ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

যুদ্ধ শেষের ইঙ্গিতে তেলের বাজারে স্বস্তি


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১০ মার্চ ২০২৬

যুদ্ধ শেষের ইঙ্গিতে তেলের বাজারে স্বস্তি

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ শিগগিরই শেষ হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেওয়ার পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম দ্রুত নিচে নেমে এসেছে। সোমবার (৯ মার্চ) দিনভর তীব্র ওঠানামার পর বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে কিছুটা স্থিতিশীলতা ফিরে আসে।

দিনের শুরুতে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১৯.৫০ ডলার পর্যন্ত উঠে যায়। এর আগের দিন দাম ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গিয়েছিল, যা ২০২২ সালে রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণের পর প্রথমবারের মতো এই উচ্চতায় পৌঁছানোর রেকর্ড। তবে ট্রাম্পের বক্তব্যের পর দিনের শেষে দাম কমে ৯৮.৯৬ ডলারে নেমে আসে।

সিবিএস নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ 'প্রায় পুরোপুরি শেষের পথে'। এই মন্তব্যই বাজারে দ্রুত প্রভাব ফেলে এবং বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কিছুটা আস্থা ফিরে আসে।

তেলের দাম হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় বৈশ্বিক আর্থিক বাজারে বড় ধাক্কা লাগে। এশিয়া ও ইউরোপের প্রধান শেয়ারবাজারগুলোতে ব্যাপক বিক্রির ঢল নামে। নিউইয়র্কের ওয়াল স্ট্রিটও দিনের শুরুতে চাপের মুখে পড়ে। জ্বালানি বাজারের এই অস্থিরতা বৈশ্বিক অর্থনীতিতে মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের সরাসরি প্রভাব কতটা গভীর, তা স্পষ্ট করে দিয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রাম্পের একটি মন্তব্রে মুহূর্তের মধ্যে বাজার পরিস্থিতি বদলে যাওয়া থেকে বোঝা যাচ্ছে, জ্বালানি বাজার এখন কতটা রাজনৈতিক বক্তব্যের ওপর নির্ভরশীল। যুদ্ধ সত্যিই শেষ হবে কিনা এবং মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমা পুনরায় চালু হবে কিনা, সেটির ওপরই এখন তেলের দামের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


যুদ্ধ শেষের ইঙ্গিতে তেলের বাজারে স্বস্তি

প্রকাশের তারিখ : ১০ মার্চ ২০২৬

featured Image

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ শিগগিরই শেষ হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেওয়ার পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম দ্রুত নিচে নেমে এসেছে। সোমবার (৯ মার্চ) দিনভর তীব্র ওঠানামার পর বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে কিছুটা স্থিতিশীলতা ফিরে আসে।

দিনের শুরুতে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১৯.৫০ ডলার পর্যন্ত উঠে যায়। এর আগের দিন দাম ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গিয়েছিল, যা ২০২২ সালে রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণের পর প্রথমবারের মতো এই উচ্চতায় পৌঁছানোর রেকর্ড। তবে ট্রাম্পের বক্তব্যের পর দিনের শেষে দাম কমে ৯৮.৯৬ ডলারে নেমে আসে।

সিবিএস নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ 'প্রায় পুরোপুরি শেষের পথে'। এই মন্তব্যই বাজারে দ্রুত প্রভাব ফেলে এবং বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কিছুটা আস্থা ফিরে আসে।

তেলের দাম হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় বৈশ্বিক আর্থিক বাজারে বড় ধাক্কা লাগে। এশিয়া ও ইউরোপের প্রধান শেয়ারবাজারগুলোতে ব্যাপক বিক্রির ঢল নামে। নিউইয়র্কের ওয়াল স্ট্রিটও দিনের শুরুতে চাপের মুখে পড়ে। জ্বালানি বাজারের এই অস্থিরতা বৈশ্বিক অর্থনীতিতে মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের সরাসরি প্রভাব কতটা গভীর, তা স্পষ্ট করে দিয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রাম্পের একটি মন্তব্রে মুহূর্তের মধ্যে বাজার পরিস্থিতি বদলে যাওয়া থেকে বোঝা যাচ্ছে, জ্বালানি বাজার এখন কতটা রাজনৈতিক বক্তব্যের ওপর নির্ভরশীল। যুদ্ধ সত্যিই শেষ হবে কিনা এবং মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমা পুনরায় চালু হবে কিনা, সেটির ওপরই এখন তেলের দামের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ