প্রভাব বাংলাদেশে পড়াও স্বাভাবিক। এই সংকটকে পুঁজি করে সরকারকে বিব্রত করা হলে আখেরে দেশেরই ক্ষতি হবে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, কাউকে বিব্রত করে ক্ষমতায় আসার পথ খুঁজলে ভবিষ্যতে তাদেরও একই পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে। তার মতে, প্রকৃত উন্নয়ন কেবল রাস্তাঘাট বা সেতু নির্মাণ নয় বরং মানুষের অন্ন, বস্ত্র ও সুচিকিৎসা নিশ্চিত করাই আসল অগ্রগতি।
দেশের চিকিৎসা খাতের মানোন্নয়ন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মির্জা আব্বাস হলি ফ্যামিলি হাসপাতালের ঐতিহ্যবাহী পরিবেশের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজের পর এত বড় পরিসরে খুব কম হাসপাতালই রয়েছে। এক সময় এখানে বিদেশি চিকিৎসকরাও সেবা দিতেন উল্লেখ করে তিনি বর্তমান চিকিৎসকদের পেশাদারিত্বের পাশাপাশি সেবার মানসিকতা বজায় রাখার অনুরোধ জানান।
বক্তব্যের শেষ দিকে তিনি বাংলাদেশের হার্ট, চোখ, দাঁত ও ডায়াবেটিস চিকিৎসার অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরেন। বিশেষ করে ডায়াবেটিস চিকিৎসার জন্য প্রতিবেশী দেশ থেকে রোগীরা বাংলাদেশে আসছে যা দেশের জন্য ইতিবাচক বলে তিনি মনে করেন। উন্নত সেবা ও নিষ্ঠার মাধ্যমে চিকিৎসকরা দেশ গঠনে ভূমিকা রাখবেন এবং সরকারকে সহযোগিতা করবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মার্চ ২০২৬
বর্তমান সরকারকে ব্যর্থ প্রমাণের অপচেষ্টা বাদ দিয়ে দেশের স্বার্থে সব রাজনৈতিক দলকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাজধানীর শায়লা হাফিজ মিলনায়তনে হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল ইউনিট বিএনপি আয়োজিত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। মির্জা আব্বাস বলেন, একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক গোষ্ঠী শুরু থেকেই নতুন এই সরকারকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।
অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন যে, দায়িত্ব নেওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই সরকার আন্দোলনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রায় ৩৬ হাজার জনহিতকর সুবিধা চালু করেছে। আরও অনেক জনবান্ধব কর্মসূচি পর্যায়ক্রমে শুরু করার প্রক্রিয়া চলছে বলেও তিনি জানান। মির্জা আব্বাসের মতে, সরকার একেবারেই নতুন হওয়া সত্ত্বেও কিছু পক্ষ এমন আচরণ করছে যেন এটি দীর্ঘ ১৭ বছরের পুরনো কোনো প্রশাসন। অথচ নির্বাচনের রেশ কাটিয়ে উঠে পুরোদমে কাজ শুরু করতে প্রশাসনকে ব্যাপক পরিশ্রম করতে হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে এই জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, বর্তমানে সারা বিশ্বে এক ধরনের অস্থিরতা চলছে এবং এর প্রভাব বাংলাদেশে পড়াও স্বাভাবিক। এই সংকটকে পুঁজি করে সরকারকে বিব্রত করা হলে আখেরে দেশেরই ক্ষতি হবে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, কাউকে বিব্রত করে ক্ষমতায় আসার পথ খুঁজলে ভবিষ্যতে তাদেরও একই পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে। তার মতে, প্রকৃত উন্নয়ন কেবল রাস্তাঘাট বা সেতু নির্মাণ নয় বরং মানুষের অন্ন, বস্ত্র ও সুচিকিৎসা নিশ্চিত করাই আসল অগ্রগতি।
দেশের চিকিৎসা খাতের মানোন্নয়ন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মির্জা আব্বাস হলি ফ্যামিলি হাসপাতালের ঐতিহ্যবাহী পরিবেশের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজের পর এত বড় পরিসরে খুব কম হাসপাতালই রয়েছে। এক সময় এখানে বিদেশি চিকিৎসকরাও সেবা দিতেন উল্লেখ করে তিনি বর্তমান চিকিৎসকদের পেশাদারিত্বের পাশাপাশি সেবার মানসিকতা বজায় রাখার অনুরোধ জানান।
বক্তব্যের শেষ দিকে তিনি বাংলাদেশের হার্ট, চোখ, দাঁত ও ডায়াবেটিস চিকিৎসার অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরেন। বিশেষ করে ডায়াবেটিস চিকিৎসার জন্য প্রতিবেশী দেশ থেকে রোগীরা বাংলাদেশে আসছে যা দেশের জন্য ইতিবাচক বলে তিনি মনে করেন। উন্নত সেবা ও নিষ্ঠার মাধ্যমে চিকিৎসকরা দেশ গঠনে ভূমিকা রাখবেন এবং সরকারকে সহযোগিতা করবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আপনার মতামত লিখুন