মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির ছায়া পড়েছে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপেও। ইরাক দলের ম্যাচ স্থগিতের আবেদন থেকে শুরু করে ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা, সব মিলিয়ে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই এগিয়ে আসছে ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসর। তবু ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বলছেন, এটি হবে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বৈশ্বিক উৎসব।
যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডার যৌথ আয়োজনে এ বছরই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এই মহাযজ্ঞ। ৪৮টি দল, ১০৪টি ম্যাচ, ১৬টি আয়োজক শহর এবং তিনটি দেশ নিয়ে আকারের দিক থেকে এটি আগের সব আসরকে ছাড়িয়ে যাবে। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম এএসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইনফান্তিনো জানান, মাত্র চার সপ্তাহে টিকিটের জন্য ৫০০ মিলিয়নেরও বেশি আবেদন জমা পড়েছে। ১০৪টি ম্যাচের মধ্যে ৭৭টি ম্যাচের প্রতিটির জন্যই ১০ লাখের বেশি আবেদন এসেছে।
ইনফান্তিনো বলেন, একসময় ধারণা ছিল যুক্তরাষ্ট্রে ফুটবলের তেমন জনপ্রিয়তা নেই, কিন্তু সেই ধারণা এখন সম্পূর্ণ বদলে গেছে। তার মতে, এই আসর নিছক একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতা নয়, বরং এমন একটি সামাজিক আয়োজন যার জন্য গোটা বিশ্ব থমকে দাঁড়াবে।
তবে বিশ্বকাপের উত্তাপের বাইরেও রয়েছে রাজনৈতিক উত্তেজনার বাস্তবতা। ইরান-ইসরায়েল সংঘাত এবং তাতে যুক্তরাষ্ট্রের সক্রিয় অংশগ্রহণের প্রভাব ইতিমধ্যে টুর্নামেন্টের সূচিতে পড়তে শুরু করেছে। ইরাক ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন মেক্সিকোয় নির্ধারিত ইন্টারকন্টিনেন্টাল প্লে-অফ ম্যাচ পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন করেছে। আকাশপথ বন্ধ থাকা ও ভিসা জটিলতার কারণে এই অনুরোধ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে যুদ্ধে সরাসরি জড়িত ইরানের অংশগ্রহণ নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাজনৈতিক সংবাদমাধ্যম পলিটিকোকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইরানের অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে বিদ্রূপাত্মক মন্তব্য করেন এবং দেশটিকে 'পরাজিত' বলে উল্লেখ করেন।
ফুটবলের মাঠে যখন রেকর্ড আগ্রহ, কূটনীতির মঞ্চে তখন উত্তেজনা। এই দুই বাস্তবতার টানাটানিতেই এগিয়ে আসছে ২০২৬ বিশ্বকাপ।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির ছায়া পড়েছে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপেও। ইরাক দলের ম্যাচ স্থগিতের আবেদন থেকে শুরু করে ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা, সব মিলিয়ে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই এগিয়ে আসছে ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসর। তবু ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বলছেন, এটি হবে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বৈশ্বিক উৎসব।
যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডার যৌথ আয়োজনে এ বছরই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এই মহাযজ্ঞ। ৪৮টি দল, ১০৪টি ম্যাচ, ১৬টি আয়োজক শহর এবং তিনটি দেশ নিয়ে আকারের দিক থেকে এটি আগের সব আসরকে ছাড়িয়ে যাবে। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম এএসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইনফান্তিনো জানান, মাত্র চার সপ্তাহে টিকিটের জন্য ৫০০ মিলিয়নেরও বেশি আবেদন জমা পড়েছে। ১০৪টি ম্যাচের মধ্যে ৭৭টি ম্যাচের প্রতিটির জন্যই ১০ লাখের বেশি আবেদন এসেছে।
ইনফান্তিনো বলেন, একসময় ধারণা ছিল যুক্তরাষ্ট্রে ফুটবলের তেমন জনপ্রিয়তা নেই, কিন্তু সেই ধারণা এখন সম্পূর্ণ বদলে গেছে। তার মতে, এই আসর নিছক একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতা নয়, বরং এমন একটি সামাজিক আয়োজন যার জন্য গোটা বিশ্ব থমকে দাঁড়াবে।
তবে বিশ্বকাপের উত্তাপের বাইরেও রয়েছে রাজনৈতিক উত্তেজনার বাস্তবতা। ইরান-ইসরায়েল সংঘাত এবং তাতে যুক্তরাষ্ট্রের সক্রিয় অংশগ্রহণের প্রভাব ইতিমধ্যে টুর্নামেন্টের সূচিতে পড়তে শুরু করেছে। ইরাক ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন মেক্সিকোয় নির্ধারিত ইন্টারকন্টিনেন্টাল প্লে-অফ ম্যাচ পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন করেছে। আকাশপথ বন্ধ থাকা ও ভিসা জটিলতার কারণে এই অনুরোধ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে যুদ্ধে সরাসরি জড়িত ইরানের অংশগ্রহণ নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাজনৈতিক সংবাদমাধ্যম পলিটিকোকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইরানের অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে বিদ্রূপাত্মক মন্তব্য করেন এবং দেশটিকে 'পরাজিত' বলে উল্লেখ করেন।
ফুটবলের মাঠে যখন রেকর্ড আগ্রহ, কূটনীতির মঞ্চে তখন উত্তেজনা। এই দুই বাস্তবতার টানাটানিতেই এগিয়ে আসছে ২০২৬ বিশ্বকাপ।

আপনার মতামত লিখুন