ইরাকের উত্তরাঞ্চলীয় শহর কিরকুকে ইরানপন্থি মিলিশিয়া জোট পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেসের (পিএমএফ) একটি ঘাঁটিতে বিমান হামলায় অন্তত পাঁচজন নিহত এবং ১৮ জন আহত হয়েছেন। মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে চলমান সংঘাতের মধ্যে এই হামলা পরিস্থিতিকে নতুন মাত্রা দিয়েছে।
আলজাজিরা আরবিকে দেওয়া এক বিবৃতিতে একজন ইরাকি নিরাপত্তা কর্মকর্তা জানান, পিএমএফের ৪০তম ব্রিগেডের সদর দপ্তরে দুটি পৃথক বিমান হামলা চালানো হয়েছে। হামলা দুটি ঘাঁটির মূল স্থাপনাকে লক্ষ্য করে পরিচালিত হয় বলে জানা গেছে। নিহতদের মধ্যে কারা রয়েছেন এবং আহতদের অবস্থা কতটা গুরুতর, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।
হামলাটি কার পক্ষ থেকে পরিচালিত হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। কোনো পক্ষ এখন পর্যন্ত এই হামলার দায় স্বীকার করেনি। তবে আঞ্চলিক পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে সন্দেহের তীর একাধিক দিকে থাকায় তদন্ত জটিল হয়ে পড়েছে।
পিএমএফ, যা হাশদ আল-শাবি নামেও পরিচিত, মূলত শিয়া সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর একটি বৃহৎ জোট। ইরাকে মার্কিন সামরিক উপস্থিতির বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা প্রতিরোধ আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় এই গোষ্ঠীগুলোর অনেকটির জন্ম হয়েছিল। বর্তমানে ইরানের সঙ্গে তাদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক সর্বজনবিদিত এবং এই জোট ইরাকের রাজনৈতিক ও সামরিক কাঠামোয় গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব বিস্তার করে আসছে।
হামলার পর কিরকুকে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। ইরাকের নিরাপত্তা বাহিনী এলাকায় তৎপরতা বাড়িয়েছে এবং পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানা গেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা আতঙ্কে রয়েছেন এবং হামলার পর থেকে এলাকায় জনসমাগম কমে গেছে।
ইরান ও ইসরাইলের মধ্যে চলমান সরাসরি সংঘাতের মধ্যে ইরাকের মাটিতে এই হামলা আঞ্চলিক যুদ্ধের পরিধি আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কাকে সামনে নিয়ে এসেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরাক এখন এমন একটি ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির মুখোমুখি যেখানে বাইরের শক্তির দ্বন্দ্ব তার ভূখণ্ডে সরাসরি আঘাত হানছে। এই পরিস্থিতি ইরাকের সার্বভৌমত্ব ও স্থিতিশীলতার জন্য গভীর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মার্চ ২০২৬
ইরাকের উত্তরাঞ্চলীয় শহর কিরকুকে ইরানপন্থি মিলিশিয়া জোট পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেসের (পিএমএফ) একটি ঘাঁটিতে বিমান হামলায় অন্তত পাঁচজন নিহত এবং ১৮ জন আহত হয়েছেন। মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে চলমান সংঘাতের মধ্যে এই হামলা পরিস্থিতিকে নতুন মাত্রা দিয়েছে।
আলজাজিরা আরবিকে দেওয়া এক বিবৃতিতে একজন ইরাকি নিরাপত্তা কর্মকর্তা জানান, পিএমএফের ৪০তম ব্রিগেডের সদর দপ্তরে দুটি পৃথক বিমান হামলা চালানো হয়েছে। হামলা দুটি ঘাঁটির মূল স্থাপনাকে লক্ষ্য করে পরিচালিত হয় বলে জানা গেছে। নিহতদের মধ্যে কারা রয়েছেন এবং আহতদের অবস্থা কতটা গুরুতর, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।
হামলাটি কার পক্ষ থেকে পরিচালিত হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। কোনো পক্ষ এখন পর্যন্ত এই হামলার দায় স্বীকার করেনি। তবে আঞ্চলিক পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে সন্দেহের তীর একাধিক দিকে থাকায় তদন্ত জটিল হয়ে পড়েছে।
পিএমএফ, যা হাশদ আল-শাবি নামেও পরিচিত, মূলত শিয়া সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর একটি বৃহৎ জোট। ইরাকে মার্কিন সামরিক উপস্থিতির বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা প্রতিরোধ আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় এই গোষ্ঠীগুলোর অনেকটির জন্ম হয়েছিল। বর্তমানে ইরানের সঙ্গে তাদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক সর্বজনবিদিত এবং এই জোট ইরাকের রাজনৈতিক ও সামরিক কাঠামোয় গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব বিস্তার করে আসছে।
হামলার পর কিরকুকে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। ইরাকের নিরাপত্তা বাহিনী এলাকায় তৎপরতা বাড়িয়েছে এবং পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানা গেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা আতঙ্কে রয়েছেন এবং হামলার পর থেকে এলাকায় জনসমাগম কমে গেছে।
ইরান ও ইসরাইলের মধ্যে চলমান সরাসরি সংঘাতের মধ্যে ইরাকের মাটিতে এই হামলা আঞ্চলিক যুদ্ধের পরিধি আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কাকে সামনে নিয়ে এসেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরাক এখন এমন একটি ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির মুখোমুখি যেখানে বাইরের শক্তির দ্বন্দ্ব তার ভূখণ্ডে সরাসরি আঘাত হানছে। এই পরিস্থিতি ইরাকের সার্বভৌমত্ব ও স্থিতিশীলতার জন্য গভীর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন