বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালি নিজেদের দখলে নেওয়ার চিন্তাভাবনা করছে তার প্রশাসন বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, প্রণালিটি এখন উন্মুক্ত থাকলেও হোয়াইট হাউস এটি দখলে নেওয়ার বিষয়টি সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করছে এবং সেখানে অনেক কিছু করার সুযোগ রয়েছে বলে তিনি মনে করেন।
হরমুজ প্রণালি পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরের সংযোগস্থলে অবস্থিত একটি সংকীর্ণ কিন্তু কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ। বিশ্বের মোট তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত ও ইরাকের তেল রপ্তানির প্রধান পথ এটি। ফলে এই প্রণালি বন্ধ বা অস্থিতিশীল হয়ে পড়লে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে তার প্রভাব হবে সুদূরপ্রসারী।
প্রায় ১০ দিন আগে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সরাসরি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এই নৌপথে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল কার্যত থমকে গেছে। বীমা কোম্পানিগুলো ঝুঁকি বিবেচনায় এই অঞ্চলে জাহাজ পাঠাতে অনীহা দেখাচ্ছে এবং বেশিরভাগ শিপিং কোম্পানি বিকল্প পথ খুঁজছে।
ইরান এখনো প্রণালিটি আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেনি। তবে দেশটি স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়েছে, মার্কিন বা ইসরাইলি কোনো তেলবাহী ট্যাংকার এই পথে চলাচলের চেষ্টা করলে তাতে সরাসরি হামলা চালানো হবে। এই হুমকির পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম গত কয়েক সপ্তাহে ব্যাপকভাবে ওঠানামা করেছে এবং আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতে অস্থিরতার আশঙ্কা বাড়ছে।
ট্রাম্পের এই মন্তব্য আন্তর্জাতিক মহলে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি বা দখল প্রতিষ্ঠার যেকোনো পদক্ষেপ ইরানের সঙ্গে সংঘাতকে আরও গভীর করবে এবং পুরো অঞ্চলকে দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের দিকে ঠেলে দেবে। একই সঙ্গে এটি আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক আইন ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নেও নতুন বিতর্কের সূচনা করবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মার্চ ২০২৬
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালি নিজেদের দখলে নেওয়ার চিন্তাভাবনা করছে তার প্রশাসন বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, প্রণালিটি এখন উন্মুক্ত থাকলেও হোয়াইট হাউস এটি দখলে নেওয়ার বিষয়টি সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করছে এবং সেখানে অনেক কিছু করার সুযোগ রয়েছে বলে তিনি মনে করেন।
হরমুজ প্রণালি পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরের সংযোগস্থলে অবস্থিত একটি সংকীর্ণ কিন্তু কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ। বিশ্বের মোট তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত ও ইরাকের তেল রপ্তানির প্রধান পথ এটি। ফলে এই প্রণালি বন্ধ বা অস্থিতিশীল হয়ে পড়লে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে তার প্রভাব হবে সুদূরপ্রসারী।
প্রায় ১০ দিন আগে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সরাসরি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এই নৌপথে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল কার্যত থমকে গেছে। বীমা কোম্পানিগুলো ঝুঁকি বিবেচনায় এই অঞ্চলে জাহাজ পাঠাতে অনীহা দেখাচ্ছে এবং বেশিরভাগ শিপিং কোম্পানি বিকল্প পথ খুঁজছে।
ইরান এখনো প্রণালিটি আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেনি। তবে দেশটি স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়েছে, মার্কিন বা ইসরাইলি কোনো তেলবাহী ট্যাংকার এই পথে চলাচলের চেষ্টা করলে তাতে সরাসরি হামলা চালানো হবে। এই হুমকির পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম গত কয়েক সপ্তাহে ব্যাপকভাবে ওঠানামা করেছে এবং আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতে অস্থিরতার আশঙ্কা বাড়ছে।
ট্রাম্পের এই মন্তব্য আন্তর্জাতিক মহলে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি বা দখল প্রতিষ্ঠার যেকোনো পদক্ষেপ ইরানের সঙ্গে সংঘাতকে আরও গভীর করবে এবং পুরো অঞ্চলকে দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের দিকে ঠেলে দেবে। একই সঙ্গে এটি আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক আইন ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নেও নতুন বিতর্কের সূচনা করবে।

আপনার মতামত লিখুন