আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রাজধানীতে তিন দিনব্যাপী ঈদ উৎসব আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। চাঁদ রাতের মেহেদী উৎসব থেকে শুরু করে ঈদের দিনের বর্ণাঢ্য মিছিল এবং পরদিন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঘুড়ি উৎসব, তিন দিন ধরে চলবে এই আনন্দ আয়োজন। মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এই কথা জানান।
আয়োজকরা জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর গত বছর রাজধানীতে নতুন উদ্যমে শুরু হওয়া ঈদের মিছিলে বিপুল মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এই আয়োজনকে নতুন মাত্রা দিয়েছে। শিশু, তরুণ ও প্রবীণসহ নানা বয়সী মানুষ পথের ধারে দাঁড়িয়ে নিজে থেকেই মিছিলে যোগ দিয়েছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় এ বছর আরও বিস্তৃত পরিসরে উৎসবের আয়োজন করা হচ্ছে।
কর্মসূচি অনুযায়ী, ঈদের আগের রাতে অর্থাৎ চাঁদ রাতে রবীন্দ্র সরোবরে অনুষ্ঠিত হবে মেহেদী উৎসব ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিক এতে অংশ নিতে পারবেন। সেখানে থাকবে ঈদের গান, কবিতা ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনা।
ঈদের দিন সকাল ১০টায় জাতীয় ঈদগাহ তথা হাইকোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হবে মূল ঈদের মিছিল। বিভিন্ন পাড়া-মহল্লা থেকে আসা ঝটিকা মিছিলগুলো একত্রিত হয়ে দোয়েল চত্বর ও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে দিয়ে শাহবাগ মোড়ে গিয়ে শেষ হবে। এলাকাভিত্তিক মিছিলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে জাকজমকপূর্ণটিকে পুরস্কৃত করা হবে। মিছিলে থাকবে ঐতিহাসিক চরিত্র, প্ল্যাকার্ড, হাতি ও ঘোড়ার গাড়ি। শিশু-কিশোরদের জন্য বিশেষভাবে রাখা হবে 'কিডস জোন'।
ঈদের পরদিন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত হবে ঘুড়ি উৎসব। ঢাকার এই প্রাচীন ঐতিহ্যকে ঈদ উৎসবের সঙ্গে যুক্ত করার মধ্য দিয়ে সাংস্কৃতিক চর্চায় নতুন মাত্রা যোগ হবে বলে মনে করছেন আয়োজকরা।
নাগরিক উদ্যোগে পরিচালিত এই উৎসবে সর্বসাধারণের আর্থিক সহযোগিতা নেওয়া হবে। পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে যেকোনো তরুণ এই আয়োজনে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন। আয়োজন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য ইতিমধ্যে একটি বাস্তবায়ন কমিটি এবং পৃথক উপ-কমিটি গঠন করা হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মার্চ ২০২৬
আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রাজধানীতে তিন দিনব্যাপী ঈদ উৎসব আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। চাঁদ রাতের মেহেদী উৎসব থেকে শুরু করে ঈদের দিনের বর্ণাঢ্য মিছিল এবং পরদিন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঘুড়ি উৎসব, তিন দিন ধরে চলবে এই আনন্দ আয়োজন। মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এই কথা জানান।
আয়োজকরা জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর গত বছর রাজধানীতে নতুন উদ্যমে শুরু হওয়া ঈদের মিছিলে বিপুল মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এই আয়োজনকে নতুন মাত্রা দিয়েছে। শিশু, তরুণ ও প্রবীণসহ নানা বয়সী মানুষ পথের ধারে দাঁড়িয়ে নিজে থেকেই মিছিলে যোগ দিয়েছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় এ বছর আরও বিস্তৃত পরিসরে উৎসবের আয়োজন করা হচ্ছে।
কর্মসূচি অনুযায়ী, ঈদের আগের রাতে অর্থাৎ চাঁদ রাতে রবীন্দ্র সরোবরে অনুষ্ঠিত হবে মেহেদী উৎসব ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিক এতে অংশ নিতে পারবেন। সেখানে থাকবে ঈদের গান, কবিতা ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনা।
ঈদের দিন সকাল ১০টায় জাতীয় ঈদগাহ তথা হাইকোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হবে মূল ঈদের মিছিল। বিভিন্ন পাড়া-মহল্লা থেকে আসা ঝটিকা মিছিলগুলো একত্রিত হয়ে দোয়েল চত্বর ও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে দিয়ে শাহবাগ মোড়ে গিয়ে শেষ হবে। এলাকাভিত্তিক মিছিলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে জাকজমকপূর্ণটিকে পুরস্কৃত করা হবে। মিছিলে থাকবে ঐতিহাসিক চরিত্র, প্ল্যাকার্ড, হাতি ও ঘোড়ার গাড়ি। শিশু-কিশোরদের জন্য বিশেষভাবে রাখা হবে 'কিডস জোন'।
ঈদের পরদিন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত হবে ঘুড়ি উৎসব। ঢাকার এই প্রাচীন ঐতিহ্যকে ঈদ উৎসবের সঙ্গে যুক্ত করার মধ্য দিয়ে সাংস্কৃতিক চর্চায় নতুন মাত্রা যোগ হবে বলে মনে করছেন আয়োজকরা।
নাগরিক উদ্যোগে পরিচালিত এই উৎসবে সর্বসাধারণের আর্থিক সহযোগিতা নেওয়া হবে। পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে যেকোনো তরুণ এই আয়োজনে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন। আয়োজন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য ইতিমধ্যে একটি বাস্তবায়ন কমিটি এবং পৃথক উপ-কমিটি গঠন করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন