রাজশাহীর মোহনপুরের কেশরহাটের সাঁকোয়া গ্রামে মসজিদের মুয়াজ্জিন আলাউদ্দিনের মৃত্যুর ঘটনায় গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন পবা-মোহনপুর আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন।
সোমবার বিকেল পাঁচটার দিকে তিনি মোহনপুরের কেশরহাট এলাকার বিএনপির নেতাকর্মীদের বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এমপি বলেন, “যিনি মারা গেছেন তিনি কোন দলের লোক সেটি বড় বিষয় নয়। কোনো মৃত্যুই কাম্য নয়। পোস্টমর্টেম রিপোর্ট হাতে পেলেই বিষয়টি পরিষ্কার হবে।”
তিনি জানান, ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত ইতোমধ্যে মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, বাড়ির ভেতর থেকে মোটরসাইকেল বের করে এনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, এবং বিএনপির নেতাকর্মীদের বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়েছে। এছাড়া কিছু লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে এবং নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার চুরি হয়েছে। এ সময় বাড়িতে থাকা শিশুদের মধ্যেও আতঙ্ক সৃষ্টি হয়।
এমপি আরও বলেন, পূর্বপরিকল্পিতভাবে ভিড় সৃষ্টি করে অন্য এলাকা থেকে লোকজন এনে এ ধরনের ঘটনা ঘটানো হয়েছে। তিনি নিজেই জামায়াতের স্থানীয় ও শহর পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে কথা বলেছেন, তবে তারাবির নামাজের পর বিএনপির নেতাকর্মীদের বাড়িতে হামলা চালানো হয়েছে।
এমপি অভিযোগ করেন, রাস্তায় গাছের গুঁড়ি ফেলে আগুন জ্বালিয়ে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করা হয়েছে এবং এখনও হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। তিনি জেলা প্রশাসকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত সরেজমিনে ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িঘর পরিদর্শন এবং সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রতিবেদন তৈরি করার দাবি জানান।
এ সময় ভাঙচুর হওয়া জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক রাইসুল হক রাসেল এবং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি ইসমাইল হোসেন হাবুর বাড়ি পরিদর্শন করেন এমপি। পরিবারের সঙ্গে কথা বলে তাদের দুঃখ-দুর্দশা শোনেন এবং আইনের আওতায় বিচার করা হবে বলেও আশ্বস্ত করেন।
মোহনপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব আর রশিদ, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক কাজিম উদ্দিন সরকার, কেশরহাট পৌরসভার সাবেক মেয়র আলাউদ্দিন আলো, মৌগাছি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নুরে আলম সিদ্দিক এবং অন্যান্য নেতাকর্মীরা এমপির সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মার্চ ২০২৬
রাজশাহীর মোহনপুরের কেশরহাটের সাঁকোয়া গ্রামে মসজিদের মুয়াজ্জিন আলাউদ্দিনের মৃত্যুর ঘটনায় গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন পবা-মোহনপুর আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন।
সোমবার বিকেল পাঁচটার দিকে তিনি মোহনপুরের কেশরহাট এলাকার বিএনপির নেতাকর্মীদের বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এমপি বলেন, “যিনি মারা গেছেন তিনি কোন দলের লোক সেটি বড় বিষয় নয়। কোনো মৃত্যুই কাম্য নয়। পোস্টমর্টেম রিপোর্ট হাতে পেলেই বিষয়টি পরিষ্কার হবে।”
তিনি জানান, ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত ইতোমধ্যে মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, বাড়ির ভেতর থেকে মোটরসাইকেল বের করে এনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, এবং বিএনপির নেতাকর্মীদের বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়েছে। এছাড়া কিছু লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে এবং নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার চুরি হয়েছে। এ সময় বাড়িতে থাকা শিশুদের মধ্যেও আতঙ্ক সৃষ্টি হয়।
এমপি আরও বলেন, পূর্বপরিকল্পিতভাবে ভিড় সৃষ্টি করে অন্য এলাকা থেকে লোকজন এনে এ ধরনের ঘটনা ঘটানো হয়েছে। তিনি নিজেই জামায়াতের স্থানীয় ও শহর পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে কথা বলেছেন, তবে তারাবির নামাজের পর বিএনপির নেতাকর্মীদের বাড়িতে হামলা চালানো হয়েছে।
এমপি অভিযোগ করেন, রাস্তায় গাছের গুঁড়ি ফেলে আগুন জ্বালিয়ে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করা হয়েছে এবং এখনও হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। তিনি জেলা প্রশাসকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত সরেজমিনে ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িঘর পরিদর্শন এবং সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রতিবেদন তৈরি করার দাবি জানান।
এ সময় ভাঙচুর হওয়া জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক রাইসুল হক রাসেল এবং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি ইসমাইল হোসেন হাবুর বাড়ি পরিদর্শন করেন এমপি। পরিবারের সঙ্গে কথা বলে তাদের দুঃখ-দুর্দশা শোনেন এবং আইনের আওতায় বিচার করা হবে বলেও আশ্বস্ত করেন।
মোহনপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব আর রশিদ, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক কাজিম উদ্দিন সরকার, কেশরহাট পৌরসভার সাবেক মেয়র আলাউদ্দিন আলো, মৌগাছি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নুরে আলম সিদ্দিক এবং অন্যান্য নেতাকর্মীরা এমপির সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন